মুক্তির প্রথম দিনে ১০০ কোটি রূপি আয় করল বাহুবলী ২

মুক্তির প্রথম দিনে ১০০ কোটি রূপি আয় করল বাহুবলী ২। ভারত এর ইতিহাসে এটি একটি নতুন রেকর্ড। ১০০ কোটি রূপির মাইলফলক অর্জন করতে আমীর খান এর দঙ্গল এর লেগেছিল ৩ দিন। ছবিটির এ সাফল্যে বেশ উচ্ছসিত পরিচালক রাজামৌলী। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ন্যুনতম ১০০০ কোটি রূপি আয় করবে এবং ভারত এর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি আয় করা ছবির মধ্যে থাকবে।

Baahubali 2: The Conclusion

একসাথে প্রায় পনেরটি দেশে মুক্তি দেয়া হয়েছে ছবিটি। ভারতীয় ছবির মাঝে অসাধারণ গ্রাফিক্স, এনিমেশন আর সুনিপুণ সিনেম্যাটোগ্রাফির একটি অনন্য উদাহরণ এই বাহুবলী ২। ছবিটি তৈরি করার কয়েকটি ভিডিও বিভিন্ন সময়ে ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়, এবং প্রতিটি ভিডিও কয়েক লক্ষ্যবার দেখা হয়েছে।

কাটাপ্পা কেন বাহুবলীকে হত্যা করেছিল, তা জানা যায় নি ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটির প্রথম পর্বে। আর এ কারণেই দর্শকদের তীব্র আকাঙ্ক্ষা ছিল, এর উত্তরের। আর এ উত্তর জানতেই দর্শকদের ছুটে যেতে হয়েছে ছবিটি দেখতে।

ইউটিউবে বাহুবলী ২ এর ট্রেলার প্রকাশ করা হয়েছিল ১৫ মার্চ, ২০১৭ সালে। শুধু এটি দেখা হয়েছে ৫৩,৩১৫,৯৯৬ বার। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে দর্শকরা প্রকাশ করেছেন ছবিটি দেখার পরে তাদের মতামত।

সফল ফটোগ্রাফার হবার রহস্য

“ফটোগ্রাফার হয়ে উঠতে অন্তত তিন চার বছর সময় লাগবে। ফেসবুক উৎসাহটা জুগিয়ে দিচ্ছে। তবে পরে পড়াশোনাটা করতে হবে। দেখার চোখ চাই, চাই বোঝার মত হৃদয়। তা থাকলে চারপাশটাই তোমার সাবজেক্ট।”
রাঘু রাই

“ছবি তোলা শিখতে চাও? তাহলে পেশাদার ফটোগ্রাফারদের ছবি দেখাও। ফেসবুকে ছবি দেখে যারা টিপস দিচ্ছে, তারা তোমার মতই আনকোরা। পেশাদার হতে চাইলে, পড়াশোনা কর। কাজটা শেখ।”
রাকেশ শ্রেষ্ঠা

১৫ দিনের প্রশিক্ষণে দক্ষ গেমস ডেভেলপার তৈরির উদ্যোগ! ব্যয় ২৮২ কোটি টাকা

পনের দিনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সুদক্ষ মোবাইল গেমস ও অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। আট হাজার সাতশ পঞ্চাশজন ডেভেলপার তৈরি এবং এক হাজার পঞ্চাশটি অ্যাপ্লিকেশন ও গেমস তৈরির জন্য দুই বছর মেয়াদী এই প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। তবে মাত্র পনের দিনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজন ডেভেলপারকে কতটুকু দক্ষ করে তোলা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে বিভিন্ন মহল থেকে।

তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এত কম সময়ে এটা কখনও সম্ভব নয়। এর আগেও সরকার ছয়শ মোবাইল অ্যাপস তৈরি করার পর রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারেনি। প্রযুক্তিবিদ যুবাইর বলেছেন, সরকার এ উদ্যোগ খুবি ভাল, কিন্তু এর বাস্তবায়ন কতটুকু সম্ভব, তা একমাত্র সময় বলে দেবে। এই প্রকল্পের আওতায় অ্যাপসগুলো রাখার জন্য পঞ্চাশ লাখ টাকা দিয়ে একটি অ্যাপস্টোর তৈরির কথা বলা হয়েছে। তবে এর আগেও দেশীয় অ্যাপসস্টোর তৈরি করেছে সরকার, যেটি কোনো কাজেই আসেনি। এতে নতুন করে আবারও পঞ্চাশ লাখ টাকা ব্যয়ে স্টোর তৈরি বিলাসিতা ছাড়া আর কিছু নয় বলে মনে করছে দেশীয় তথ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো।