জানালার কাঁচ

নববিবাহিত দম্পতি নতুন বাসা নিয়েছে। পরদিন সকালে তারা যখন নাশতা করছিলো, মেয়েটি জানালা দিয়ে পাশের বাড়ির দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলো কাপড় শুকাতে দিয়েছে ঐ বাড়ির মহিলা। মেয়েটি বলে উঠলো,
– ‘কাপড়টা পরিষ্কার হয়নি, ঐ বাসার মহিলা ভালো করে কাপড় ধুতে জানেনা। তার মনে হয় ভালো কোন কাপড় কাচার সাবান দরকার।”

মেয়েটির স্বামী সেদিকে তাকালো, কিন্তু নিশ্চুপ রইলো।

যতবারই পাশের বাড়ির মহিলাটি কাপড় শুকাতে দিতো, ততবারই এই মেয়েটি একই মন্তব্য করতো।

মাসখানেক পরে সেই বাড়িতে সুন্দর পরিষ্কার কাপড় শুকানোর জন্য ঝুলতে দেখে মেয়েটি অবাক হয়ে তার স্বামীকে বললো,”দেখো, অবশেষে উনি শিখেছেন কীভাবে ঠিকভাবে কাপড় ধুতে হয়। আমি তো ভাবছি কে তাকে শেখালো!!”

তখন স্বামী বলে উঠলো, “শোনো, আজ ভোরে আমি আমাদের জানালার কাঁচ পরিষ্কার করেছি!”

পারমিতা’র জীবনের বাস্তবতা

 Barish Haque
বারিশ হক

একজন নারীর জীবনের কঠিন মুহুর্তের বাস্তবতা আর একটি ছেলের বেড়ে ওঠার সময়ের চিন্তাধারা এ দুটি ঘটনাকে এক সুতোয় গেথে মাসুদুল হক নির্মাণ করেছেন স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “পারমিতা” আর এ গল্পের পারমিতা চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন অনিন্দ্য সুন্দরী নৃত্যশিল্পি এবং ভিবগেয়র ফ্যাশন বুথ এর ব্রান্ড এম্বাসেডর বারিশ হক। এ ছাড়া বারিশ হক এর বিপরীত এ অভিনয় করেছেন সাদাব সৃজন।

২২ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের এ স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করা হয়েছে জিরো বাজেটে। সকলেই মিলে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই কাজটি করেছেন। শুটিং করা হয়েছিল জাহাঙ্গির নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। পানির ভেতরে ক্যামেরা নিয়েও শুট করা হয়েছে।

বারিশ জানিয়েছেন, তিনি অত্যন্ত আনন্দের সাথে এ কাজটি করেছেন। এ ছাড়া সকলেই কাজটি করেছেন অত্যন্ত আনন্দের সাথেই।

মিরপুর মিলনায়তনে প্রথম প্রদর্শন করা হয় এটি। বেশ কয়েকটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শন করা হয়েছে এটি এবং অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পায় এটি। আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালেও প্রদর্শন করা হয়েছে এই অসাধারণ স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি।

Police

ঢাকায় চলাফেরা করতে হলে এসব বিষয়ে সতর্ক হন

১. ফার্মগেটে হঠাৎ দেখতে পেলেন, কতগুলো মানুষ একজন মানুষ কে মেরে রক্তাত্ত করে চলেছে আর সে আপনাকে বলছে ভাই, সাহায্য করেন। আপনি দয়া দেখাতে গিয়ে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলেই বিপদ পরতে পারেন। ওরা আপনাকে মেরে সব কিছু নিয়ে যেতে পারে, কারণ তারা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র।

২. ওভার ব্রিজ এর উপর মহিলা কাঁদছে যে, সে যার সাথে দেখা করবে তার মোবাইলে কল দিতে হবে কিন্তু তার কাছে টাকা নেই। বলবে আপনার মোবাইল দিয়ে সেই লোকের নাম্বারে মিসকল দিলেও সে ব্যাক করবে। আপনি কল দিলেন তো ফাঁদে পড়লেন। ওরা নিরীহ মানুষ দেখে তাদের নম্বর সংগ্রহ করে ও পরবর্তীতে সেই নাম্বারে কল করে লোভনীয় প্রস্তাব দেয়, রাজী হলে আপনাকে তাদের আস্তানাতে নিয়ে ব্লাক মেইল করবে।

৩. শাহবাগ, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী জ্যামে আটকে আছেন,নানা ধরণের লিফলেট যেমনঃ দুর্বলতা,রোগে, নানালোভে আপনাকে ফাঁদে ফেলার ব্যবস্থা। এমন বলবে যে রুম ডেট এর ব্যবস্থা আছে। সাবধান।

৪. রাস্তায় সুন্দর চোখ এর বোরকা-আলি আপনার সাথে কথা বলতে চায়, প্রেমের প্রস্তাব নয়, কিন্তু ইশারা, যে আপনি ভাববেন একটু চেষ্টা করলে কাছে পাবেন, যদি তাই ভাবেন তবে ধরা পড়ার সম্ভাবনা শতভাগ। আপনাকে তাদের আস্তানায় নিবে, তারপর আর কিছু আপনার করা লাগবে না। সব হারাবেন। মেয়ে দিয়ে ব্লাক মেইল করবে। সাবধান।

৫. গাবতলি, সায়েদাবাদ, কিংবা সদরঘাট , মাওয়া, আরিচা, দৌলতদিয়া ফেরি-ঘাটে বসে আছেন, দেখলেন যে বাইরে তাস,লুডু ইত্যাদি খেলছে, কাছে গেলেন তো ফেঁসে গেলেন।সাবধান।

৬. যাত্রাপথে অপরিচিত লোক এর সাথে মত বিনিময় করবেন খুব কম। পরিচিত লোক ছাড়া মেলামেশা না করাই ভাল। অপরিচিত জায়গায় সাবধানে চলবেন। প্রয়োজনে পুলিশের সহযোগিতা নিবেন।

৭. রেলগাড়ির ছাঁদে চলাচল করা থেকে বিরত থাকবেন, কারণ এক দল ছেলে পাওয়া যায়, যারা রেলের ছাদের উপর থেকে ছিনতাই করে ছাদ থেকে ফেলে দেয়।

৮. লঞ্চ, বাস বা ট্রেন এ কোনো বগি তে কম যাত্রী থাকলে উঠবেন না। বিশেষ করে আপনি যদি মেয়েযাত্রী হন বা সাথে মেয়ে বা মহিলা যাত্রী থাকে।

৯. যারা দ্রুত যাতায়াত এর জন্য স্পীড বোট এ যাতায়াত করবেন যেমন মাওয়া ঘাট এ , তারা টাকা বা মুল্যবান কিছু সাথে নিবেন না আর রাতে পার হবেন নাহ । কারণ দেখা গিয়েছে যে, এক দল আছে যারা বোট ছাড়ার পর নির্জন স্থানেবোট ভিড়িয়ে ছিনতাই করে আপনাকে নামিয়ে দিতে পারে।

১০. হেঁটে যেতে হলে বিভিন্ন বাস ডিপোর কাছ দিয়া , বা বাসের মাঝখান দিয়ে যাওয়া অনুচিত কারণ নেশাখোর ওঁতপেতে থাকে ছিনতাই এর জন্য।

১১. আপনি ব্যাংক থেকে টাকা তুলছেন , আপনাকে ফলো করবে একদল ছিনতাই কারি ? তারা সংঘ বদ্ধ ৮/১০ জন, বাসে উঠে বলবে আপনার কাছে থাকা পরিমান তাদের টাকা হারাইসে। ওদের লোক খুজবে , আপনার কাছে পাবে , আপনাকে ছিনতাইকারী বলে পেটাবে , আর টাকা নিয়ে যাবে !!

[ বিপদ অাপনার কাছে যেকোনো মূর্হুতে চলে অাসতে পারে। তাই সবসময় চোখ-কান খোলা রেখে অগ্রসর হবেন]

সফল ফটোগ্রাফার হবার রহস্য

“ফটোগ্রাফার হয়ে উঠতে অন্তত তিন চার বছর সময় লাগবে। ফেসবুক উৎসাহটা জুগিয়ে দিচ্ছে। তবে পরে পড়াশোনাটা করতে হবে। দেখার চোখ চাই, চাই বোঝার মত হৃদয়। তা থাকলে চারপাশটাই তোমার সাবজেক্ট।”
রাঘু রাই

“ছবি তোলা শিখতে চাও? তাহলে পেশাদার ফটোগ্রাফারদের ছবি দেখাও। ফেসবুকে ছবি দেখে যারা টিপস দিচ্ছে, তারা তোমার মতই আনকোরা। পেশাদার হতে চাইলে, পড়াশোনা কর। কাজটা শেখ।”
রাকেশ শ্রেষ্ঠা

শিশুদের সুন্দর নাম

বাচ্চাদের ইসলামিক নামঃ মুহাম্মাদ, আহম্মাদ, আব্দুল্লাহ, আবু বকর, উসমান, উমার, আলী, তালহা, যুবাইর, জাকারিয়া, আব্দুর রহমান, আব্দুল করীম, নুমান, মুজাহিদ প্রভৃতি

এই বর্ষায় কি পরবেন

আসছে বর্ষাকাল। সময়টাতে হালকা ঠান্ডাও থাকে। আর এ কারণেই সালওয়ার কামিজ কিংবা হালকা সুতির টি-শার্ট বেশ আরামদায়ক পোশাক হতে পারে। একটি ঠান্ডা পরলে টি-শার্টের সাথে কটি পরা যেতে পারে। পোশাকের সাথে ম্যাচ করে ব্যবহার করতে পারেন ছাতা। তবে ইদানিং পাওয়া যায় স্টাইলিশ রেইন-কোর্ট।

Fashion Portrait
মডেলঃ শাহনাজ পারভিন সুইটি
ছবিঃ যুবাইর বিন ইকবাল

ওয়েডিং গ্যালেরি এর শিশু উন্নয়ন তহবিল

wedding-photography

বাংলাদেশের স্বনামধন্য ওয়েডিং ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠান ওয়েডিং গ্যালেরি দরিদ্র শিশুদের উন্নয়নের জন্য একটি ফান্ড গঠন করছে। এখন থেকে প্রতিটি প্রোগ্রামের লভ্যাংশ থেকে অর্জিত টাকার ১৫ শতাংশ টাকা গরীব শিশুদের জন্য ব্যয় করা হবে। এ কথা জানিয়েছেন ওয়েডিং গ্যালেরি এর সিইও এবং প্রধান ফটোগ্রাফার যুবাইর বিন ইকবাল

Poverty

ম্যানেজিং ডিরেক্টর সামিয়া আফরিন জানিয়েছেন, আপাতত এ অর্থ শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য ব্যয় করা হবে। পরবর্তীতে আরও কিছু খাত যুক্ত করা হবে।

এ ছাড়া যে কেও যে কোন পরিমাণ অর্থ ওয়েডিং গ্যালেরি ফান্ডে জমা দিতে পারেন। একটি বিক্যাশ একাউন্ট উন্মুক্ত করা হয়েছে। +88 01714 332 553 (Personal Number)

ওয়েডিং গ্যালেরি
সড়কঃ শের এ বাংলা সড়ক
রায়েরবাজার, ঢাকা ১২০৯

+88 01714 332 553
www.jbigallery.com

Wedding Photography
© ওয়েডিং গ্যালেরি

ওয়েডীং গ্যালেরি এর বিশেষ অফার ৫০০ টাকায় বিয়ের ছবি

professional wedding photography package

এখন বিয়ে বাড়ি মানেই সাজ-সজ্জা, বাদ্য-বাজনা আর রঙ বেরঙের পোষাকের সমারোহ। আর এসকল আয়োজন করা হয়, দুজন মানুষের নতুন জীবনে চলার শুরুর মুহুর্তটিকে সুন্দর করে তুলে ধরা। আর এ মুহুর্তগুলোকে স্মৃতির পাতায় আজীবন ধরে রাখতে চাই, একজন অভিজ্ঞ প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার। আর এজন্যই ওয়েডীং গ্যালেরি ২০১০ থেকে আমাদের দিচ্ছে এক অনন্য সেবা।ওয়েডীং গ্যালেরি এর মূল আলোকচিত্রি যুবাইর বিন ইকবাল ওয়েডীং পোরট্রেইট জন্য অর্জন করেছেন আন্তর্জাতিক পুরস্কার।

বাংলাদেশ এর এই খ্যাতনামা ওয়েডীং ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠান “ওয়েডীং গ্যালেরি” দিয়েছে একটি বিশেষ অফার। আর এটি হচ্ছে মাত্র ৫০০ টাকা দিয়ে করা যাবে ওয়েডীং ফটোগ্রাফি। তবে সহজ ৪ টি শর্তে মিলবে এই বিশেষ প্যাকেজ। আর এ শর্তগুলো হচ্ছে

  1. প্রতিটি ছবির জন্য খরচ পড়বে ৫০০ টাকা
  2. কমপক্ষে ১৫ টি ছবি অর্ডার করতে হবে
  3. এ অফার চলবে ২০১৬ সাল পর্যন্ত
  4. প্রিমিয়াম ইকুইপমেন্ট দিয়ে ফটোগ্রাফি করতে চাইলে এর সাথে আরও ১০,০০০ টাকা যুক্ত হবে

বুকিং এর জন্য কল করুন +৮৮ ০১৭১৪ ৩৩২ ৫৫৩

বিস্তারিত তথ্য এর জন্য ভিজিট করতে হবে, www.jbigallery.com

শুভ জন্মদিন মাশরাফি

আমাদের একটা বড় অভাবের কথা বলি।
আমি আইভরি কোস্টে যখন ছিলাম, দেখেছি – পুরো একটা দেশের সব কিশোর-তরুণ দ্রগবা হতে চায় । পেটে ভাত নাই, পায়ে জুতা নাই – কিন্তু চোখে স্বপ্ন আছে, সামনে একজন রোল মডেল আছে – দিদিয়ের দ্রগবা।

একজন শচিন ছিলো তাই ভারতের সব কিশোর আজকে ব্যাটসম্যান হতে চায়, পাকিস্তানের অলিতে গলিতে তরুণেরা ওয়াসিম আকরামকে সামনে রেখে বোলিং করে । পর্তুগালে রোনালদোকে ঈশ্বর মানে, আর্জেন্টিনায় মাতম নামে মেসির অবসরে।

আর আমি চারপাশে চোর দেখি। হাজার হাজার চোর, লক্ষ লক্ষ চোর।
এতোই বেশি চোর যে, এই চোরের ভিড়ে কেউ ভালো কাজ করলে ভীষণ সন্দেহ লাগে। সন্দেহ লাগে, ওই ব্যাটা কেন এই কাজ করতেসে, চুরি করতেসে না ক্যান? কাউকে সমাজসেবা করতে দেখলে সন্দেহ জাগে, শালা নির্বাচনে দাড়াবে না তো? বিশ্বাস করেন ভাই, কাউরে বিশ্বাস করতে পারি না। একটা বিশুদ্ধ মানুষ পাইনা কোথাও।

আমাদের একটা রোল মডেলের বড় অভাব।

এই অভাবের অন্ধকারে আমাদের একমাত্র জ্বলজ্বলে নক্ষত্র – মাশরাফি। আমাদের হাজার হাজার অবিশ্বাসের মাঝে একমাত্র বিশ্বাস। আমাদের লক্ষ লক্ষ চোরের মাঝে একজন সাচ্চা দেশপ্রেমিক – যাকে শ্রদ্ধা করি – মন থেকে।

আমি ব্যক্তিগতভাবে তাকে চিনি না, কিন্তু মাশরাফি ভাই যখন মাঠে ক্ষতবিক্ষত পা নিয়ে দৌড়ায়, মনে হয় এই লোকটা পতাকা নিয়ে দৌড়াইতেসে। পা ধরে যখন মাঠে পড়ে যায়, পুরো দেশের সব মানুষের মত আমারও চোখে পানি চলে আসে। গলার রগ ফুলায়ে যখন মাশরাফি চিৎকার দেয়, আমারও ইচ্ছা করে মানুষটার পিছনে গিয়া সর্বশক্তিতে একটা চিৎকার দেই।

আজ সেই মানুষটার জন্মদিন।

আজ থেকে পঞ্চাশ বছর পরে, বাংলাদেশে একদল তরুণ আসবে। ক্রিকেটে, শিক্ষায় , গানে , সিনেমায় – সবকিছুতে তারা নেতৃত্ব দিবে পৃথিবীকে। আর তাদের রোল মডেল হবে অদ্ভুদ এক মানুষ। একজন নেতা। যে অপারেশনে ক্ষতবিক্ষত পা নিয়ে দৌড়াতো, দেশের জন্য। একটা জেনারেশনকে যে মানুষটা একলাইনে দাড়া করাইতে পারসিলো। আমরা যদি বেঁচে থাকি, গল্প শোনাবে পরবর্তী প্রজন্মকে – আমরা বেঁচেছিলাম মাশরাফি বিন মর্তুজার সময়ে।

“ও ক্যাপ্টেন, মাই ক্যাপ্টেন!!!”

-প্রেস বাংলাদেশ

ওয়েডিং গ্যালেরিতে চলছে ঈদ ডিসকাউন্ট

Professional Wedding Photographer
© ওয়েডিং গ্যালেরি

ওয়েডিং গ্যালেরি, দেশের অন্যতম ওয়েডিং ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠান। পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে তারা দিচ্ছে তাদের তিনটি প্যাকেজেই ২৫% ঈদ ডিসকাউন্ট।

সেপটম্বর মাসে বুকিং দিলেই থকছে এ ঈদ ডিসকাউন্ট। ওয়েডিং গ্যালেরি এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর সামিয়া আফরিন শুচি আরও জানিয়েছেন, প্রতিটি উৎসবেই আমরা এ ধরনের অফার নিয়ে আসার চেষ্টা করব। ওয়েডিং গ্যালেরি এর মুল লক্ষ্য জানতে চাইলে, তিনি বলেন, ক্লায়েন্ট সন্তোষ এ আমাদের মুল লক্ষ্য। আর এ জন্য আমরা ব্যবহার করি, অত্যন্ত ভাল মানের ক্যামেরা, লেন্স ও লাইট সেটআপ। আর এগুলো পরিচালনা করে, আমাদের দক্ষ ফটোগ্রাফারগণ। ওয়েডিং ফটোগ্রাফিতে আন্তর্জাতিক পুরষ্কার অর্জন করেছেন ওয়েডিং গ্যালেরি এর প্রধান ফটোগ্রাফার যুবাইর।

Bridal Heritage
© ওয়েডিং গ্যালেরি
Wedding Dairy
© ওয়েডিং গ্যালেরি
Bridal Moment
© ওয়েডিং গ্যালেরি