জি এম বি আকাশ এর ছবি চুরি করল ইত্তেফাক

Image and video hosting by TinyPic

একজন “ভিক্ষুক” বাবা যার একটি হাত নেই, দু বছর ধরে টাকা জমিয়ে তার পরীর মত ছোট্ট মেয়ের জন্য জামা কিনে দিয়েছে। এরপরে বাবা দেখেছেন তার রাজকন্যার হাসি। একজন বাবা’র জন্য এর চেয়ে বড় উপহার আর কিইবা হতে পারে? ঠিক এরকম একটি আবেগঘন ঘটনার একটি অসাধারণ ছবি তুলেছেন বিশ্বনন্দিত আলোকচিত্রী জি এম বি আকাশ। আর এটি প্রকাশিত হয়েছে নেপাল এর জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল manoramaonline.com। নেপালের পোর্টালটি আলোকচিত্রীর অনুমতি নিয়ে প্রকাশ করে। এমনকি ভারত এর NDTV ও প্রকাশ করে তার আনুমতি সাপেক্ষেই।

কিন্তু বাংলাদেশ এর জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ইত্তেফাক অনুমতি ছাড়াই ছবি ও ছবির গল্প চুরি করে প্রকাশ করে, ০৮ এপ্রিল, ২০১৭ তারিখে। বাংলাদেশ এর প্রথম সারির এক্টী দৈনিক এর এরকম কান্ডজ্ঞ্যানহীন আচরণে ক্ষুব্ধ হন, আলোকচিত্রী জি এম বি আকাশ এবং পরে তার ফেসবুক প্রোফাইলে লেখেন, “The image and story is copy righted by me. The whole India and NDtv mentioned it in their every single publication, because they know what ‘Copyright’ means. Without our newspaper Daily Ittefaq. Amazing!”

এমনকি ইত্তেফাক ছবি থেকে জি এম বি আকাশ এর লোগোও মুছে ফেলে। দৈনিক ইত্তেফাক এর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আরও রয়েছে।

প্রতারণার স্বীকার হয়ে গর্ভবতী মা ও সন্তানের মৃত্যু

রক্তদান এক মহৎ কাজ। অনেকেই আজ এগিয়ে আসছে স্বেচ্ছায় রক্তদানের জন্য। মৃত্যু শরণাপন্ন অনেক রোগীই আলোর মুখ দেখছেন এই স্বেচ্ছাসেবীদের জন্য। কিন্তু অনেকেই আবার এই প্রতারণার স্বীকার হচ্ছেন এই কারণে। অনেককেই ফোন দিয়ে জানানো হয় যে রক্ত দেওয়ার কথা,সেজন্য বেশ বড় পরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়। নিরুপায় হয়ে আগেই তারা বিকাশের মাধ্যমে অর্থ প্রদাণ করে। আবার অনেকেই বিনা স্বার্থে রক্তদান করতে রাজি হয়। মিরপুর ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালে বিকেল ৪ টায় সালেহা বেগম (৪৩) এর সিজারের মাধ্যমে অপারেশনের সময় ঠিক হয়। চিকিৎতসকদের পরামর্শ অনু্যায়ী অপারেশনের জন্য জরুরী ভিত্তিতে AB+ রক্তের প্রয়োজনথ।সালেহা বেগমের ভাই সিরাজ(২৪) এ ব্যাপারে ফেসবুকে রক্তদান সম্পর্কিত এক গ্রুপে পোস্ট দেয়। তা দেখে উত্তরা মাইলস্টোন কলেজের এক ছাত্র স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে উৎসাহী হয়। হাসপাতালেরসময় অনুযায়ী ৪.৩০ নাগাদ অপারেশন, তার ৪ টার মধ্যে ঊপস্থিত থবার কথা জানায়।সিরাজের সাথে কথা বলে জানা যায় বারংবার ফোন করা সত্ত্বেও তার নাগাল পাওয়া যায় না এবং তার দেখা পাওয়া যায় না। এতে করে সেভাবেই অপরেশন করা হয় এবং দূর্ভাগ্যজক ভাবে মা ও সন্তান দুজনএর কাউকে বাঁচানো সম্ভব হয় না। এমন অনেক প্রতারণামূলক ঘটনাই আমাদের আশেপাশে ঘটছে কিন্তু দেখার কেউ নেই। আসুন সবাই সামান্য অর্থলোভে প্রতারণা না করে স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত হই এবং এসব প্রতারক চক্রকে প্রতিহত করি।

আত্মহত্যা করলেন মডেল জ্যাকুলিন মিথিলা

Jacqueline Mithila Suicide
মডেল জ্যাকুলিন মিথিলা

বাংলাদেশ এর আলোচিত ও একইসাথে সমালোচিত মডেল জ্যাকুলিন মিথিলা আত্মহত্যা করেছেন। ৩০ জানুয়ারি রাত ১১ঃ৪৯ মিনিটে তার ফেসবুক প্রোফাইলে তিনি একটি স্ট্যাটাস প্রদান করেন, এতে তিনি লিখেন, “কালকে আমি আত্মহত্যা করব। কেউ আমাকে প্রত্যাখান করে নাই। আমিও কাউকে প্রত্যাখান করি নাই। কিন্তু আমি আত্মহত্যা করব।”

এর পরে ৩১ জানুয়ারি সকাল ৭ঃ২৮ মিনিটে তিনি আরও একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন, “ধীরে ধীরে মৃত্যুর পথে পা বাড়াচ্ছি।”

গত কয়েকদিন ধরেই তার ভক্তগণ বারবার প্রশ্ন করছিলেন, আসলেই তিনি এ কাজ করেছেন কিনা? কিন্তু কোন জায়গা থেকেও মিলছিল না কোন সংবাদ। অবশেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তাদের হাসপাতালেই তার লাশের ময়না তদন্ত করা হয়েছিল।

Jacqueline Mithila Suicide News
ধারনা করা হচ্ছে সকল খোলামেলা ছবির জন্যই তার স্বামীর সাথে মনোমালিন্য শুরু হয়

চট্টগ্রাম বন্দর থানা থেকে জানানো হয়েছে, তারা তার নিজ বাসা থেকে গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় লাশ উদ্ধার করেন এবং পরে এ ঘটনায় থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার দায়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের সময়ে তার শরীরে প্রচুর পরিমাণ ঘুমের ঔষধ পাওয়া গেছে। এ কারণে পুলিশ এর ধারণা, এটি হত্যাও হতে পারে। চট্টগ্রাম বন্দর থানা থেকে আরও জানানো হয়েছে, তার মুল নাম জয়া শীল। মিডিয়ায় তিনি নিজেকে জ্যাকুলিন মিথিলা হিসাবে পরিচিতি করান। এমনকি বিয়ের রেজিস্ট্রি খাতায়ও তার নাম জয়া শীল লেখা আছে।

ধারণা করা হচ্ছে, তার স্বামী উৎপল রায় সাথে মনোমালিন্য থেকে তিনি এ পথে পা বাড়িয়েছেন। তার খোলামেলা ও উদ্দাম জীবনযাপন তার স্বামী মেনে নিতে পারেন নি। তার বাবা নরসুন্দর স্বপন শীল ভেঙ্গে পড়েছেন। তার মা কারও সাথে কোন কথা বলছেন না।

ফেনিতে শৈশব কাটিয়ে যখন ভাগ্যের সন্ধানে যাদুর শহর ঢাকায় আসেন, তখন মিডিয়ায় কাজ শুরু করেন। কিন্তু ভাল কোন কাজ না করায় কখনও নিজেকে সেভাবে উপস্থাপন ধরতে পারেন নি। আর এ কারণেই তিনি আলোচনায় আসতে বেছে নেন, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমকে যেখানে তিনি নিজের খোলামেলা ছবি প্রকাশ করতে থাকেন। আইটেম গান ও কয়েকটি মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেন, যেখানেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত খোলামেলা। আর এ কারনেই আলোচনার চেয়ে সমালোচিতই হয়েছেন বেশির ভাগ সময়ে।

ছবিঃ জ্যাকুলিন মিথিলা এর ফেসবুক প্রোফাইল

জিয়া ইসলাম সিঙ্গাপুরে, কিন্তু তার মাথার খুলি অ্যাপোলো হাঁসপাতালে

দৈনিক প্রথম আলো এর প্রধান ফটো-সাংবাদিক জিয়া ইসলামকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়েছে উন্নত চিকিৎসার জন্য, কিন্তু তার মাথার খুলি ঢাকার অ্যাপোলো হাঁসপাতালে রয়ে গেছে হাঁসপাতাল এর ভুলে। একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার পরে তার ব্রেনে অপারেশন করা হয়। এ অপারেশন করার সময়ে তার মাথার খুলি সরানোর প্রয়োজন হয়েছিল এবং তা হাঁসপাতালের ফ্রিজে একটি সুনির্দিস্ট তাপমাত্রায় রেখে দেয়া হয়।

কিন্তু তার অবস্থার উন্নতি না হলে, তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক তার মাথার খুলি কোথায় জানতে চাইলে, এপোলো হাঁসপাতাল এর সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়। এরপর তারা বলেন, ভুলক্রমে এটি তাদের কাছেই রয়ে গেছে। এখন এটি তারা পাঠানোর ব্যবস্থা করছে।

বাংলা ট্রিবিউন এ ব্যাপারে জানতে চাইলে হাঁসপাতালের সাথে অনেকবার যোগাযোগের চেস্টা করে। কিন্তু হাঁসপাতাল থেকে কোন ধরণের উত্তর দেয়া হয় নি।

বাংলাদেশ এর সবচেয়ে ব্যয়বহুল হাসপাতালগুলোর মধ্যে এটি একটি। কিন্তু এ হাঁসপাতালটি প্রতিনিয়ত দুর্নিতী করে আসছে বিভিন্ন বিষয়ে। ভূল চিকিৎসা, মৃত রোগীকে আই সি ইউতে রেখে টাকা আদায়, খারাপ আচরণ, নোংরা পরিবেশ, দায়িত্বে অবহেলা ইত্যাদি বিষয়গুলো তারা প্রায়শই করে আসছে। প্রচুর অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে ভারত এবং বাংলাদেশের কতিপয় নিম্নমানের ডাক্তারদের নিয়ে গড়ে উঠেছে এ হাঁসপাতালটি।

ভুক্তভোগী অনেকেই বলেছেন, তারা যেন অ্যাপোলো হাঁসপাতালে চিকিৎসা সেবা নেয়ার আগে ভাল করে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিৎ।

তথ্য মন্ত্রণালয় এর ওয়েবসাইট হ্যাকড

আজ ৩ তারিখে তথ্য মন্ত্রণালয় এর প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট এর ওয়েবসাইট www.pressinform.gov.bd হ্যাক করা হয়েছে। ওয়েবসাইট এর হোমপেজে যেখানে স্লাইডার রয়েছে, সেখানে ভারত এর পর্ণ তারকা সানি লিওন এর ছবি দেয়া হয়েছে। তবে কে বা কারা করেছে, তা এখন পর্যন্ত জানা যায় নি এবং কেও এর দায়ও স্বীকার করে নি।

sunny leone
হ্যাক হবার পরে ওয়েবসাইটে পর্ণ তারকা সানি লিওন এর ছবি

রাত ৯ টার দিকে ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

ERROR 404
ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেবার পরে ERROR 404 মেসেজ প্রদর্শিত হচ্ছে।

গৃহকর্মী নির্যাতনের মামলায় ক্রিকে​টার শাহাদাত ও তাঁর স্ত্রী মুক্তি পেলেন

গৃহকর্মী মাহফুজা আক্তার হ্যাপিকে নির্যাতনের মামলায় জাতীয় দলের ক্রিকে​টার শাহাদাত হোসাইন ও তাঁর স্ত্রী জেসমিন জাহান মুক্তি পেলেন। নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তানজিনা ইসমাঈল এ রায় দেন। ২০১৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মিরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন খন্দকার মোজাম্মেল হক। পরে বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় জেসমিন জাহানকে এবং আদালতে আত্মসমর্পণ করেন শাহাদাত। এ দুজনকেই কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে টেস্ট অভিষেক হয় তার। ৩৮ টি টেস্ট ম্যাচে এখন পর্যন্ত তিনি পেয়েছেন ৭২ টি উইকেট এবং ৫১ টি ওডিআই ম্যাচে পেয়েছেন ৪৭ টি উইকেট।

নাসিরনগরে হামলা কোন মুসলমান করে নি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় হিন্দু মন্দির, বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের কারণে পুরো দেশে চলছে তর্ক বিতর্ক। বিভিন্ন পত্রিকায় ছাপা হচ্ছে মিথ্যা ও অপপ্রোরচণামূলক বিভিন্ন সংবাদ, আর এসকল কারণেই মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে এ হামলার পেছনে রয়েছে অন্য কোন উদ্দেশ্য, আর তাকে আড়াল করতেই উস্কে দেয়া হয়েছে হিন্দু-মুসলিম বিতর্ক।

Durgapuja

যখন সেখানে হামলা করা হয়, সে সময়ে কয়েকজন মুসলিম যুবক নিজের জীবন বাজি রেখে হামলা প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিলেন, যদিও তাদের পক্ষে সে হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হয় নি, তাহলে কেন বার বার বলা হচ্ছে, মুসলিমরাই এ হামলা করেছে? নাসিরনগরের কয়েকজন মুসলিম এর সাথে কহা বলে জানা গেছে, তাদের কখনই কোন বিরোধ ছিল না হিন্দু ধর্মের লোকদের সাথে। তারা একই এলাকার বাসিন্দা, তারা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে চান।

এদিকে হামলার পরে অতিরিক্ত পুলিশ মেতায়েন করা হয়েছে। তারপরও কেন সেখানে আবারও হামলা হল, কিভাবে হল, ঐ সময়ে পুলিশ কি করছিল, এ সকল প্রশ্ন এখন জনমনে। পুলিশের ভুমিকা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছে। প্রশ্ন তোলা হয়েছে থানার ওসিকে পূর্ন সমর্থন জানিয়ে মন্ত্রি মহোদয়ের বক্তব্য নিয়ে। আর মন্ত্রি সায়েদুল হক এর পদত্যাগের দাবীতে সোচ্চার সকল মহল। এ হামলা নিয়ে চলছে একে অপরের প্রতি কাঁদা ছোড়াছুড়ি।

ঐ এলাকার আওয়ামী লীগের তিন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে তাদের ভুমিকার কারণে।

মুফতি ইমরান জানিয়েছেন, একজন মুসলমান কখনই অন্য ধর্মের লোকদের উপরে হামলা করতে পারে না। ইসলাম ধর্মমতে এটা অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ

আর এসকল কারণেই পরিস্কারভাবে বলা যায়, এ হামলা কোন মুসলমান করে নি, বরং করেছে কোন সন্ত্রাসী। আর সন্ত্রাসীদের কোন ধর্ম নেই। যদি বলা হয়, এ হামলা মুসলমানরা করেছে। তাহলে তা হবে নিতান্তই বোকার মত কথা বলা।

খেলনা পিস্তলের মোড়কে আসছে আসল পিস্তল

খেলনা পিস্তলের মোড়কে আসছে আসল পিস্তল এবং পরে তা চলে যাচ্ছে নাশকতাকরীদের হাতে। কিছু অস্ত্র চলে যাচ্ছে জঙ্গিদের হাতে। একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট জড়িত এ ঘটনার সাথে। বিমান বন্দরের কয়েকজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাও জড়িত এ ঘটনার সাথে। শুধু পিস্তল নয়, খেলনা বলে আনা হচ্ছে ড্রোন ও রোবোট। এরকম কিছু অস্ত্র, ড্রোন ও রোবোট জব্দ হয় শুল্ক বিভাগের কর্মকর্তাদের হাতে। পরে তা পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হয় গোয়েন্দা বিভাগে। গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, শুধুমাত্র ব্যারেল পরিবর্তন করে এ পিস্তলগুলোকে অত্যন্ত শক্তিশালী পিস্তলে পরিবর্তন করা সম্ভব।

Pistol

এ ঘটনার সাথে জড়িত দুজন জার্মান নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। তারা দাবী করেছেন, এ পিস্তলগুলো চলচ্চিত্রের শুটিঙে ব্যবহৃত হয়। বাইতুল মুকাররম মার্কেটের একটি অস্ত্রের দোকান এগুলো আনতে বলেছিল। তাই তারা এনেছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এ সবের পিছনে রয়েছেন মণি ও সাবু। বিমানবন্দর অফিস থেকে এ ব্যাপারটি নিশ্চিত করা হয়।

ছাত্রলীগ নেতা বদরুল এর ‘জঙ্গি’ নৃশংসতা

শাঁবিপ্রবির ছাত্রলীগ সহ-সম্পাদক বদরুল চাপাতি দিয়ে এলপাতারিভাবে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করেছে সিলেট মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসকে। আহত নার্গিস ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। নার্গিসের অস্ত্রপচার সম্পন্ন হয়েছে। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ৭২ ঘন্টা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না। স্কয়ার হাসপাতালের নিউরো সার্জন ডা. এ এম রেজাউস সাত্তার জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচারের পর তার বাঁচার সম্ভাবনা অনেক কম। কেননা তিনি ব্রেইনে আঘাত পেয়েছেন। তাকে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছে।

নৃশংস এ হামলার ভিডিও ধারণ করে স্থানীয় লোকজন। ভিডিও চিত্র ছড়িয়ে পরলে অন্য শিক্ষার্থীরা তাকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ তাকে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাঁসপাতালে নিয়ে যায়।

নার্গিসদের বাড়িতে লজিং থাকতেন বদরুল। তাদের মধ্যে প্রেম ছিল বলে দাবি করেছে বদরুল। কিন্তু কিছুদিন আগে নার্গিস তাকে প্রত্যাখ্যন করে। শাবিপ্রবির কয়েকজন ছাত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, বদরুল ছিল হিংস্র ও নেশাগ্রস্ত। ছাত্রলীগ ক্যাডার হওয়ার কারণে কেও তাকে কিছু বলার সাহস পেত না। ক্যাম্পাসে সে ত্রাস সৃষ্টি করে রেখেছিল। সাধারণ ছাত্রদের কাছ থেকে সে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত।

তবে সাধারণ মানুষের আশঙ্কা, টাকা ও রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপটে বদরুল মুক্তি পেয়ে যাবে।