মুস্তাফিজ না খেলায় বাংলাদেশে আসছে ইংল্যান্ড

ইনজুরির কারনে খেলতে পারছেন না কাটার মাস্টার ও রহস্যময় বোলার মুস্তাফিজ। মুস্তাফিজকেই ইংলিশ দল প্রধান নিরাপত্তার হুমকি হিসাবে নিয়েছিল। কিন্তু যেহেতু তিনি খেলছেন না, তাই ার নিরাপত্তা নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই। এর আগে অস্ট্রেলিয়াও একই কারণে খেলতে আসে নি।

তবে এমন মতামত শুধুই ক্রিকেটপাগল দেশীয় দর্শকদের দর্শকদের। তবে, ইংলিশ নাট্য অভিনেত্রী রাচ্যেল ভাইস তার ফেসবুক পাতায় এমনটাই লিখেছেন।

সুন্দরী আপুদের ফেইসবুক লাইভ সংক্রান্ত কয়েকটি টিপস

ফেসবুক এপস নতুন সংযোজন ফেসবুক লাইভ। আর সকলেই মেতে উঠেছে এ লাইভ নিয়ে। ছেলে-মেয়ে, কচি খোকা-পাকা বুড়ো সবাই। নাপিতের মেয়ে মালিহা থেকে শুরু করে চৌধুরী সাহেবের ছেলে, সকলেই। কে নেই আজ লাইভে!!! তবে যেনতেনভাবে লাইভে যাওয়াটা মোটেই উচিৎ নয়। এজন্য চাই বিশেষ আয়োজন। আর এজন্যই লাইভের বিশেষ ভাবে অজ্ঞ এস এম আমিনুল রুবেল দিয়েছেন কিছু টিপস। নুডলস এর জুস হাতে নিয়ে আপনিও আসুন লাইভে। তবে তার আগে

০১ – লাইভ যাওয়ার আগে মিনিমাম ৫ ঘন্টা সাজুগুজু করুন, কারণ লাইভ এডিট করা যায় না।
০২ – শুদ্ধ কথা আর দুই চারটা ইংলিশ আগেই প্র্যাকটিস করে নিন, নয়তো বা মাঝ পথে “প্যাকের মইদ্দে হাইন্দা যাইবেন কইলাম।”
০৩ – পিছন থেকে আপনার ভাঙা জানালায় শুকাতে দেয়া ছেড়া পেটিকোট আর লুঙ্গিটি সরিয়ে ফেলুন( এতো দিন তো ফার্স্ট ফুড ছাড়া চেক ইন দেননি)।
০৪ – চুল উড়ানোর জন্য ছোট ভাইকে সামনে থেকে হাত পাখা দিয়ে সমানে বাতাস করতে বলুন।
০৫ – শরীর সামনের দিকে ঝুকে বিশেষ অঙ্গ না দেখিয়ে অর্ধেক দেখান, নাহলে আপনার আসল ওজন সম্পর্কে মানুষ ধারণা পেয়ে যাবে।
০৬ – দুই পাশের চুল দিয়ে চেহারা হাফ ঢেকে রাখুন. নতুবা আপনার জাম্বুরার মতো গাল দেখা যাবে যেটা এতো দিন আপনার সেলফিতে ছিল না।
০৭ – হার্ট দুর্বল, এমন বন্ধু ফেইসবুকে থাকলে, তাদেরকে আগেই আনফ্রেন্ড করে দিন, কেউ হার্টফেইল করলে আপনি দায়ী থাকবেন না।
০৮ – আপনি ক্সজুনায়েদ না, কাজেই বার বার চুলে হাত দিবেন না।
০৯ – অতিরিক্ত ঢং করতে যাবেন না, ছেলেরা আড্ডায় সবচেয়ে বেশি পচায় ঢঙ্গি মেয়েদের।
১০ – মেকাপ দিয়ে লাইভ আসার আগে 5 মিনিট বাইরে গিয়ে ঘুরে আসুন, দেখুন আপনাকে আলিফ লায়লার ভুত মনে করে কেউ মূর্ছা গেলো কিনা। তাহলে চোখের মেকাপ একটু কমিয়ে ফেলুন।

রম্য রচনা – এস এম আমিনুল রুবেল

বঙ্গ বাহাদুর হত্যার দায় স্বীকার করল আই এস

ভারত থেকে আসা বঙ্গ বাহাদুর হাতিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ নির্মম হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করা হয়েছে আই এস। মৃত হাতিটির ডি এন এ নমুনা এফ বি আই কে পাঠানো হয়েছে। হাতি গবেষণা কেন্দ্রের মহা সচিব বেগম টুনটুনি জানিয়েছেন, আগামি ৩৬ ঘন্টার মধ্যেই হত্যাকারীদের ধরে আনা হবে।

জাতীয় হাতি রক্ষা কমিটির সভাপতি গজানন্দ আক্ষেপ করে বলেছেন, এটি হাতি বিরোধী দলের চক্রান্ত।

হাতি উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রেসিডেন্ট পাখি চাঁদ এক সংবাদ সম্মেলন কেন্দ্রে বলেছেন, জারা হাতির উন্নয়ন চায় না, তারা হাতিটির বিচি ধরে নাড়াচাড়া করাতে হাতিটি অসুস্থ হয়ে পরে এবং ইহলোক ত্যাগ করেছে।

৮৫ সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে আগামি ৪৮ ঘন্টার মাঝে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

-রম্য রচনা / যুবাইর বিন ইকবাল, প্রেস বাংলাদেশ

ভারত থেকে আসা মশা, ফিরিয়ে নিতে দশ সদস্যের টিম

ভারতের আসাম থেকে একটি মশা বাংলাদেশ সীমান্তে ঢুকে পরে। পরে এটি সাতক্ষীরা, মাগুরা ও বরগুনা ঘুরে বর্তমানে এটি দিনাজপুর এর ভোদামাড়া উপজেলার ধনকামড়া গ্রামে মোহর আলীর বাড়িতে অবস্থান করছে। এ মশার কামড়ে এখন পর্যন্ত বারজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

ভারত থেকে আসা মশা

এদিকে মশাটিকে ফিরিয়ে আনতে দিল্লি থেকে পাঁচজন ও মানালী থেকে পাঁচজন আগামী শনিবার বাংলাদেশে আসছেন। দশ সদস্যের এ টিমের সেনাপতি শ্রী মহেশ্বর কানপুরী রত্নাকর বিভূষণ বন্দ্যপাধ্যায় জানিয়েছেন, যদি কেও মশাটিকে ধরিয়ে দিতে পারে, তাকে ১২ টাকা টিপস দেয়া হবে। দশ সদস্যের এ টিমের প্রত্যেকে এক টাকা করে দিবে। পরে অতিরিক্ত দুই টাকা নিয়ে কোন্দল লেগে যায়। পরে সেনাপতি টিপসের টাকা কমিয়ে ১০ টাকা ঘোষণা করেন। এদিকে মশাটিকে মারতে দিনাজপুরের রাজবাড়ি থেকে কামান নিয়ে এসেছে হোসেন মিয়াঁ ও কুবের।

মশাটির নাম দেয়া হয়েছে “খুনিবন্ধু”

-যুবাইর বিন ইকবাল / রম্যরচনা / প্রেস বাংলাদেশ

Bangladeshi Wedding Photographer

Love

চৌধুরী সাহেব এর মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়ার বহিষ্কার

বেচারা শাফিন আহমেদ, গরীব ঘরের ছেলে। রিকসা চালিয়ে সামান্য কিছু আয় হয়। তা দিয়ে কোনরকমে দিন যায় তার। একদিন বৃষ্টির দিনে তিনি নিয়ে যাচ্ছিলেন চৌধুরী সাহেব এর মেয়ে কায়নাতকে নিয়ে তার কলেজের দিকে। রিকশা চালক শাফিন বৃষ্টিতে ভিজে ভিজেই চালাচ্ছিল। চৌধুরী সাহেব এর মেয়ে হলেও গরীবের প্রতি তার মমতা ছিল তাই তিনি তার ছাতা বাড়িয়ে দিলেন রিকশা চালকের দিকে। ছাতা ধরতে গিয়ে তিনি ভুলে কায়নাত এর হাত ধরে ফেলেন। আর এতেই কায়নাত তার প্রেমে কাত হয়ে পরে।

শুরু হল এক অসম প্রেমের শুরু। কিন্তু ধনীর দুলাল কায়নাতকে পেতে হলেত নিজেকে শিক্ষিত করে তুলতে হবে। তাই শাফিনও শুরু করল পড়াশোনা। কলেজে এসে সে জেনেছে ইউটিউব আর ফেসবুকের কথা। দেখেছে প্রেমের প্রস্তাবের কিছু ভিডিও। তারও ইচ্ছে হল, এরকম কিছু করবে। কিন্তু সাহস হয় না। অবশেষে একদিন সাহস করেই তার নয়জন বন্ধু-বান্ধবকে নিয়ে প্রেমের প্রস্তাব করেই ফেললেন। দুনিয়াকে তোলপাড় করতেই তিনি ভিডিওটি দিয়ে দিলেন অনলাইনে। যথারীতি কলজের অধ্যক্ষ তা দেখে ফেলেছেন। কিন্তু তিনি তা মানতে পারলেন না। সুন্দরী চৌধুরী সাহেব এর মেয়েকে যে তিনি পছন্দ করে রেখেছিলেন নিজের ছেলে ডাবলুর জন্য। আর তাই পাড়ার মাস্তান ডাবলুর তার বাবাকে দিয়ে সবাইকেই খেয়ে দিতে নির্দেশ দিলেন। তিনিও সবাইকে খেয়ে দিলেন।

-প্রেস বাংলাদেশ/রম্য রচনা/যুবাইর বিন ইকবাল

Bangladeshi Wedding Photographer

Dane

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে জুলহাসকে

কলাবাগানে নিজের বাসভবনে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে জুলহাসকে। জুলহাস ছিলেন রুপবান পুরুষ। তাকে অনেকদিন ধরেই সমকামী প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল হত্যাকারীদের একজন। কিন্তু রুপবান পুরুষ জুলহাস তার প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এতে রেগে যান হত্যাকারী। এরপর দলবল নিয়ে জুলহাসের বাসায় এসে প্রথমে তাকে গণধর্ষণ করা হয় এবং পরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে এফ বি আই। আর এ প্রতিবেদনে উন্মোচিত হল জুলহাস হত্যা রহস্য। এফ বি আই এর ডাক্তার মিঃ র‍্যামেন্ডু সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ধর্ষণ এর পরেই তাকে হত্যা করা হয়েছে, তাই তার রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, আর এতে জুলহাসের শরীরের ভিতরে ৭ জন ব্যক্তির শুক্রাণু পাওয়া যায়। এ থেকে ওই ৭ জন এর ডি এন এ সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ডি এন এ প্রতিবেদন তিনি বাংলাদেশে মেইল করেছেন। প্রথমে তারা নিজেরাই চেয়েছিলেন পুর্ন তদন্ত করতে, কিন্তু নিরাপত্তা ব্যবস্থা আমেরিকার চেয়েও বাংলাদেশে ভাল হওয়ায় এফ বি আই বাংলাদেশ পুলিশকে দায়িত্ব দিয়ে দেয়।

বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা বাসা এ ডি এন এ রিপোর্ট অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট ক্যামেরায় পাঠিয়ে দেয় এবং স্যাটেলাইট ক্যামেরা তাদের ট্রেস করতে সক্ষম হয়। পরে তাদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করে। কিন্তু ধর্ষণের ভয়ে কোন পুরুষ পুলিশ তাদের সাথে নেই, বরং তাদের পাহাড়া দেবার জন্য নারী পুলিশ নিয়োগ দেয়া হয়।

তবে তদন্তের কারণে পুলিশ তাদের ছবি প্রকাশ করে নি। পুর্ণ তদন্ত হলে সংবাদ সম্মেলনের আয়জন করে সবাইকে জানিয়ে দেবে।

সমকামী গায়ক এলটন জন ও জর্জ মাইকেল এ সাতজন ব্যক্তির উপযুক্ত বিচার চেয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন শেখ হাসিনা এদের সঠিক বিচার করবেন। তারা আগামি মাসে জয় এর সাথে এক বৈঠকের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। প্রয়োজনে তারা মার্কিন উকিল নিয়োগ দেবে ও এর সকল ব্যয় বহন করবে।

এ হত্যার সঠিক বিচার না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সমকামী অধিকার সংস্থা ঈদের পরে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে।

-প্রেস বাংলাদেশ/রম্য রচনা/যুবাইর বিন ইকবাল

Bangladeshi Wedding Photographer

Press Bangladesh

রম্যলেখক আইনস্টাইন

আইনস্টাইন যদি বোরিং বিজ্ঞানী না হয়ে রম্যলেখক হতেন তখন তার আপেক্ষিকতার তত্ত্ব গুলো হত কিছুটা এমন :-
আমি যদি ফেসবুকে ৫ ঘণ্টা ধরে অনলাইন থাকি, তবে আমার মনে হবে যেন আমি মাত্র ৫ মিনিট ধরে অনলাইনে আছি। কিন্তু যদি পাঠ্যপুস্তকের সামনে আমি ৫ মিনিটও বসে থাকি, তাহলে আমার মনে হবে যেন আমি অনন্তকাল ধরে বসে আছি!
অর্থাৎ সময় পরম নয় সময় আপেক্ষিক।
ধরা যাক, একজন পরীক্ষার্থী তার অবস্থানে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে,ঠিক তখন সে ঘড়িতে সময় দেখছে , আর পরীক্ষক রুমের এক পাশ থেকে অপর পাশে চলন্ত অবস্থায় গার্ড দিতে দিতে ঘড়ি দেখছে। চলন্ত পরীক্ষকের ঘড়ি, স্থির পরীক্ষার্থীর ঘড়ির চেয়ে ধীরেধীরে টিক্ পরিমাপ করে। পরীক্ষক মনে মনে চিন্তা করে “সময় যেন কাটেনা বড় বোরিং বোরিং লাগে। আর পরীক্ষার্থী মনে মনে চিন্তা করে “এ সময় যদি না শেষ হয় তবে কেমন হত তুমি বলতো” চলন্ত অবস্থায় শিক্ষকের ঘড়ি ধীরে চলছে বলে মনে হবে আর স্থির অবস্থানে বসে থাকা পরীক্ষার্থীর ঘড়ি দ্রুত চলছে বলে মনে হবে। এটাকেই কাল দীর্ঘায়ন (Time Dilation) বলে। সময়ও আপেক্ষিকতা তত্ত্ব মেনে চলে।
অতএব, সময় পরম বা ধ্রুব নয়, সময় হচ্ছে আপেক্ষিক।
আবার ধরা যাক, তুমি সারারাত ফেসবুক চালানোর পর সকালে পরীক্ষা দিতে গিয়ে প্রশ্ন হাতে পেয়ে ভ্যাবাচেকা খেয়ে বসে আছো, তুমি যখন কিছুই পারছনা তোমার সামনের বন্ধুটি ১০০ ওয়ার্ড পার মিনিটে লিখে যাচ্ছে, তুমি তাকে দেখানোর জন্য আকুতি করলেও তার কোন ভ্রুক্ষেপ হচ্ছেনা। পরীক্ষার শুরুতে তোমার মনের যতটুকু দৈর্ঘ্য জুড়ে তার জন্য বন্ধুত্বসুলভ অনুভূতি ছিল পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে তার গতিশীল বিরতিহীন লেখার জন্য সেই অনুভূতি সংকুচিত হতে শুরু করল। বন্ধুকে চির শত্রু মনে হতে শুরু করল। তার লেখার গতি বৃদ্ধি পেলে তোমার মনে বন্ধুত্বসুলভ অনুভূতি কমতে থাকে। এই প্রভাবকেই দৈর্ঘ্য সংকোচন (Length contraction) বলে।
স্থান আর কাল বা সময়ের আপেক্ষিকতার ব্যাপারটা সবাই মেনে নিলেও ভরের আপেক্ষিকতার কথায় হয়তবা অনেকেই ভ্রু কুচকে ফেলবেন। অনেকেই হয়ত প্রশ্ন করবেন, “এ আবার কেমন কথা? ভর ধ্রুবক না তো কী?? ভর কী পরিবর্তন হয় নাকি?” হ্যা, ভরও আসলে ধ্রুবক নয়, আপেক্ষিক এবং শক্তিতে রূপান্তরযোগ্য।
ভর এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। অর্থাৎ কোনো পদার্থের ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করা যায়, আবার শক্তিকেও ভরে রূপান্তর করা যায়।
নির্মল স্যারের বাম হাত যার ভর সাড়ে দুই কেজি colonthree emoticon সেটি কোন ছাত্রের কানের নিচে এসে থাপ্পড়ে পরিণত হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে সেই সাড়ে দুই কেজি হাতে চারশ বিশ কিলোজুল শক্তি সঞ্চিত হয়। থাপ্পড় যখন কানের নিচে স্থাপিত হয় তখন সেই কানের নিচ ভারি হয়ে যায়। এখানে চারশ বিশ কিলোজুল শক্তি ভরে পরিণত হয়ে নির্দিষ্ট ছাত্রের কান ভারি করে একটি তীক্ষ্ণ শব্দের সৃষ্টি করে, আমরা জানি শব্দ এক প্রকার শক্তি। অর্থাৎ ভর কে প্রথমে শক্তিতে এবং সেই শক্তিকে পুনরায় ভরে রুপান্তরিত করা সম্ভব ( E=mc2)
-কুদরতি ইসলাম

Bangladeshi Wedding Photographer