ইতিহাস কখনো কখনো কিছু মানুষকে বেছে নেয়—যাদের জীবন শুধু ব্যক্তিগত থাকে না, সময়ের ভার তাদের কাঁধে এসে পড়ে। জিয়াউর রহমান ছিলেন তেমনই একজন মানুষ। তাঁর জীবন কোনো সরল রেখায় চলেনি; তা ছিল বাঁক, সংঘাত, নীরবতা আর হঠাৎ সিদ্ধান্তে ভরা এক দীর্ঘ যাত্রা। সৈনিকের শৃঙ্খলা, বিপ্লবীর সাহস আর রাষ্ট্রনায়কের দায়িত্ব—এই তিনটি সত্তা একসঙ্গে বহন করেছেন তিনি। ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি। উত্তরবঙ্গের মাটি, বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাটকামারী গ্রাম। এই মাটির বুকেই জন্ম নিল এক শিশু—যে তখন জানত না, ভবিষ্যতে একটি দেশের ইতিহাস তার নামের সঙ্গে জড়িয়ে যাবে। তাঁর পিতা মনসুর রহমান ছিলেন…
Read MoreDay: January 27, 2026
জিয়াউর রহমান: এক বীরের গল্প
১৯৭১ সালের মার্চ। বাতাসে বারুদের গন্ধ, শহর জুড়ে আতঙ্ক। ঢাকার রাজপথে ট্যাংকের শব্দ, আর মানুষের চোখে শুধু একটাই প্রশ্ন— আমরা কি বাঁচব? সেই সময় চট্টগ্রামে এক বাঙালি সেনা অফিসার নিঃশব্দে সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলেন জীবনের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। তাঁর নাম মেজর জিয়াউর রহমান। তিনি জানতেন, এই মুহূর্তে নিরপেক্ষ থাকা মানে অন্যায়ের পাশে দাঁড়ানো। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পোশাক তাঁর শরীরে থাকলেও, হৃদয়ে ছিল বাংলা মায়ের ডাক। ২৫ মার্চের গণহত্যার খবর যখন চট্টগ্রামে পৌঁছায়, তখন আর কোনো দ্বিধা রইল না—এই যুদ্ধ এড়ানো যাবে না। ২৬ মার্চের অন্ধকার রাত। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র। চারদিকে উৎকণ্ঠা, যে কোনো…
Read Moreআগুনের ভেতর জন্ম নেওয়া এক বীর: জিয়াউর রহমান
মার্চের সেই দিনগুলোতে বাংলার আকাশ ভারী হয়ে উঠেছিল। বাতাসে ছিল আতঙ্কের চাপা গুঞ্জন, মানুষের চোখে জমে উঠেছিল প্রশ্ন আর আশঙ্কা। রাত নামলেই শহর আর গ্রাম কেঁপে উঠত বুটের শব্দে। অন্ধকারের বুক চিরে ভেসে আসত কান্না, আর রক্তের গন্ধে নিঃশ্বাস ভারী হয়ে যেত। ঠিক সেই সময়, চট্টগ্রামের এক কোণে, একজন মানুষ নিজের ভেতরের ভয়কে স্তব্ধ করে শুনছিলেন ইতিহাসের ডাক। তিনি জানতেন—নীরবতা মানে পরাজয়। তাঁর নাম মেজর জিয়াউর রহমান। ২৫ মার্চের সেই বিভীষিকাময় রাতের পর আর কোনো দ্বিধা রইল না। পাকিস্তানি সামরিক শাসনের অধীনে থাকা এক বাঙালি অফিসার সিদ্ধান্ত নিলেন—এই অস্ত্র আর…
Read More