১৯৭১

মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকর

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াত-ই-ইসলাম এর নেতা মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার আজ রাত ১০ঃ৩৫ মিনিটে। সকাল থেকেই কারাগার এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছিল। পুলিশ ও র‍্যাব ছিল সতর্ক অবস্থায়। পাশাপাশি সাদা পোষাকে ছিলেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সদস্যগণ। কারাগারের আরপি চেকপোস্ট সংলগ্ন দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয় দুপুরেই।

আজ বিকেলে তার পরিবার এর সদস্যদের কারাগারে আসতে বলা হয়, তার সাথে শেষ সাক্ষাৎ এর জন্য। প্রায় চল্লিসজন তার সাথে দেখা করেন। পুত্রের সাথে দেখা না হওয়ায় তিনি আক্ষেপ করেছেন।

রাতে তাকে দেয়া হয়, ভাত, মুরগীর মাংস ও ইলিশ মাছ। এরপর তিনি আদায় করেন এশার নামাজ। এরপর কারা নিয়ম অনুসারে ফাঁসির আসামির স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয় কারা ডাক্তারের মাধ্যমে। কাশিমপুর কারাগার জামে মসজিদের ইমাম মুফতি মো. হেলাল উদ্দিন আসামিকে তওবা পড়ান ইসলামী রীতি অনুযায়ী। এরপর তাকে কনডেম সেল থেকে নেওয়া হয় ফাঁসির মঞ্চে।

এ নিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ষষ্ঠ অপরাধীর সর্বোচ্চ সাজার রায় কার্যকর হল।

১৯৭১
ফাঁসি কার্যকর করার পরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে রাজাকার এর লাশ

অভিযোগ
তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ১১ প্রমাণিত হয়। এতে বলা হয়েছিল, ১৯৭১ সালে ঈদের পরে চট্টগ্রাম শহরের কোনো এক অজ্ঞাত স্থান থেকে মহান মুক্তিযোদ্ধা জসিমকে অপহরণ করে আন্দরকিল্লার ডালিম হোটেলে নিয়ে যায়। ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত সেখানে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের ফলে মুক্তিযোদ্ধা জসিমের মৃত্যু হলে আরো পাঁচজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির লাশসহ তার মৃতদেহ কর্ণফুলী নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

ফাঁসি কার্যকর হবার পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল বের হয়। শাহবাগের বিতর্কিত গণ জাগরণ মঞ্চে সমবেত হয় অনেকেই। তারাও উল্লাস করে ও আনন্দ মিছিল বের করে।

তবে, এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে পাকিস্তান ও যুক্তরাস্ট্র। উল্লেখ্য, যুক্তরাস্ট্র ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল ও পাক হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করতে, তাদের সপ্তম নৌ বহর পাঠিয়েছিল। এমনিস্টি ইন্টারন্যাশনাল এ ফাঁসির রায়ে তাদের বিরোধিতার কথা জানিয়েছে।

Willes Little Flower School & College

গ্রেপ্তার ওবায়দুল

গ্রেপ্তার হল ওবায়দুল। নীলফামারী থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এ বখাটেকে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে রাজধানীর কাকরাইলের উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিসা (১৪) কে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। রিসার বাবা মা, শুধুমাত্র ওবায়দুলকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছে।

পরীক্ষা শেষে স্কুলের সামনের পদচারী-সেতু দিয়ে সড়কের ওপারে যাওয়ার সময় বখাটে ওবায়দুল তাকে নির্মমভাবে ছুরিকাঘাত করে। হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে রিসা পুলিশকে জানিয়েছিল, ওবায়দুল তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে।

এক বছর আগে ওবায়দুলের দোকানে জামা বানাতে গেলে দোকানের রশিদ বইয়ে মোবাইল নাম্বার ও ঠিকানা দেয়া হয়। আর এর পর থেকেই ওবায়দুল রিসাকে বিভিন্ন সময়ে উত্যক্ত করতো। একপর্যায়ে রিসার বাবা-মা পুলিশকে জানায়। আর এর পরেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ওবায়দুল।

এ বখাটে ওবায়দুলের গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মিরাটঙ্গী গ্রামে। তাঁর বাবা আবদুস সামাদ, জিনি প্রায় দু বছর আগে ইহলোক ত্যাগ করেন।

ওবায়দুল এর শাঁস্তির দাবীতে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের সকলেই রাজপথে নেমে আসেন।

তবে রিসার বাবা-মা স্কুলের প্রধান শিক্ষককে অভিযুক্ত করেছেন, আহত হবার পরে রিসাকে দ্রুত হাসপাতালে না নেয়ার জন্য। তাকে দ্রুত হাঁসপাতালে নেয়া হলে, হয়ত, রিসাকে বাঁচানো যেত। স্কুল প্রাঙ্গনে থাকা, স্কুল এর মাইক্রোবাস দিতে অস্বীকার করেন তিনি। এমনকি তিনি রিসাকে হাঁসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থাও করেন নি। পরে স্কুলের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তাকে রিকশায় করে হাঁসপাতালে নিয়ে যান।

আই এস নেতা আবু মোহাম্মদ আল-আদনানি নিহত

আইএস এর বার্তা সংস্থা আমাক নিউজ জানিয়েছে, সিরিয়ার আলেপ্পো প্রদেশে মার্কিন বিমান হামলায় আই এস নেতা আবু মোহাম্মদ আল-আদনানি নিহত হয়েছেন। তিনি আইএসের মুখপাত্র ও প্রচারণা-প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন গত কয়েক বছর ধরে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, তারা আল বাব শহরের কাছে আদনানিকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছিল। তবে এ ঘটনার কোন সঠিক প্রমাণ পাওয়া যায় নি। নিহত আদনানি এর কোন ছবি প্রকাশ করা হয় নি। ার এতেই জনমনে রয়ে গেছে সন্দেহ।

আবু মোহাম্মদ আল-আদনানি ইসলাম ধর্মকে প্রচন্ড ঘৃনা করতো এবং ইসলাম ধর্মকে পৃথিবী থেকে চিরতরে মুছে ফেলতে চাইত, বলে জানিয়েছে আদনানি এর পরিবার। আর এ কারণেই সে আইএসে যোগদান করে।

Abu Mohammad al-Adnani
আবু মোহাম্মদ আল-আদনানি
ছবিঃ উইকিপিডিয়া

আদনানি ১৯৭৭ সালে এক ইহুদী পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। এরপরে ইসারায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ তাকে বিশেষ প্রসিক্ষণ প্রদান করে।

আজ কলঙ্কিত ২১

আজ ২১ আগস্ট। একটি কলঙ্কিত অধ্যায়। ২০০৪ সালের বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে শেখ হাসিনা যখন সমাবেশ করছিলেন, ঠিক সে সময়ে কয়েকজন জঙ্গি সে সমাবেশে সমবেত হয়। উদ্দেশ্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর বাকি কাজটুকু সম্পন্ন করতে। সেদিন শেখ হাসিনা যখন তার অগ্নিঝরা বক্তব্য শেষ করলেন, ঠিক তার পরেই জঙ্গি দলনেতা জান্দাল প্রথম গ্রেনেড নিক্ষেপ করে জনতার উদ্দেশ্যে। পরিকলপনা ছিল, প্রথম হামলার পরে লকজন যখন ছোটাছুটি করবে, সে সময়ে শেখ হাসিনাকে আর একটি গ্রেনেড নিক্ষেপ করবে আর এক জঙ্গি বুলবুল। কিন্তু জনগনের ছোটাছুটি করার সময়ে ধাক্কায় বুলবুল মাটিতে পরে যায়। এতে করুণাময় স্রস্টার করুণায় বেচে যান শেখ হাসিনা।

অভিজ্ঞ সি আই ডি এর তদন্তে বের হয়ে আসে এমন চিত্র এবং ধরা পরে জঙ্গি মুফতি হান্নান, তাজউদ্দিন, বুলবুল ও জাহাঙ্গীর। এরা সকলেই উগ্র জঙ্গিগোষ্ঠী হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামির (হুজি-বি) এর সদস্য। এ হামলায় মোট ১২ জন জঙ্গি অংশ নেয় এবং তারা মোট তিনভাগে বিভক্ত হয়ে এ হামলা করে।

Sadness

যদি পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হয়

Sadness

আশানুরূপ ফলাফল নাও হতে পারে পরীক্ষায়, হয়তো বাবা মা তোমাদের কারো উপর নাখোশ হতে পারেন, করতে পারেন বকাঝকা। কিন্তু উনাদের উপর অভিমান করো না। বিশ্বাস, আস্থা রেখো তাদের ওপরে। তারাই তোমাদের প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষী। বকা ঝকা করে, একটু পরেই যখন তাদের অভিমান কেটে যাবে, আবার তারা তোমাকে বুকে টেনে নিয়ে বলবে, খোকা আয় রাতে খেয়ে নে। বাবা বলবে, এবার হয় নি, আচ্ছে, ভাল করে পড়াশোনা আবার শুরু কর, যাতে পরেরবার এ প্লাস পেয়ে যাও। কবি বলেছেন, “একবার না পারিলে দেখ শতবার।” তোমরা কি ভুলে গেছ রবার্ট ব্রুসের কথা? তোমরা কি ভুলে গেছ স্যান্ডার্স এর কথা? সকল সঙ্কট পেরিয়ে তারা কিভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল, ছিনিয়ে এনেছিল তারা জীবনের সাফল্যের মন্ত্র।

যদি কোন কারণেই পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হয়, তাহলে নিজেকে শান্ত রেখে, বাবা-মা এর বকুনি এর ভয় না পেয়ে বরং, মানসিকভাবে নিজেকে পরেরবারের জন্য প্রস্তুত করে ফেল মুহুর্তের মধ্যে। নব উদ্যামে পড়াশোনা আবার শুরু করতে হবে। সকল মনোযোগ দিতে হবে পরাশোনার মাঝে।

বাবা-মা এর বকা ঝকা, আত্মীয় স্বজনদের কটাক্ষ আর বন্ধু-বান্ধব্দের বাঁকা শব্দগুলোকে এক কান দিয়ে শুনে আর এক কান দিয়ে বের করে ফেলতে হবে। এটা তোমার জীবন। তোমাকেই গড়তে হবে। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ তোমার দিকে তাকিয়ে আছে। তারা হাজারও সমস্যার মাঝে ডুবে আছে। মানুষের মত মানুষ হয়ে তোমাকেই উদ্ধার করতে হবে তাদের।

বিগত বছরগুলতে দেখা গেছে, ফেল করে অনেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। মনে রাখতে হবে, আত্মহত্যা কোন কিছুর সমাধান নয়। বরং এটি মহা সমস্যার সূচনা করে। ভেঙ্গে দেবে তোমার পরিবারকে। চুরমার হয়ে যাবে তোমার বাবা-মা’র স্বপ্ন যারা তোমাকে তিল তিল করে মানুষ করেছে বছরের পর বছর ধরে।

Hasnat

গুলশান হামলার মূল খলনায়ক হাসনাত করিম

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হাসনাত করিমই ছিলেন গুলশান হামলার মূল খলনায়ক। তিনি নিজে গুলশানে উপস্থিত থেকে এ জঙ্গি হামলা পরিচালনা করেন এবং বিভিন্নভাবে যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদান করেন দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন মাধ্যমে। ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত একটি সেলফোনে অধিকতর ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাপ্ত দুটি ছবি থেকে তা স্পষ্ট হয়ে যায়।

Gulshan
নাইন এম এম পিস্তল হাতে হাসনাত

রাত ৮ঃ৪৬ মিনিটে হামলা শুরু হয়। এর ঠিক ১১ মিনিট পরে ৮ঃ৫৭ মিনিটে তিনি হামলার ছবি উগ্রবাদীদের মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক মুখপত্র ‘আমাক নিউজ এজেন্সি’ ও ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের গুপ্তচর রিটা কার্টৎজের ওয়েব পোর্টাল সাইট ইন্টেলিজেন্সে এর কাছে প্রেরণ করেন মোবাইল এপস এর মাধ্যমে।

হামলার পরে যখন হাসনাত ও তাহমিদ এর নামে সামনে আসে, তখন একটি মহল হাসনাতকে নিরপরাধ প্রমাণ করতে মরিয়া ওঠে। ফেসবুকে Free Tahmid নামে একটি পেজ খোলা হয়।

Police

রাজধানীতে ১৪ শিবির কর্মী আটক

রাজধানীর হাজারিবাগ এলাকায় মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে ১৪ শিবির কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। তারা অই এলাকায় একটি মেসে থাকতো। এসময়ে অই মেস থেকে জিহাদি বই, লিফলেট ও চাঁদা তোলার রশিদও জব্দ করা হয়। পুলিশের নিয়মিত টহল দেয়ার সময়ে ঐ মেসে অভিযান চালানো হয়।

Police
পুলিশের জঙ্গি দমন অভিজান

আটককৃত শিবির কর্মীদের ব্যাপারে যাচাই-বাছাই চলছে। এরপরে মামলা হবে।

Police

কল্যাণপুরে ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযান, নিহত ৯ আই এস জঙ্গি

Police
জঙ্গি দমন অভিজান, কল্যাণপুর

কল্যাণপুরে পাচ নম্বর সড়কের জাহাজ বাড়িতে ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযান চালায় সোয়াত। অভিজানটির নাম দেয়া হয় স্টর্ম ২৬। প্রচন্ড গোলাগুলিতে আই এস জঙ্গিদের ৯ জন নিহত হয়। অপারেশনের পুর্বে জঙ্গিরা বারান্দা দিয়ে পুলিশকে জানায়, তাদের উদ্দেশ্য, বাংলাদেশে খিলাফাত প্রতিষ্ঠা করা এবং তারা সিরিয়ায় আই এস এর খলিফার অনুসারী বলে জানায়। এমনকি তারা পুলিশকে বলে, তারাও যেন তাদের দলে যোগ দেয়। এভাবে তাদের সাথে কথা বার্তা চালাতে চালাতে পুলিশ পুরো ভবনটি ঘিরে ফেলে এবং ভবনটির তিন তলায় উঠে পরে। এরপরে পুলিশকে লক্ষ্য করে জঙ্গিরা পাঁচ তলা থেকে গুলি ছোরে এবং পুলিশও পাল্টা গুলি ছোরে। এ কে ৪৭ এর গুলিতে জঙ্গিদের দেহ ঝাঁজরা হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা। নিহত ৯ জঙ্গির মাঝে ৪ জনকে সনাক্ত করা গেছে, বাকিদের নাম-পরিচয় জানা যায় নি।

CID
আলামত সংগ্রহ করতে সি আই ডি কর্মকর্তাগণ ভবনে প্রবেশ করছেন।

তবে পুলিশ বলেছে এরা আই এস নয়, বরং যে এম বি এর সদস্য। পুলিশের ধারণা, গুলশান ও শোলাকিয়া হামলায় জড়িতদের সাথে এদের সম্পর্ক রয়েছে।

তাদের সকলেই কাল রঙের পোশাক পড়নে ছিল এবং মাথায় ছিল পাগড়ি। ভবন থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ এবং অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে ওই ভবনের বাকি মেস থেকে আরও সাতজনকে। গ্রেফতার করা হয়েছে ভবন মালিকের স্ত্রী মমতাজ পারভীন ও তাঁর ছেলে মাজহারুল ইসলামকে। ভবন মালিক আতাহার উদ্দিন আহমেদ প্রবাসী। তিনি এ মুহুর্তে বিদেশে অবস্থান করছেন।

ভবন থেকে দুজন জঙ্গি লাফ দেয়। এর মাঝে একজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়, অপর জঙ্গি হাসানের পা ভেঙ্গে যায় এবং পুলিশের গুলিতে মাটিতে লুটিয়ে পরে। তাকে আটক করা হয় আহত অবস্থায়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি তার নাম হাসান বলে জানিয়েছেন। পিতার নাম রেজাউল করিম এবং বাড়ি বগুড়ার জীবন নগরে বলে জানিয়েছে ওই জঙ্গি। পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় এক বছর ধরে সে নিখোঁজ ছিল। তার বাবা কয়েক বছর পুর্বে মারা যায় এবং মা বগুড়ার একটি হাসপাতালে নার্স হিসাবে কর্মরত।

সোয়াত ও সি আই ডি ভবন তল্লাশি করছে। তল্লাশি শেষ না হওয়া না পর্যন্ত ভবন থেকে কাওকে বের হতে দেয়া হবে না এবং বাইরে থেকে কাওকে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। ৫ তলা ওই ভবনটির অধিকাংশ ফ্ল্যাটেই মেস হিসাবে ভাড়া দেয়া হয়েছে। নিহত জঙ্গিদের লাশ ময়না তদন্ত করতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

Ambulance
নিহত জঙ্গিদের লাশ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে

এলাকাবাসীদের মাঝে আতঙ্ক বিস্তার করছে এখনও।

ছবিঃ যুবাইর বিন ইকবাল, প্রেস বাংলাদেশ

বন্ধ হয়ে গেল কিকএস টরেন্ট

অনলাইন ফাইলে শেয়ারিং এর জনপ্রিয় ওয়েবসাইট www.kat.cr বন্ধ করে দেয়া হয়েছে কপিরাইট লঙ্ঘন ও মানি লন্ডারিং এর জন্য। গ্রেফতার করা হয়েছে সাইটটির মালিক আরটেম ভলিনকে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালতে বিচার শেষে তাকে জরিমানা করা হয় এক বিলিয়ন ডলার।

kickass torrents

ওয়েব সাইটটির বিশ্বব্যাপী র‍্যাঙ্কিং ছিল ৬৫। প্রতি মাসে ৫০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী সাইটটি ব্যবহার করতেন। আর এ থেকেই বোঝা যায়, কতটা জনপ্রিয় ছিল এ ওয়েবসাইটটি।

Sabira Hossain

মডেল সাবিরা হোসাইন এর আত্মহত্যা

Sabira Hossain
সাবিরা হোসাইন

বাংলাদেশের জনপ্রিয় মডেল মডেল সাবিরা হোসাইন ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার ভোর ৫টার মিরপুরের রূপনগরের নিজ বাসভবন থেকে পুলিশ ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ একে আত্মহত্যা বললেও এটি আত্মহত্যা না হত্যা, তা নিশ্চিত হতেই পুলিশ লাশ নিয়ে গেছে ময়না তদন্ত করতে। ময়না তদন্ত শেষে পুলিশ নিশ্চিত করে জানাবে, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা।

বেশ কিছু পণ্যের স্থিরচিত্রে মডেল হিসাবে তিনি কাজ করেছিলেন। বেশ কিছু অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থাপক হিসাবেও কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি কাজ করতেন গান বাংলা টেলিভিশন চ্যানেলে বিপণন নির্বাহী হিসাবে। গানবাংলা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৌশিক হোসেন তাপসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ব্যাস্ত আছেন বলে জানান। এছারাও তার মুঠোফোন বন্ধ রয়েছে।

মৃত্যুর পুর্বে তিনি তার ফেসবুক প্রোফাইলে একটি ভিডিও পোস্ট করেন, যাতে দেখা যায় তিনি চাকু দিয়ে নিজের পেট ও গলায় বার বার আঘাত করছেন। কিন্তু এতে তিনি ব্যর্থ হন আত্মহত্যা করতে। এরপর তিনি ভিডিওতে বলেন “আমি ব্যর্থ, আপাতত। ওকে নেক্সট অ্যাটেম্প নেব।”

এছাড়াও তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাস লিখেন “নির্ঝর সিনহা রওনক” নামের এক আলোকচিত্রিকে উদ্দেশ্য করে। তার স্ট্যাটাস “আমি তোমাকে দোষ দিচ্ছি না। এটা তোমার ছোট ভাইকে বলা। সে আমাকে যা ইচ্ছে বলেছে। আর বেস্ট পার্ট হলো, প্রত্যয় আমাকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে। আর আমার প্রশ্ন হলো, তোমার কি একটুও ফিল হয়নি?’ আর শেষে ফটোগ্রাফারকে ট্যাগ করে লেখেন, ‘আমার মৃত্যুর জন্য সে দায়ী। যদি আমি মারা যাই, তাহলে এর দায় তার।‘”

তার ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে জানা যায়, নির্ঝর সিনহা রওনক তার সাথে দীর্ঘদিন প্রেম ও শারীরিক সম্পর্ক করেও পরে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। আর এতেই ভেঙ্গে পরেন সাবিরা। নির্ঝর এর ফেসবুক পেজপ্রোফাইলে সাধারণ জনগন মন্তব্য করে তাদের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।