তথ্য মন্ত্রণালয় এর ওয়েবসাইট হ্যাকড

আজ ৩ তারিখে তথ্য মন্ত্রণালয় এর প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট এর ওয়েবসাইট www.pressinform.gov.bd হ্যাক করা হয়েছে। ওয়েবসাইট এর হোমপেজে যেখানে স্লাইডার রয়েছে, সেখানে ভারত এর পর্ণ তারকা সানি লিওন এর ছবি দেয়া হয়েছে। তবে কে বা কারা করেছে, তা এখন পর্যন্ত জানা যায় নি এবং কেও এর দায়ও স্বীকার করে নি।

sunny leone
হ্যাক হবার পরে ওয়েবসাইটে পর্ণ তারকা সানি লিওন এর ছবি

রাত ৯ টার দিকে ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

ERROR 404
ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেবার পরে ERROR 404 মেসেজ প্রদর্শিত হচ্ছে।

গৃহকর্মী নির্যাতনের মামলায় ক্রিকে​টার শাহাদাত ও তাঁর স্ত্রী মুক্তি পেলেন

গৃহকর্মী মাহফুজা আক্তার হ্যাপিকে নির্যাতনের মামলায় জাতীয় দলের ক্রিকে​টার শাহাদাত হোসাইন ও তাঁর স্ত্রী জেসমিন জাহান মুক্তি পেলেন। নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তানজিনা ইসমাঈল এ রায় দেন। ২০১৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মিরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন খন্দকার মোজাম্মেল হক। পরে বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় জেসমিন জাহানকে এবং আদালতে আত্মসমর্পণ করেন শাহাদাত। এ দুজনকেই কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে টেস্ট অভিষেক হয় তার। ৩৮ টি টেস্ট ম্যাচে এখন পর্যন্ত তিনি পেয়েছেন ৭২ টি উইকেট এবং ৫১ টি ওডিআই ম্যাচে পেয়েছেন ৪৭ টি উইকেট।

নাসিরনগরে হামলা কোন মুসলমান করে নি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় হিন্দু মন্দির, বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের কারণে পুরো দেশে চলছে তর্ক বিতর্ক। বিভিন্ন পত্রিকায় ছাপা হচ্ছে মিথ্যা ও অপপ্রোরচণামূলক বিভিন্ন সংবাদ, আর এসকল কারণেই মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে এ হামলার পেছনে রয়েছে অন্য কোন উদ্দেশ্য, আর তাকে আড়াল করতেই উস্কে দেয়া হয়েছে হিন্দু-মুসলিম বিতর্ক।

Durgapuja

যখন সেখানে হামলা করা হয়, সে সময়ে কয়েকজন মুসলিম যুবক নিজের জীবন বাজি রেখে হামলা প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিলেন, যদিও তাদের পক্ষে সে হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হয় নি, তাহলে কেন বার বার বলা হচ্ছে, মুসলিমরাই এ হামলা করেছে? নাসিরনগরের কয়েকজন মুসলিম এর সাথে কহা বলে জানা গেছে, তাদের কখনই কোন বিরোধ ছিল না হিন্দু ধর্মের লোকদের সাথে। তারা একই এলাকার বাসিন্দা, তারা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে চান।

এদিকে হামলার পরে অতিরিক্ত পুলিশ মেতায়েন করা হয়েছে। তারপরও কেন সেখানে আবারও হামলা হল, কিভাবে হল, ঐ সময়ে পুলিশ কি করছিল, এ সকল প্রশ্ন এখন জনমনে। পুলিশের ভুমিকা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছে। প্রশ্ন তোলা হয়েছে থানার ওসিকে পূর্ন সমর্থন জানিয়ে মন্ত্রি মহোদয়ের বক্তব্য নিয়ে। আর মন্ত্রি সায়েদুল হক এর পদত্যাগের দাবীতে সোচ্চার সকল মহল। এ হামলা নিয়ে চলছে একে অপরের প্রতি কাঁদা ছোড়াছুড়ি।

ঐ এলাকার আওয়ামী লীগের তিন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে তাদের ভুমিকার কারণে।

মুফতি ইমরান জানিয়েছেন, একজন মুসলমান কখনই অন্য ধর্মের লোকদের উপরে হামলা করতে পারে না। ইসলাম ধর্মমতে এটা অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ

আর এসকল কারণেই পরিস্কারভাবে বলা যায়, এ হামলা কোন মুসলমান করে নি, বরং করেছে কোন সন্ত্রাসী। আর সন্ত্রাসীদের কোন ধর্ম নেই। যদি বলা হয়, এ হামলা মুসলমানরা করেছে। তাহলে তা হবে নিতান্তই বোকার মত কথা বলা।

খেলনা পিস্তলের মোড়কে আসছে আসল পিস্তল

খেলনা পিস্তলের মোড়কে আসছে আসল পিস্তল এবং পরে তা চলে যাচ্ছে নাশকতাকরীদের হাতে। কিছু অস্ত্র চলে যাচ্ছে জঙ্গিদের হাতে। একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট জড়িত এ ঘটনার সাথে। বিমান বন্দরের কয়েকজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাও জড়িত এ ঘটনার সাথে। শুধু পিস্তল নয়, খেলনা বলে আনা হচ্ছে ড্রোন ও রোবোট। এরকম কিছু অস্ত্র, ড্রোন ও রোবোট জব্দ হয় শুল্ক বিভাগের কর্মকর্তাদের হাতে। পরে তা পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হয় গোয়েন্দা বিভাগে। গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, শুধুমাত্র ব্যারেল পরিবর্তন করে এ পিস্তলগুলোকে অত্যন্ত শক্তিশালী পিস্তলে পরিবর্তন করা সম্ভব।

Pistol

এ ঘটনার সাথে জড়িত দুজন জার্মান নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। তারা দাবী করেছেন, এ পিস্তলগুলো চলচ্চিত্রের শুটিঙে ব্যবহৃত হয়। বাইতুল মুকাররম মার্কেটের একটি অস্ত্রের দোকান এগুলো আনতে বলেছিল। তাই তারা এনেছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এ সবের পিছনে রয়েছেন মণি ও সাবু। বিমানবন্দর অফিস থেকে এ ব্যাপারটি নিশ্চিত করা হয়।

ছাত্রলীগ নেতা বদরুল এর ‘জঙ্গি’ নৃশংসতা

শাঁবিপ্রবির ছাত্রলীগ সহ-সম্পাদক বদরুল চাপাতি দিয়ে এলপাতারিভাবে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করেছে সিলেট মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসকে। আহত নার্গিস ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। নার্গিসের অস্ত্রপচার সম্পন্ন হয়েছে। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ৭২ ঘন্টা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না। স্কয়ার হাসপাতালের নিউরো সার্জন ডা. এ এম রেজাউস সাত্তার জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচারের পর তার বাঁচার সম্ভাবনা অনেক কম। কেননা তিনি ব্রেইনে আঘাত পেয়েছেন। তাকে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছে।

নৃশংস এ হামলার ভিডিও ধারণ করে স্থানীয় লোকজন। ভিডিও চিত্র ছড়িয়ে পরলে অন্য শিক্ষার্থীরা তাকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ তাকে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাঁসপাতালে নিয়ে যায়।

নার্গিসদের বাড়িতে লজিং থাকতেন বদরুল। তাদের মধ্যে প্রেম ছিল বলে দাবি করেছে বদরুল। কিন্তু কিছুদিন আগে নার্গিস তাকে প্রত্যাখ্যন করে। শাবিপ্রবির কয়েকজন ছাত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, বদরুল ছিল হিংস্র ও নেশাগ্রস্ত। ছাত্রলীগ ক্যাডার হওয়ার কারণে কেও তাকে কিছু বলার সাহস পেত না। ক্যাম্পাসে সে ত্রাস সৃষ্টি করে রেখেছিল। সাধারণ ছাত্রদের কাছ থেকে সে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত।

তবে সাধারণ মানুষের আশঙ্কা, টাকা ও রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপটে বদরুল মুক্তি পেয়ে যাবে।

HSTU

অবৈধ নিয়মের কারণে হাবিপ্রবিতে ভর্তি হতে পারছে না IUBAT শিক্ষার্থি

দিনাজপুর এর হাজী মোহাম্মাদ দানেশ বিজ্ঞ্যান ও প্রযুক্তি বিসববিদ্যালয়ে MS এ ভর্তি হতে গেলে, স্নাতক পর্যায়ে ঐ বিষয়ে কমপক্ষে ১৫০ নম্বর এর কোর্স করা থাকতে হবে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ACT এ উল্লেখ আছে এবং এ নিয়মটি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুরূপ।

ঢাকার IUBAT থেকে ২০১৬ সালে পাশ করেন ফাদাহুল হক ও সাব্বির হোসাইন। তারা অধ্যাপক টি এম টি ইকবাল অধীনে MS এ ভর্তির আবেদন করেন। ঐ সময়ে অধ্যাপক টি এম টি ইকবাল তিনদিনের ছুটি নিয়েছিলেন। তার এ ছুটির সুযোগ নিয়ে উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অন্য তিনজন সম্মানিত শিক্ষক সভা করে তাদের ভর্তি বাতিল এর সিদ্ধান্ত প্রদান করেন, কেন না, তারা উদ্যানতত্ত্ব বিষয়ক ১৮ ক্রেডিট কোর্স করে নি।

কিন্তু এ সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের MS এর Ordinance অনুসারে অবৈধ। এমনকি তাদের এ সিদ্ধান্তের কারণে হাবিপ্রবির Agri Business অনুষদের ছাত্র-ছাত্রিও MS করতে পারবে না, কেন না তারা উদ্যানতত্ত্ব বিষয়ক কোর্স করে ১৬ ক্রেডিট। অধ্যাপক টি এম টি ইকবাল জানিয়েছেন, এ সিদ্ধান্ত মানবাধিকার পরিপন্থি। মৌখিকভাবে ডীন মহোদয়কে একাধিকবার বিষয়টি জানানো হয়েছে।

Academic Council এর ৪২ তম সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করলে ভিসি মহোদয় অধ্যাপক ইকবাল এর সাথে সম্মতি প্রদান করেন।

১৯৭১

সোমবার জামায়াতের হরতাল

একাত্তরের ঘৃণ্য অপরাধী মীর কাসেম এর মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পরে জামায়াত-ই-ইসলাম সোমবার হরতাল এর ডাক দিয়েছে। জামায়াত-ই-ইসলাম এর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমান এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

জানানো হয় হজযাত্রীদের বহনকারী যানবাহন, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, হাসপাতাল, সংবাদপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গাড়ি এবং ওষুধের দোকান হরতালের আওতামুক্ত থাকবে।

১৯৭১

মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকর

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াত-ই-ইসলাম এর নেতা মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার আজ রাত ১০ঃ৩৫ মিনিটে। সকাল থেকেই কারাগার এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছিল। পুলিশ ও র‍্যাব ছিল সতর্ক অবস্থায়। পাশাপাশি সাদা পোষাকে ছিলেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সদস্যগণ। কারাগারের আরপি চেকপোস্ট সংলগ্ন দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয় দুপুরেই।

আজ বিকেলে তার পরিবার এর সদস্যদের কারাগারে আসতে বলা হয়, তার সাথে শেষ সাক্ষাৎ এর জন্য। প্রায় চল্লিসজন তার সাথে দেখা করেন। পুত্রের সাথে দেখা না হওয়ায় তিনি আক্ষেপ করেছেন।

রাতে তাকে দেয়া হয়, ভাত, মুরগীর মাংস ও ইলিশ মাছ। এরপর তিনি আদায় করেন এশার নামাজ। এরপর কারা নিয়ম অনুসারে ফাঁসির আসামির স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয় কারা ডাক্তারের মাধ্যমে। কাশিমপুর কারাগার জামে মসজিদের ইমাম মুফতি মো. হেলাল উদ্দিন আসামিকে তওবা পড়ান ইসলামী রীতি অনুযায়ী। এরপর তাকে কনডেম সেল থেকে নেওয়া হয় ফাঁসির মঞ্চে।

এ নিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ষষ্ঠ অপরাধীর সর্বোচ্চ সাজার রায় কার্যকর হল।

১৯৭১
ফাঁসি কার্যকর করার পরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে রাজাকার এর লাশ

অভিযোগ
তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ১১ প্রমাণিত হয়। এতে বলা হয়েছিল, ১৯৭১ সালে ঈদের পরে চট্টগ্রাম শহরের কোনো এক অজ্ঞাত স্থান থেকে মহান মুক্তিযোদ্ধা জসিমকে অপহরণ করে আন্দরকিল্লার ডালিম হোটেলে নিয়ে যায়। ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত সেখানে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের ফলে মুক্তিযোদ্ধা জসিমের মৃত্যু হলে আরো পাঁচজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির লাশসহ তার মৃতদেহ কর্ণফুলী নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

ফাঁসি কার্যকর হবার পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল বের হয়। শাহবাগের বিতর্কিত গণ জাগরণ মঞ্চে সমবেত হয় অনেকেই। তারাও উল্লাস করে ও আনন্দ মিছিল বের করে।

তবে, এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে পাকিস্তান ও যুক্তরাস্ট্র। উল্লেখ্য, যুক্তরাস্ট্র ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল ও পাক হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করতে, তাদের সপ্তম নৌ বহর পাঠিয়েছিল। এমনিস্টি ইন্টারন্যাশনাল এ ফাঁসির রায়ে তাদের বিরোধিতার কথা জানিয়েছে।

গ্রেপ্তার ওবায়দুল

গ্রেপ্তার হল ওবায়দুল। নীলফামারী থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এ বখাটেকে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে রাজধানীর কাকরাইলের উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিসা (১৪) কে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। রিসার বাবা মা, শুধুমাত্র ওবায়দুলকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছে।

পরীক্ষা শেষে স্কুলের সামনের পদচারী-সেতু দিয়ে সড়কের ওপারে যাওয়ার সময় বখাটে ওবায়দুল তাকে নির্মমভাবে ছুরিকাঘাত করে। হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে রিসা পুলিশকে জানিয়েছিল, ওবায়দুল তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে।

এক বছর আগে ওবায়দুলের দোকানে জামা বানাতে গেলে দোকানের রশিদ বইয়ে মোবাইল নাম্বার ও ঠিকানা দেয়া হয়। আর এর পর থেকেই ওবায়দুল রিসাকে বিভিন্ন সময়ে উত্যক্ত করতো। একপর্যায়ে রিসার বাবা-মা পুলিশকে জানায়। আর এর পরেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ওবায়দুল।

এ বখাটে ওবায়দুলের গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মিরাটঙ্গী গ্রামে। তাঁর বাবা আবদুস সামাদ, জিনি প্রায় দু বছর আগে ইহলোক ত্যাগ করেন।

ওবায়দুল এর শাঁস্তির দাবীতে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের সকলেই রাজপথে নেমে আসেন।

তবে রিসার বাবা-মা স্কুলের প্রধান শিক্ষককে অভিযুক্ত করেছেন, আহত হবার পরে রিসাকে দ্রুত হাসপাতালে না নেয়ার জন্য। তাকে দ্রুত হাঁসপাতালে নেয়া হলে, হয়ত, রিসাকে বাঁচানো যেত। স্কুল প্রাঙ্গনে থাকা, স্কুল এর মাইক্রোবাস দিতে অস্বীকার করেন তিনি। এমনকি তিনি রিসাকে হাঁসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থাও করেন নি। পরে স্কুলের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তাকে রিকশায় করে হাঁসপাতালে নিয়ে যান।

আই এস নেতা আবু মোহাম্মদ আল-আদনানি নিহত

আইএস এর বার্তা সংস্থা আমাক নিউজ জানিয়েছে, সিরিয়ার আলেপ্পো প্রদেশে মার্কিন বিমান হামলায় আই এস নেতা আবু মোহাম্মদ আল-আদনানি নিহত হয়েছেন। তিনি আইএসের মুখপাত্র ও প্রচারণা-প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন গত কয়েক বছর ধরে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, তারা আল বাব শহরের কাছে আদনানিকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছিল। তবে এ ঘটনার কোন সঠিক প্রমাণ পাওয়া যায় নি। নিহত আদনানি এর কোন ছবি প্রকাশ করা হয় নি। ার এতেই জনমনে রয়ে গেছে সন্দেহ।

আবু মোহাম্মদ আল-আদনানি ইসলাম ধর্মকে প্রচন্ড ঘৃনা করতো এবং ইসলাম ধর্মকে পৃথিবী থেকে চিরতরে মুছে ফেলতে চাইত, বলে জানিয়েছে আদনানি এর পরিবার। আর এ কারণেই সে আইএসে যোগদান করে।

Abu Mohammad al-Adnani
আবু মোহাম্মদ আল-আদনানি
ছবিঃ উইকিপিডিয়া

আদনানি ১৯৭৭ সালে এক ইহুদী পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। এরপরে ইসারায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ তাকে বিশেষ প্রসিক্ষণ প্রদান করে।