সেরা ফটোগ্রাফারের পুরস্কার পেলেন যুবাইর বিন ইকবাল

হোটেল ম্যানেজমেন্ট এন্ড টুরিজ্যম ফেডারেশন প্রতিবছরের ন্যায় এ বছর একজন ফটোগ্রাফারকে সেরা ফটোগ্রাফারের পুরস্কার প্রদান করে থাকেন, আর এ বছর এ পুরস্কার পেয়েছেন, ফটোগ্রাফার যুবাইর বিন ইকবাল। দশ বছর ধরে তিনি ফটোগ্রাফি করছেন, এ সময়ে তিনি অর্জন করেছেন একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার এবং প্রায় দু শতাধিক আন্তর্জাতিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তার ছবি।

photographer
সেরা ফটোগ্রাফারের পুরস্কার গ্রহণ করছেন যুবাইর বিন ইকবাল
ছবিঃ শেখ রিয়াজ

দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ

একবার সংখ্যা ৯, ৮- কে জোরে
এক থাপ্পড় মারল
তখন কাঁদতে কাঁদতে ৮ জিজ্ঞাসা করল,
“আমাকে মারলে কেন???”
৯ বলল আমি বড় তাই মেরেছি
এ কথা শুনে ৮, ৭- কে জোরে এক থাপ্পড় বসিয়ে দিল
৭ যখন ওকে মারার কারণ জানতে চাইল,
৮ ও বলল, “আমি বড় তাই মেরেছি”
একই অজুহাত দেখিয়ে,
এরপর ৭, ৬-কে
৬, ৫-কে
৫, ৪-কে
৪, ৩-কে
৩, ২-কে
আর ২, ১-কে মারল
হিসাব মত ১-এর শূণ্যকে মারা উচিত
কিন্তু “১” মারল না
মারা তো দূরের কথা
ও ভালোবেসে শূণ্যকে নিজের পাশে বসিয়ে নিল
দুজনে মিলে “১০” হল
তারা তখন ৯-এর থেকেও বেশী শক্তিশালী হয়ে গেল
তারপর থেকে “১০” কে সবাই সন্মান করতে শুরু করল
মোরালঃ ছোট ছোট কারণে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লড়াই না করে
ব্যক্তিগত অহঙ্কার দূরে সরিয়ে
আমরা যদি একে অন্যের হাতটা ধরতে পারি
আমাদের শক্তি বহুগুণ বেড়ে যাবে

– সাবিকুন নাহার মারিন

ভারতের সরকারের আমন্ত্রণে ভারতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল

President of India
ভারতের সরকারের আমন্ত্রণে প্রেসিডেন্ট ভবনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল

গিয়েছিলাম, ভারতের সরকারের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে।

যাত্রা শুরু করি ৪ই ডিসেম্বর সকাল ৮টায়।৪টা রাজ্য ভ্রমণ করি পুলিশ প্রোটকল এ। দিল্লী -আগ্রা-গুজরাট-কলকাতা।১১তারিখ দেশে ফিরি। দেখেছি ও জেনেছি ভারতের ঐতিহ্য ও ইতিহাস। সবসময়ে সাথে ছিল পুলিশ প্রোটকল।

০৪ই ডিসেম্বরঃ দিল্লী মিউজিয়াম ও দিল্লী গেট
০৫ই ডিসেম্বরঃ রেড ফোর্ট, শাহী জামে মসজিদ, বিকেলে প্রেসিডেন্ট ভবনে আমন্ত্রণ, উপস্থিত ছিলেন যুব মন্ত্রি, প্রেসিডেন্ট ভবনে পেয়েছি ভিয়াইপি সংবর্ধনা। দুই দেশের ত্রুন্দের একসাথে কাজ করার আহবান জানান তিনি।
০৬ই ডিসেম্বরঃ আগ্রা গমন ও তাজমহল,আগ্রা ফোর্ট
০৭ই ডিসেম্বরঃ মহত্মা গান্ধির সমাধি, কুতুব মমিনার ও বিকেলে গুজড়াটের উদ্দেশ্য গমন
০৮ই ডিসেম্বরঃ গুজ্রাট ইঞ্জিয়ার ইউনিভারসিটি তে আমন্ত্রণ, সেখানে দুই দেশের সাংস্কৃতিক মিল বন্ধন হয়, আমরা আমাদের দেশের গান, নাচ, কবিতা পরিবেশনা করি, আমিও ছিলাম গানের দলে।
০৯ই ডিসেম্বরঃ মহত্মা গান্ধির আশ্রম ডান্ডি কুঠির এ যাই।
১০ই ডিসেম্বরঃ কলকাতা যাত্রা, ভিক্টোরিয়া পার্ক, ইডেন গার্ডেন ও হাওয়া ব্রিজ।
১১ই ডিসেম্বরঃ কবি গুরু রবি ঠাকুরের বাড়ি, জোড়াসাঁকো রাজবাড়ি দশন,মনে হচ্ছিল চোখের সামনে রবিঠাকুর কে দেখছি।

রাত এ দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হই। পুরো টুরে প্রোটকল সহ রাষ্টিয় অথিতির মর্যাদা দেয়া হয়। স্বপ্নের মত ছিল এই ৮দিন। লাল -সবুজ, ভালোবাসার রঙ এর শাড়ি পরেছিলাম প্রেসিডেন্ট এর সাথে সাক্ষাত করতে।লাল-সবুজ আমার অহংকার। বিজয়ের মাসে নিজের দেশের প্রতিনিধি হয়ে যেতে পেরে আমি গর্বিত।

ভালোবাসার বাংলাদেশ। লাল-সবুজ আমার অহংকার।

খুব কড়া শাসনে বড় হয়েছি তাই,ঢাকার বাইরে পরিবার ছাড়া কখনওই যাওয়া হয়নি আমার। তাই এই টুর টা আমার জীবিন্স স্মরণীয়। যে মেয়ে বাড়ির বাইরে একা কোন্দিন পা রাখে নি সে গিয়েছে তার দেশের প্রতিনিধি হয়ে।

-বর্ষা
রেডিও প্রেসেন্টার
University of liberal Arts Bangladesh (ULAB)

Cricket

বি পি এল ২০১৬ চ্যাম্পিয়ন ঢাকা ডায়নামাইটস

অভিনন্দন ঢাকা ডায়নামাইটস

বি পি এল ২০১৬ এর চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকা ডায়নামাইটস। ফাইনাল ম্যাচে রাজশাহীকে ৫৬ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত করে। আর এ জয়ের ফলে প্রথম চার আসরের মাঝে মোট ৩ বার চ্যাম্পিয়ন হল। টস জয় লাভ করে রাজশাহী অধিনায়ক ঢাকাকে ব্যাটিং করতে পাঠায়। তাদের বোলাররা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট নিতে পারলেও রানের গতি কখনই আটকে রাখতে পারে নি। আর এ কারণে ১৫৯ রানের লড়াকু সংগ্রহ এনে দেয় ঢাকার ব্যাটসম্যানরা। ঢাকা দলের লুইস করেন ৪৫ রান, মাত্র ৩১ বল খেলে।

ঢাকার বোলাররা দাড়াতেই দেয় নি রাজশাহীর ব্যাটসম্যানদের। ৫.৮৩ গড়ে রান তুলেছে। ১৭.৪ ওভারেই ১০৩ রানেই সমাপ্ত হয় তাদের ইনিংস। সাকিব দুটি উইকেট লাভ করেন। এ ছাড়াও জায়েদ ও সাঞ্জামুল দুটি করে উইকেট পান। রাজশাহীর মমিনুল করেন সর্বচ্চ ২৭ রান ৩০ বল খেলে। মাত্র ৩ জন ব্যাটসম্যান দু অঙ্ক স্পর্শ করেন। তাছাড়া আর কেউই কিছুই করতে পারে নি।

ম্যান অফ দা ম্যাচ হয়েছেন ঢাকা ডায়নামাইটস এর কুমার সাঙ্গাকারা। এর সিরিজ সেরা হয়েছেন মাহমুদুল্লাহ।

ওয়েডিং গ্যালেরি এর শিশু উন্নয়ন তহবিল

wedding-photography

বাংলাদেশের স্বনামধন্য ওয়েডিং ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠান ওয়েডিং গ্যালেরি দরিদ্র শিশুদের উন্নয়নের জন্য একটি ফান্ড গঠন করছে। এখন থেকে প্রতিটি প্রোগ্রামের লভ্যাংশ থেকে অর্জিত টাকার ১৫ শতাংশ টাকা গরীব শিশুদের জন্য ব্যয় করা হবে। এ কথা জানিয়েছেন ওয়েডিং গ্যালেরি এর সিইও এবং প্রধান ফটোগ্রাফার যুবাইর বিন ইকবাল

Poverty

ম্যানেজিং ডিরেক্টর সামিয়া আফরিন জানিয়েছেন, আপাতত এ অর্থ শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য ব্যয় করা হবে। পরবর্তীতে আরও কিছু খাত যুক্ত করা হবে।

এ ছাড়া যে কেও যে কোন পরিমাণ অর্থ ওয়েডিং গ্যালেরি ফান্ডে জমা দিতে পারেন। একটি বিক্যাশ একাউন্ট উন্মুক্ত করা হয়েছে। +88 01714 332 553 (Personal Number)

ওয়েডিং গ্যালেরি
সড়কঃ শের এ বাংলা সড়ক
রায়েরবাজার, ঢাকা ১২০৯

+88 01714 332 553
www.jbigallery.com

Wedding Photography
© ওয়েডিং গ্যালেরি