পিংকস এন কার্লস এর আয়োজনে মেকাপ ওয়ার্কশপ

মেকাপ
পিংকস এন কার্লস এর আয়োজনে মেকাপ ওয়ার্কশপ

রাজধানীর ধানমন্ডির একটি রেস্তোরায় আজ(২৯শে সেপ্টেম্বর, শুক্রবার) অনুষ্ঠিত হয়ে গেল নারীদের ফেসবুক ভিত্তিক গ্রুপ পিংকস এন কার্লস এর আয়োজনে মেকাপ ওয়ার্কশপ, যেখানে বেসিক মেকাপ সম্পর্কিত সব ধরনের শিক্ষা দেয় মালয়েশিয়া থেকে আগত বিউটি এক্সপার্ট ম্যারিনা। পিংকস এন কার্লস এর প্রতিষ্ঠাতা আফসারা তাসনিম জানান, বর্তমানে এই ব্যস্ত সময়ে আমাদের হাতে পার্লারে গিয়ে মেকাপ করার মত সময় থাকে না পাশাপাশি মেকাপেরও রয়েছে কিছু এ বি সি ডি। এইসব কথা চিন্তা করেই এই ওয়ার্কশপের আয়োজন করা যাতে করে যাদের মেকাপ সম্পর্কিত কোন ধারনা নেই তারাও অতি সহজেই মেকাপ করতে পারবে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী দের জন্য অকর্ষনীয় সব পুরষ্কার এর পাশাপাশি সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। আর এই পুরো আয়োজনের স্পন্সর হিসেবে ছিল ‘ইনায়াস কালেকশন এবং ‘মেকাপ এন্ড বিউটি বাই ম্যারিনা (Makeup & Beauty with Marina)

নারী আরোহীকে উত্যক্ত করছে পাঠাও এর বাইকার

সোনিয়া (ছদ্ম নাম) পাঠাও এপস এ বাইক খুজলেন। ফাহিম (সুজন) নামে একজন বাইকার তাকে রাইড দিলেন। কিন্তু এর পর থেকেই ওই বাইকার তাকে বারবার হোইয়াটস এপে করে বিরক্ত করতে থাকে। এরপরে হোইয়াটস এপে তাকে ব্লক করলে কয়েকবার ফোন করার পরে ওই নারী যাত্রি তার নাম্বার ব্লক করে দেয়। এরপরে তিনি অন্য নাম্বার থেকে তাকে আবারও ফোন করে উত্যক্ত করে।

pathao

ওই নারী যাত্রি প্রেস বাংলাদেশকে বিস্তারিত জানান এবং হোইয়াটস এপ এর আলাপচারিতার একটি স্ক্রিনশট প্রদান করেন। ওই যাত্রী পাঠাওকে বিষয়টি অভিহিত করেছে এবং তিনি আশা করেন, পাঠাও দ্রুত ব্যব্যস্থা নেবে অভিযুক্ত বাইকারের বিরুদ্ধে এবং পাঠাও সুনামের সাথে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করবে।

পানি কমতে শুরু করেছে দিনাজপুরে, স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে জনগন

refugee
আশ্রয় কেন্দ্রে মালেকা বানু একাকী বসে আছেন তার একমাত্র অবলম্বন একটি ছাগলকে নিয়ে।

ভয়াবহ বন্যায় দিনাজপুর শহর তলিয়ে গিয়েছে। শহরের অধিকাংশ স্থানেই ছিল পানির নিচে। ছিল না বিদ্যুৎ। বন্ধ হয়ে গিয়েছিল যান চলাচল, এমনকি ট্রেনও। তবে সেই পানি ইদানিং কমতে শুরু করেছে। মূল শহর এখন শুকনো। আশ্রয় কেন্দ্র থেকে ফিরতে শুরু করেছে লোকজন। তবে শহরের বিভিন্ন কোনায় জমে থাকা পানির কারণে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। বন্যার পানিতে মৃত্যু হয়েছে অনেক প্রাণীর আর এতেই বৃদ্ধি পেয়েছে পচা দুর্গন্ধ। অন্যদিকে এখনও রয়েছে তীব্র খাবার সংকট। বিশুদ্ধ পানির অভাবও প্রকট। পৌরসভা থেকে পানি দেয়া হচ্ছে, কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় নগন্য।

Flood

আক্রান্ত লোকজন এখন অসহায়, তাদের বাড়িঘর হারিয়ে। অনেকেই হারিয়েছেন উপার্জনের অবলম্বন গবাদি পশু। লোকজন এ কারণে এখন দিশেহারা। তারা কি করবে, বুঝতে পারছে না। আশ্রয় কেন্দ্র থেকে অনেকের টাকা-পয়সা লুট হয়েছে। অনেকেই এসকল অসহায় মানুষের পাশে এসে দাড়িয়েছেন, কিন্তু এটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়। অসহায় লোকজন এখন তাকিয়ে আছে কিছুটা সাহায্যের আশায়, যাতে তারা আবার একটু দাড়াতে পাড়ে।

বিশ্বমানের ডিজে হবার পথে মিথিলা মিথি

ডিজে মিথিলা মিথি, আনিন্দ্য সুন্দরী একজন রমণী। তবে শুধু রূপ নয়, নিজেকে চিনিয়েছেন তিনি তার কাজের মাধ্যমে। অসাধারণ একজন ডিজে তিনি। মাতিয়ে তোলেন একটা পার্টি, সৃষ্টি করেন আনন্দ মুখর একটি পরিবেশ। তবে কেবল দেশের আঙ্গিনা নয়, হতে চান একজন বিশ্বমানের ডিজে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তিনি ছুটে যেতে চান আর উজ্জ্বল করতে চান দেশের নাম। আর এ জন্য তিনি পরিশ্রম করে যাচ্ছেন দিন-রাত্রি। প্রচন্ড ব্যস্ত তিনি কাজ আর অনুশীলন নিয়ে। ব্যস্ততার মাঝেও কিছুটা সময় তিনি দিয়েছেন প্রেস বাংলাদেশকে। সঙ্গে ছিলেন প্রেস বাংলাদেশ প্রতিবেদক যুবাইর বিন ইকবাল। পড়ন্ত বিকেলে কফি টেবিলে দুজন মেতে উঠেছিলেন এক আনন্দঘন আড্ডায়। আর এখানেই তিনি জানালেন জানা-অজানা অনেক কিছুই। নির্বাচিত কিছু অংশ পাঠকদের জন্য

dj
ডিজে মিথিলা

প্রেস বাংলাদেশঃ পথ চলার শুরুটা কিভাবে? কেন মনে হল, আপনি একজন ডি জে হবেন এবং ডি জে হবার পরে কেন মানুষ আপনাকে গ্রহণ করবে?
মিথিলাঃ যখন ইউটিউবে অন্যান্য দেশের ডি জেদের ভিডিও দেখতাম, তখন খুব ইচ্ছে হত আমিও একদিন ওদের মত ডি জে হব। একটা বিশ্বাস ছিল, যদি ভাল করতে পারি, তাহলে দর্শক অবশ্যই আমাকে গ্রহণ করবে। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে শুরু হওয়া। এখন অনেকেই হিংসে করে আমায়। কিন্তু আমি আমার চলার পথে অটুট থাকব।

প্রেস বাংলাদেশঃ ক্যারিয়ারের শুরুতে কাদের সমর্থন পেয়েছিলেন?
মিথিলাঃ ক্যারিয়ারের শুরুতে ডি জে তৌফিক, ডি জে রনো এবং ডি জে রাহাত আমাকে সবদিক থেকে সহযোগিতা করেছিল। তাদের কারণেই আজ আমি এখানে। তাদের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ।

প্রেস বাংলাদেশঃ ডি জে নিয়ে আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি কি?
মিথিলাঃ আন্তর্জাতিক ডি জে হতে চাই।

প্রেস বাংলাদেশঃ এ পেশার চ্যলাঞ্জিং দিকগুলো কি?
মিথিলাঃ শো শেষ করে ফিরে আসাটাই অনেক চ্যালেঞ্জ মনে হয় আমার কাছে। কেন না অধিকাংশ শো শেষ হয় প্রায় মধ্য রাতে।

প্রেস বাংলাদেশঃ নতুন কেও এ পেশায় আসতে চাইলে কিভাবে আসা উচিৎ?
মিথিলাঃ ভাল কোন ডি জে এর কাছ থেকে আগে কাজ শেখা। এর পর শো করা।

প্রেস বাংলাদেশঃ কাকে আদর্শ মনে করেন?
মিথিলাঃ ডিজে জুইসি এবং ডিজে রাহাত

প্রেস বাংলাদেশঃ প্রথম প্রেমের গল্প?
মিথিলাঃ ভুলে গেছি!!! হা হা হা

প্রেস বাংলাদেশঃ কোন তারকার সাথে যেতে চান ডেটিঙে?
মিথিলাঃ সালমান খান। ইচ্ছে ছিল শহীদ কাপুর, কিন্তু এখন এক বাচ্চার বাবা!!!

প্রেস বাংলাদেশঃ বিয়ের পরে পূরোনো প্রেমিকের সাথে হুট করে দেখা হলে, কি বলবেন?
মিথিলাঃ দেখেও না দেখার ভান করব।

প্রেস বাংলাদেশঃ অবসরে কি করেন সাধারণত?
মিথিলাঃ গান শুনি, মাঝে মাঝে বই পড়ি।

প্রেস বাংলাদেশঃ কোথায় ঘুরতে পছন্দ করেন এবং সাথে কাকে নিতে পছন্দ করেন?
মিথিলাঃ প্রথম পছন্দ কক্সবাজার এরপরে সিলেট।

প্রেস বাংলাদেশঃ লটারীতে এক কোটি টাকা পেলে কি করবেন?
মিথিলাঃ বিশ্ব ভ্রমণ

প্রেস বাংলাদেশঃ তেলাপকা নাকি টিকটিকি, কোনটিকে বেশি ভয় পান? নাকি অন্য কিছু?
মিথিলাঃ দুটোকেই বেশ ভয় পাই, তবে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই মানুষ। কেননা মানুষ বারবার রঙ বদলায়, এক রঙের আড়ালে থাকে আর এক রঙ।

মিসেস বাংলাদেশ লড়াই করছেন মিসেস ওয়ার্ল্ডওয়াইড এর রণক্ষেত্রে

এ বছরই প্রথম বাংলাদেশ থেকে কোন নারী কারিশমা তারান্নুম মিসেস ওয়ার্ল্ডওয়াইড এ অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন। আর এখানে অংশ নেবার পুর্বে তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন মিসেস বাংলাদেশ।

mrs. worldwide
কারিশমা তারান্নুম

লড়াই করতে হয়েছে যোগ্যতা, সৌন্দর্য্য এবং বুধিমত্তা দিয়ে। আর এখন তাকে লড়তে হবে ভারত, কোরিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, ভিয়েতনাম সহ ৩০ টি দেশের দেশের সুন্দরীতম নারীদের সাথে। লড়াইয়ের পুজি যোগ্যতা, সৌন্দর্য্য এবং বুধিমত্তা। ২০ আগস্ট থেকে সিঙ্গাপুরে শুরু হচ্ছে এ লড়াই এর আসর। ২৭ আগস্ট হবে গ্রান্ড ফিনালে আর এতে প্রধান অতিথি হিসাবে থাকবেন সিঙ্গাপুর এর মাননীয় প্রধানমন্ত্রি এবং তার সহধর্মিণি।

মিসেস ওয়ার্ল্ডওয়াইড
ম্যাগাজিন এর ফটোসেশনে কারিশমা তারান্নুম

২০১০ সালে র‍্যাম্প মডেলিং দিয়ে শুরু কারিশমা’র ক্যারিয়ার। এরপরে কাজ করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন নামকরা সব ম্যাগাজিনে। অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে। কারিশমা’র ভক্তরা জানিয়েছেন তাকে শুভকামনা। ভক্তদের বিশ্বাস, কারিশমা বাংলাদেশ এর নাম বিশ্বের দরবারে তুলে ধরবেন এবং বাংলাদেশ এর জন্য সম্মান বয়ে আনবেন।

ছবিঃ ফারহান আহমেদ, স্টুডিও লরেঞ্জো


মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন করার নিয়ম

মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় ৬৭ তম আসরে অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ থেকে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হলে, প্রথমে অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে নাম নিবন্ধন করতে হবে।

ওয়েব সাইটঃ www.missworldbangladesh.com

মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন করার শর্তাবলীঃ

  1. অবিবাহিত হতে হবে
  2. কখনও কোন সন্তান্ত জন্ম দেয়া হয় নি
  3. বয়স সীমাঃ ১৮ বছর থেকে ২৭ বছর
  4. বাংলাদেশী নাগরিক হতে হবে

মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন করার ছবি
তিনটি ছবি জমা দিতে হবে। অবশ্যই ছবি হতে হবে প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের দ্বারা তোলা।

Wedding Gallery জানিয়েছে তারা মাত্র ১৫০০ টাকায় প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার দ্বারা এ তিনটি প্রফেশনাল স্টুডিও “কালার ব্লাইন্ড” স্টুডিওতে তুলে দেবে। এ ছাড়া তারা এ তিনটি ছবি 5R সাইজ করে প্রিন্টও করে দেবে।

প্রফেশনাল স্টুডিও এর ঠিকানা
Parijat
House No: 11 (Ground Floor)
Road No: 19
Mohammadpur Housing Society
Dhaka – 1209

Phone: +8801714332553
www.jbigallery.com

মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

মিস ওয়ার্ল্ড
এ বছর এখানে দেখা যাবে বাংলাদেশ এর নাম

মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার ৬৭ তম আসর হতে যাচ্ছে চীনে, আর এ বছর এতে অংশ নেবে বাংলাদেশ। সেখানে অংশ নেবার জন্য এ বছর বাংলাদেশ ইতিমধ্যে নিবন্ধন করেছে। সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, ‘নারীরা তাঁদের মেধা, সৌন্দর্য, মনন এবং পোশাক-পরিচ্ছদের মধ্য দিয়ে একটা দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। সুতরাং সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় আমাদের অংশগ্রহণে কোনো অসুবিধা নেই।’

আজ থেকে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার নিবন্ধন শুরু হয়েছে। ৫ আগস্ট পর্যন্ত নারীরা রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। তবে কেবলমাত্র ১৮ থেকে ২৭ বছর বয়সী বাংলাদেশি মেয়েরা এতে অংশ নিতে পারবেন। বিবাহিত এবং সন্তান জন্ম দিয়েছেন, এমন নারীরা আবেদন করতে পারবে না। তিনটি ছবি জমা দিতে হবে। একটি ক্লোজআপ, একটি মাঝারি এবং একটি ফুল ছবি।

নিবন্ধন করতে হবে www.missworldbangladesh.com ওয়েবসাইটে। তথ্যমন্ত্রী ইনু আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, এখানে অংশ নেয়ার মাধ্যমে নারীরা তাদের বিকশিত করতে পারবে।

Wedding Gallery জানিয়েছে তারা মাত্র ১৫০০ টাকায় প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার দ্বারা এ তিনটি প্রফেশনাল স্টুডিও “কালার ব্লাইন্ড” স্টুডিওতে তুলে দেবে। এ ছাড়া তারা এ তিনটি ছবি 5R সাইজ করে প্রিন্টও করে দেবে।

স্টুডিও এর ঠিকানা
Parijat
House No: 11 (Ground Floor)
Road No: 19
Mohammadpur Housing Society
Dhaka – 1209

Phone: +8801714332553
www.jbigallery.com

Miss World Registration for Bangladesh

Miss World 2017
Photo Session for Miss World 2017

ইফফাত ই ফারিয়া ও তার প্যাস্টেলস এর গল্প

entrepreneur
ইফফাত ই ফারিয়া (রঙ)

সফল নারী উদ্যক্তা (Woman Entrepreneur) ইফফাত ই ফারিয়া ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে প্যাস্টেলস নিয়ে যাত্রা শুরু করেন। তিনি সাধারণত নিজের ডিজাইন করা পোশাক পরিধান করতেন আর এতে তিনি পেতেন সকলে প্রশংসাও। এরপরে অনেকেই তার কাছ থেকে নকশা করে জামা বানাত। এভাবেই তিনি প্যাস্টেলসের স্বপ্ন দেখা শুরু করেন। ২০১৪ সালে উচ্চশিক্ষার্থে মেলবোর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমানোর সব কাজ শেষ করে অবসর সময়েই শুরু করলেন প্যাস্টেলস। শুধুমাত্র ৬০০০ টাকা মূলধনের সেই প্যাস্টেলসই ফারিয়া’র জীবনের অন্যতম সেরা সিদ্ধান্ত হয়ে দাঁড়াল। এক বন্ধুর হলুদের পোশাক তৈরি করা থেকে শুরু করে তার স্বপ্নযাত্রা শুরু হয়, এরপর আর তাকে পেছনে ফিরতে হয় নি। বিয়ে কিংবা উৎসবের গাউন ডিজাইন করেন তিনি।

ছোট পরিসরে শুরু করা কাজ দিয়ে শুরু হয়ে প্যাস্টেলসের আজ আছে নিজস্ব উৎপাদন কেন্দ্র যেখানে আট জন কর্মচারী প্রতিনিয়ত কাজ করে। রাজধানী ঢাকার মিরপুরে তিনি তৈরি করেছেন এ উৎপাদন কেন্দ্র। অনেক বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়েছে।তাদের ফেসবুক পেজটি হ্যাক হয়েছে, কিন্তু থেমে থাকেন নি ফারিয়া সদা হাস্যজ্জল এ সফল নারী। বাণিজ্যিক লাইসেন্স পেয়ে এখন আরও বড় পরিসরে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

স্বপ্নের প্যাস্টেলস প্রসঙ্গে রঙ বলেন, ‘আমার ডিজাইন করা পোশাক পরে একজন নিজের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে পদার্পণ করবে ভাবলেও একটা শিহরণ অনুভব করি। রঙিন পোশাকে হাসিখুশি তরুণীরা একেকজন পোশাকের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে বহুগুণ। দেশের বাইরে থেকেও আসে প্রচুর অর্ডার।

বৃস্টিভেজা সন্ধ্যায় ব্যালকনিতে এক হাতে নজরুল এর একটি কবিতার বই নিয়ে আর কফি’র কাপে চুমুক দিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক কোনো ফ্যাশন উইকে প্যাস্টেলসের পোশাক পরে সুপার মডেলরা হাঁটবে, এই স্বপ্ন দেখেন তিনি। আর এমন স্বপ্ন দেখতেই তিনি পারেন। তার বন্ধুরা জানালেন, রঙ তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

এ ছাড়াও তিনি কাজ করছেন, ইউনিসেফ, জাস্টিস ফর ওম্যান ফাউন্ডেশন, সেভ দ্য চিল্ড্রেন্স অস্ট্রেলিয়া, ন্যাশনাল চিল্ড্রেন্স টাস্ক ফোর্স, লাইটার ফাউন্ডেশন সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে। এ নারী সর্বদা স্বপ্ন দেখেন, একটি সুন্দর পৃথিবীর। যেখানে থাকবে না, কোন অন্যায়, অবিচার। এমন একটি পৃথিবী, যেখানে সুপ্রতিষ্ঠিত হবে একজন নারী’র অধিকার। বিভিন্ন নারী উদ্যক্তাদের নিয়ে বর্তমানে কাজ করছেন তিনি। জাতীয় দৈনিক ইত্তেফাক এবং চ্যানেল আই অনলাইন পত্রিকায় নিয়মিত ফিচার লেখেন দেশের বিভিন্ন নারী উদ্যক্তাদের নিয়ে।

wedding dairy

নারী উদ্যোক্তা

ইফফাত ই ফারিয়া (রঙ)

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানঃ প্যাস্টেল

সৈয়দা সালমা

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানঃ Dress Delight

তাবাসসুম রহমান

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানঃ কুইকার বিডি

আনিলা মায়োশি

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানঃ Vibgyor a fashion booth

উম্মে সালমা সোমা

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানঃ ক্রাফ্টস অ্যান্ড আর্টিস্ট্রি

ইসপিয়া মমতা

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানঃ তরুনিমা’স বিবর্তন

নবনীতা রায়

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানঃ গ্রাম্পি ফিশ

অন্তরা মেহরুখ আজাদ ও অনন্যা মেহপার আজাদ

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানঃ মালাইকাট ক্যাসকেট

পারমিতা’র জীবনের বাস্তবতা

 Barish Haque
বারিশ হক

একজন নারীর জীবনের কঠিন মুহুর্তের বাস্তবতা আর একটি ছেলের বেড়ে ওঠার সময়ের চিন্তাধারা এ দুটি ঘটনাকে এক সুতোয় গেথে মাসুদুল হক নির্মাণ করেছেন স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “পারমিতা” আর এ গল্পের পারমিতা চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন অনিন্দ্য সুন্দরী নৃত্যশিল্পি এবং ভিবগেয়র ফ্যাশন বুথ এর ব্রান্ড এম্বাসেডর বারিশ হক। এ ছাড়া বারিশ হক এর বিপরীত এ অভিনয় করেছেন সাদাব সৃজন।

২২ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের এ স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করা হয়েছে জিরো বাজেটে। সকলেই মিলে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই কাজটি করেছেন। শুটিং করা হয়েছিল জাহাঙ্গির নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। পানির ভেতরে ক্যামেরা নিয়েও শুট করা হয়েছে।

বারিশ জানিয়েছেন, তিনি অত্যন্ত আনন্দের সাথে এ কাজটি করেছেন। এ ছাড়া সকলেই কাজটি করেছেন অত্যন্ত আনন্দের সাথেই।

মিরপুর মিলনায়তনে প্রথম প্রদর্শন করা হয় এটি। বেশ কয়েকটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শন করা হয়েছে এটি এবং অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পায় এটি। আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালেও প্রদর্শন করা হয়েছে এই অসাধারণ স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি।