Linkin Park singer Chester Bennington has committed suicide

Linkin Park singer Chester Bennington has committed suicide by hanging. The dead body was found Thursday just before 9 AM. Chester was married with six children from 2 wives.

linkin park
Ambulance is carrying the dead body of Chester Bennington

He struggled with drugs and alcohol for several years. He had informed in the past he had considered committing suicide because he had been sexually abused as a child by a man.

Chester Bennington song the sing “In the End” which is one of the most popular songs ever.

wedding dairy

হলিউডে বাংলাদেশের নির্মাতা পান্থ রহমান এর সগর্ব পদচারনা

Director
পান্থ রহমান

ছেলেটা বেশ মেধাবী। পড়াশোনায়ও সেই ভাল। স্বপ্ন দেখতে দেশের শীর্ষ বিদ্যাপিঠ প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন। মেধাবী ছেলে, স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করা যার নেশা, তার জন্য এটা হতেই হবে। সুযোগও চলে এল। স্বপ্নের বিভাগ অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস এ পড়াশোনা শুরু হল।

তবে এর পাশা পাশি একটা নেশাও যে ছিল তার, আর তা হচ্ছে ক্যামেরা। একটা গ্রুপ, গ্রুপের সকলেই মিলে বিভিন্ন জায়গায় যেতেন তারা। দেশের গন্ডি পেরিয়ে আজকে কাশ্মীর কালকে নেপাল, আবার কখনওবা ভারত। অর্জন করলেন বেশ কিছু পুরস্কার। এ সময়ে ছবি তোলার পাশাপাশি প্রামাণ্য চিত্র এবং বিজ্ঞ্যাপনেরও কিছু কাজ শুরু করেছেন তিনি। এভাবেই পেরিয়ে গেল প্রায় দশ বছর।

এরপরে এল এক মহেন্দ্রক্ষণ। সুযোগ পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ফিল্ম একাডেমিতে পড়াশোনা করার। দু বছর সেখানে কাটালেন। এ সময়ে তৈরি করেছেন বেশ কিছু ফিল্ম। অধিকাংশই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এর মাঝে তিনি তৈরি করলেন তার মা আফরোজা পারভীন এর ছোট গল্প “লাশ” অবলম্বনে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “Deceased”। বার মিনিট এর এ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি তৈরি করতে ব্যয় হয়েছে প্রায় দশ লক্ষ টাকা।কয়েকটি দৃশ্য হলিউড সুপার স্টার টম ক্রুজ এর বাড়িতে ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া হলিউডে গ্রাম-বাংলার দৃশ্য তৈরি করাটাও ছিল একটা বিশাল চ্যালেঞ্জ। আর সে চ্যালঞ্জ তিনি অতিক্রম করেছেন খুব ভালভাবেই। শুট করেছেন RED ক্যামেরা দিয়ে।

Deceased
Deceased ফিল্ম এর একটি দৃশ্য

বাংলাদেশ, আমেরিকা, নেপাল, কানাডা ও নিউজিল্যান্ডে প্রদর্শিত হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “Deceased।” এ ফিল্মের মাধ্যমে অর্জন করেছেন বেশ কয়েকটি পুরস্কার।

কালার ব্লাইন্ড স্টুডিওতে এক আড্ডায় তিনি দেখালেন, স্ক্রিপ্ট। একটা ফিল্মের জন্য কি পরিমাণ পরিশ্রম করেছেন, তা কেবল স্ক্রিপ্ট দেখলেই বোঝা গেল। বার মিনিটের এ ফিল্মের জন্য প্রায় ২৫০ পাতার ডকুমেন্ট তৈরি করা হয়ছে।

যখন তিনি জানতে পারলেন তার এ ফিল্মটি ওয়ার্নার ব্রাদার্সে প্রদর্শিত হবে, তখন তিনি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। এভাবে তার স্বপ্ন পুরণ হবে, হয়ত স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেন নি তিনি। স্বপ্নপূরণের অনুভূতিটা কেমন? পান্থ রহমানের ভাষায়, ‘ভয়ংকর!’ ছবির প্রদর্শনী দেখার পর তাঁর সহপাঠী, শিক্ষক এবং দর্শকদের প্রশংসাতে ভেসেছেন।

এখন তিনি ঢাকায় করেছেন নিজস্ব প্রোডাকশন হাউস। ব্যস্ত রয়েছেন নাটক ও টিভি সিরিয়াল নিয়ে। সেই সাথে তৈরি করছেন কয়েকটি ওয়েব সিরিজ। এবার ঈদ-উল-ফিতরে যে সকল নাটক তৈরি হয়েছে, তার মাঝে অন্যতম “ওপারে বসন্ত” এটির ডিওপি হিসাবে কাজ করেছেন।

বাংলাদেশ এর জন্য এশিয়ান কিডস কেয়ার ইন জাপান এর উপহার

এশিয়ান কিডস কেয়ার ইন জাপান
বাংলাদেশ এর বন্ধু রাষ্ট্র “জাপান (日本)” এর এন জি ও “এশিয়ান কিডস কেয়ার (愛媛県立しげのぶ特別支援学校) ” বাংলাদেশ এ পাঠিয়েছে বস্ত্র ও শিক্ষার উপকরণ। এ এন জি ও এর পরিচালক কাটসুয়া কিয়াসু (Katsuya Kiyasu) হাজী মোহাম্মাদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ এর অধ্যাপক টি এম টি ইকবাল এর কাছে প্রেরণ করেন এ সকল উপহার সামগ্রী গরীব শিশুদের মাঝে বিতরণ করতে।

এরপরে অধ্যাপক টি এম টি ইকবাল এবং মাওলানা আবুল হোসেন এগুলো বিতরণ করেন দিনাজপুর এর চারটি স্কুল ও একটি এতিমখানায়। প্রায় ১৫০ জন শিশুদের মাঝে এ সকল উপহার বিতরণ করা হয়।

অধ্যাপক টি এম টি ইকবাল কাটসুয়া কিয়াসু এর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ ছাড়াও তিনি কৃষিবিদ সালমা সাদিয়া’র নিকটেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, কেন না মূলত তার মাধ্যমেই এশিয়ান কিডস কেয়ার ইন জাপান বাংলাদেশে এ উপহার পাঠান। সালমা সাদিয়া জানিয়েছেন, তিনি বাংলাদেশে এ ধরণের উপহার সামগ্রী আরও বেশি পরিমাণে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন।

এশিয়ান কিডস কেয়ার এশিয়া এবং আফ্রিকা’র বিভিন্ন দেশে নিয়মিত এ ধরণের উপহারসামগ্রী প্রেরণ করে থাকে।

সেড ফাউন্ডেশন সোনার বাংলা স্কুলে উপহার সামগ্রী বিতরণের সময়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন সেড ফাউন্ডেশন সোনার বাংলা স্কুলের চেয়ারম্যানের ও বাংলাদেশ আওয়ামী বাস্তুহারা লীগ রংপুর বিভাগীয় কমিটির সহ-সভাপতি এস এন আকাশ। তিনি কাটসুয়া কিয়াসুকে তার উপহারের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

”Asian
”HSTU”
”TMT
”Jubair
”Japan”
”Jaica”
”Jaica”
”tmt
”salma
ছবিঃ যুবাইর বিন ইকবাল, যে বি আই গ্যালেরি

এমদাদুল হক হৃদয় এর ফেসবুক পেজ এক লক্ষ ফ্যান এর মাইল ফলক

mirakkel akkel
এমদাদুল হক হৃদয়

স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান এমদাদুল হক হৃদয় এর ফেসবুক পেজ এক লক্ষ ফ্যান এর মাইল ফলক স্পর্শ করেছে। যদিও বাস্তবে এ তারকার ভক্তের সংখ্যা আরও অনেক বেশি। মিরাক্কেল খ্যাত এ তারকা এ মাইলফলক অর্জন করে তার ভক্তদের নিকট প্রকাশ করেছেন কৃতজ্ঞতা। জানিয়েছেন ধন্যবাদ, তার সাথে থাকার জন্য।

তিনি জানিয়েছেন, তার ভক্তদের জন্যই তার বেচে থাকা, সামনে এগিয়ে যাওয়া। বর্তমানে তিনি ব্যস্ত রয়েছেন বিভিন্ন স্থানে স্টেজ পারফরম্যান্স নিয়ে, আর সেই সাথে রয়েছে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে ব্যস্ত পদচারনা।

ফেসবুক পেজ লিঙ্কঃ www.facebook.com/emdadulhaquehridoyofficial

ভুয়া স্ক্রিনশট তৈরি করে বাংলাদেশকে অপমান করল ভারত

ভারত এর একটি অনলাইন পত্রিকা www.kolkata24x7.com দেখা যায়, তারা একটি সংবাদ প্রচার করেছে, যেখানে সিফাত আবদুল্লাহ নামে একজন একটি ছবি তার ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করেছে। ছবিটিতে একটি বাঘ একটি কুকুরকে ধাওয়া করেছে। কিন্তু প্রেস বাংলাদেশ ঐ ছেলের আইডিতে গিয়ে এরকম কোন ছবি পায় নি। এমন কি ঐ আই ডি তে সর্বসেশ পোস্ট ৩১ মেতে। অর্থাৎ প্রায় দু মাস আগে।

ঐ ছেলের একটি প্রোফাইল ছবিতে দেখা যায়, কয়েকজন ভারতীয় ব্যক্তি অশালীন ভাষায় মন্তব্য করেছে, এমনকি বাংলাদেশ এর জাতীয় সঙ্গীতকে নিয়েও।

বাংলাদেশের সমর্থকদের অপমান করতে www.kolkata24x7.com ভুয়া স্ক্রিনশট তৈরি করে এ ধরণের একটি কাজ করেছে বলে অভিমত দিয়েছেন অনেকেই। স্ক্রিনশটটিকে বৈধতা দিতে পত্রিকাটি লেখে “সৈফতের এই পোস্ট দেখে ভারতীয়দের রক্ত ফুটতে শুরু করে৷ফেসবুকে প্রতিবাদের ঝড় উঠে যায়৷পরে বাধ্য হয়েই সৈফত পোস্টটি মুছে ফেলেন টাইমলাইন থেকে৷।”

এর আগে ভারত এর একজন শিল্পি তাসকিন এর একটি ছবি প্রকাশ করেন, যেখানে দেখা যায় তাসকিন ধোনীর কাটা মুন্ডু হাতে নিয়ে গর্জন করছে। কিন্তু পরে প্রমাণিত হয়, ঐ ছবিটি একজন ভারতীয়’র তৈরি করা।

তবে বাংলাদেশ এর অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা দু’দেশের সমর্থকদের অনূরোধ করেছেন, সীমা না ছাড়াতে।

মহাকাশে বাংলাদেশের প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট

মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট “ব্র্যাক অন্বেষা।” মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ৪ই জুন রোববার বাংলাদেশ সময় ভোর ৩টা ৭ মিনিটে স্যাটেলাইটটির সফল উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি স্পেসএক্স ফ্যালকন-৯ রকেটে চড়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) উদ্দেশে রওনা হয়েছে। আইএসএসে অবস্থানরত নভোচারীরা ৪৮ ঘন্টার মাঝে বাংলাদেশি স্যাটেলাইটবাহী কার্গো মহাকাশযানটি পেয়ে যাবেন এরপর তাঁরা এটিকে নিদৃস্ট কক্ষপথে পাঠাবেন।
 NASA's Earth Science Satellite

এই কৃত্রিম উপগ্রহের গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন ঢাকায় অবস্থিত। তাই কক্ষপথে যখনই এটি পৌঁছানোর পরে ঢাকায় বার্তা গ্রহণ শুরু হয়ে যাবে।

এটির নির্মাণকাজে অংশ নিয়েছেন রায়হানা শামস্ ইসলাম, আবদুল্লা হিল কাফি ও মাইসুন ইবনে মনোয়ার। তারা ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তাঁরা জাপানের কিউশু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (কিউটেক) স্নাতকোত্তর পর্বের শিক্ষার্থী। ন্যানো স্যাটেলাইট নিয়ে তারা বর্তমানে সেখানে পড়াশোনা করছেন। ব্র্যাক অন্বেষার নির্মাণে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় অর্থায়ন করেছে এবং কিউটেক সকল ধরণের শিক্ষা ও প্রযুক্তি সহায়তা প্রদান করেছে।

ভারতে গো মাংস খাওয়ার কারণে মুসলিম মহিলাকে গণধর্ষণ করল হিন্দু সম্প্রদায়

এক নারীকে গণধর্ষণ করল হিন্দু সম্প্রদায় এর লোকজন। ভারত এর মেওয়াত এলাকায় এই লোমহর্ষক ঘটনাটি গটে। এর কারণ ঐ নারী গরু মাংস খেয়েছে। শুধু গণধর্ষণ করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি। তার ১৪ বছরের ভাইকেও আহত করেছে। এ সময়ে তাদের বাচাতে এগিয়ে আসেন তার বৃদ্ধ চাচা। এতে ঐ নারীর চাচাকে হত্যা করে তারা। প্রথমে পুলিশ কোন মামলা নিতে চায় নি। পরে অন্যান্য মুসলিমদের চাপের মুখে যৌন হয়রানির মামলা দাখিল করতে চায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ক্রমাগত চাপের মুখে হত্যা মামলা নেয় পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করেছে। এ বর্বর সংবাদটি প্রথমে প্রকাশ করে ব্রিটিশ পত্রিকা ইনডেপেনডেন্ট

India Map

এর আগেও ভারতে গো মাংস খাওয়ার কারণে অনেক মহিলাকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। কিন্তু ভারতীয় প্রশাসন এ ব্যাপারে বরাবরই নীরব থেকে এসেছে। ভারতে গরুকে হিন্দু ধর্মের অনুসারীরা পুজা ও ভক্তি করেন। কিন্তু ইসলাম ধর্মমতে একজন মানুষ গোমাংস খেতেই পারে। ধর্মনিরপেক্ষ রাস্ট্র হিসাবে ভারতে সকল ধর্মের লোকজন এর সমান অধিকার রয়েছে নিজ নিজ ধর্ম পালন করার।

২০১৬ সালে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি গো মাংস রপ্তানি করেছে ভারত। ভারত এর পরেই রয়েছে ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়া। যে দেশে আইন করে গরু হত্যা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেদেশ সবচেয়ে বেশি গোমাংস রপ্তানি করে, এমন বিচিত্র পরিসংখ্যান হয়ত খুব দুর্লভ।

Press Bangladesh

নববর্ষের রাতে ভারতে যৌন হামলার ছড়াছড়ি

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ভারতে ঘটা করে পালিত হয়েছে ইংরেজি নববর্ষ। লোকজন নানাভাবে এ রাতটি উদযাপন করেছে। তবে মাদক ও নারী নির্যাতন এর ঘটনা ঘটেছে প্রচুর। আশঙ্কাজনকভাবে ঘটেছে নারী নির্যাতন এর ঘটনা। এরকমই একজন আলোকচিত্রী চৈতালি ওয়ানসিক। এই তরুণী জানিয়েছেন, দুজন লোক তাকে শ্লীলতাহানি করার চেস্টা করলে তিনিও তাদের লাথি মারতে শুরু করেন। এসময়ে পাশেই পুলিশ ছিল, কিন্তু তারা কেউই এগিয়ে আসে নি। পরে কয়েকজন এগিয়ে এলে তারা চলে যায়।

কল্পনা পাল, যিনি পেশায় একজন সাংবাদিক, তিনি জানিয়েছেন, সংবাদ সংগ্রহের জন্য তিনি একটি বারের পেছনে যান, সেখানে কয়েকজন লোক মাতাল হয়ে বসে ছিল, তাদের মধ্যে থেকে একজন এগিয়ে এসে তাকে জাপটে ধরে। পরে তার ক্যামেরা মান মাধব তাকে মুক্ত করেন। কল্পনা পাল এ ঘটনায় বেশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২৫৬ টি অভিযোগ এসেছে। তারা সিসিটিভি ফুটেজ এবং সাংবাদিকদের ভিডিও ফুটেজ দেখে অপরাধীদের খুজে বের করার চেস্টা করছেন।

মুম্বাই পুলিশের কাছে ৮৪৫ টি অভিযোগ করা হয়েছে। তারা একটি তদন্ত দল গঠন করেছে, যাতে এসকল অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করা যায়।

কলকাতা পুলিশের কাছে ৬৭৯ টি অভিযোগ আনা হয়েছে শ্লীলতাহানির। এর মাঝে রয়েছে একজন পতিতা, নন্দিনী দেবী। নন্দিনী দেবী পুলিশকে জানিয়েছেন, একজন লোক তাকে জোর করে তার সাথে যৌন কাজে লিপ্ত হয়েছে। তিনি পেশায় একজন পতিতা হলেও তারও রয়েছে অধিকার। আর এ কারণেই কলকাতা পুলিশ তার এ অভিযোগ আমলে নিয়েছে। নন্দিনী দেবী আরও জানিয়েছেন, তিনি ওই লোককে চেনেন, তার নাম অর্জুন ঠাকুর। তিনি এইচ আই ভি পজিটিভ। কলকাতা পুলিশের নির্দেশে নন্দিনী দেবীর শারীরিক পরীক্ষাও করা হচ্ছে এবং চিকিৎসকদের আদেশ দেয়া হয়েছে, তার সঠিক চিকিৎসা করতে।

বিগত বছরগুলোতে এত অভিযোগ কখনও আসে নি। তবে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, শ্লীলতাহানির ঘটনা আরও অনেক বেশি, অনেকেই পুলিশের কাছে অভিযোগ করে নি।

সমাজবাদী দলের বিধায়ক আবু আজমি ও কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বর বলেছেন, নারীদের ছোট পোশাকের কারণেই এমনটা হয়েছে। তাদের এ মন্তব্যের পরে, তাদের পদত্যাগের দাবী উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও সাধারণ জনগণও তাদের এ মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

পাকিস্তানেও এ বছর বেশ ঘটা করেই উদযাপন করা হয়েছে থার্টি ফাস্ট, কিন্তু সেখানে কোন যৌন হামলার ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে ইসলামাবাদ পুলিশ।

ইউ আই ইউ শিক্ষক ফয়সাল কবির ও তার স্ত্রী হুমাইরা গুরুতর আহত

বাংলাদেশ এর স্বনামধন্য ইউনাইটেড আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় এর কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এর সহযোগী অধ্যাপক ফয়সাল কবির ও তার স্ত্রী হুমাইরা ফ্লোরিডার আলাচুয়া শহরে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাঁসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ছাড়াও আরও চারজন গুরুতর আহত হয়ে হাঁসপাতালে রয়েছেন। তাদের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। বুধবার সকাল স্থানীয় সময় রাত ১ঃ৪৫ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ফ্লোরিডা পুলিশ। ইটন নামে একজন ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন।

florida

ভারতের সরকারের আমন্ত্রণে ভারতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল

President of India
ভারতের সরকারের আমন্ত্রণে প্রেসিডেন্ট ভবনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল

গিয়েছিলাম, ভারতের সরকারের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে।

যাত্রা শুরু করি ৪ই ডিসেম্বর সকাল ৮টায়।৪টা রাজ্য ভ্রমণ করি পুলিশ প্রোটকল এ। দিল্লী -আগ্রা-গুজরাট-কলকাতা।১১তারিখ দেশে ফিরি। দেখেছি ও জেনেছি ভারতের ঐতিহ্য ও ইতিহাস। সবসময়ে সাথে ছিল পুলিশ প্রোটকল।

০৪ই ডিসেম্বরঃ দিল্লী মিউজিয়াম ও দিল্লী গেট
০৫ই ডিসেম্বরঃ রেড ফোর্ট, শাহী জামে মসজিদ, বিকেলে প্রেসিডেন্ট ভবনে আমন্ত্রণ, উপস্থিত ছিলেন যুব মন্ত্রি, প্রেসিডেন্ট ভবনে পেয়েছি ভিয়াইপি সংবর্ধনা। দুই দেশের ত্রুন্দের একসাথে কাজ করার আহবান জানান তিনি।
০৬ই ডিসেম্বরঃ আগ্রা গমন ও তাজমহল,আগ্রা ফোর্ট
০৭ই ডিসেম্বরঃ মহত্মা গান্ধির সমাধি, কুতুব মমিনার ও বিকেলে গুজড়াটের উদ্দেশ্য গমন
০৮ই ডিসেম্বরঃ গুজ্রাট ইঞ্জিয়ার ইউনিভারসিটি তে আমন্ত্রণ, সেখানে দুই দেশের সাংস্কৃতিক মিল বন্ধন হয়, আমরা আমাদের দেশের গান, নাচ, কবিতা পরিবেশনা করি, আমিও ছিলাম গানের দলে।
০৯ই ডিসেম্বরঃ মহত্মা গান্ধির আশ্রম ডান্ডি কুঠির এ যাই।
১০ই ডিসেম্বরঃ কলকাতা যাত্রা, ভিক্টোরিয়া পার্ক, ইডেন গার্ডেন ও হাওয়া ব্রিজ।
১১ই ডিসেম্বরঃ কবি গুরু রবি ঠাকুরের বাড়ি, জোড়াসাঁকো রাজবাড়ি দশন,মনে হচ্ছিল চোখের সামনে রবিঠাকুর কে দেখছি।

রাত এ দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হই। পুরো টুরে প্রোটকল সহ রাষ্টিয় অথিতির মর্যাদা দেয়া হয়। স্বপ্নের মত ছিল এই ৮দিন। লাল -সবুজ, ভালোবাসার রঙ এর শাড়ি পরেছিলাম প্রেসিডেন্ট এর সাথে সাক্ষাত করতে।লাল-সবুজ আমার অহংকার। বিজয়ের মাসে নিজের দেশের প্রতিনিধি হয়ে যেতে পেরে আমি গর্বিত।

ভালোবাসার বাংলাদেশ। লাল-সবুজ আমার অহংকার।

খুব কড়া শাসনে বড় হয়েছি তাই,ঢাকার বাইরে পরিবার ছাড়া কখনওই যাওয়া হয়নি আমার। তাই এই টুর টা আমার জীবিন্স স্মরণীয়। যে মেয়ে বাড়ির বাইরে একা কোন্দিন পা রাখে নি সে গিয়েছে তার দেশের প্রতিনিধি হয়ে।

-বর্ষা
রেডিও প্রেসেন্টার
University of liberal Arts Bangladesh (ULAB)