ভারতে গো মাংস খাওয়ার কারণে মুসলিম মহিলাকে গণধর্ষণ করল হিন্দু সম্প্রদায়

এক নারীকে গণধর্ষণ করল হিন্দু সম্প্রদায় এর লোকজন। ভারত এর মেওয়াত এলাকায় এই লোমহর্ষক ঘটনাটি গটে। এর কারণ ঐ নারী গরু মাংস খেয়েছে। শুধু গণধর্ষণ করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি। তার ১৪ বছরের ভাইকেও আহত করেছে। এ সময়ে তাদের বাচাতে এগিয়ে আসেন তার বৃদ্ধ চাচা। এতে ঐ নারীর চাচাকে হত্যা করে তারা। প্রথমে পুলিশ কোন মামলা নিতে চায় নি। পরে অন্যান্য মুসলিমদের চাপের মুখে যৌন হয়রানির মামলা দাখিল করতে চায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ক্রমাগত চাপের মুখে হত্যা মামলা নেয় পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করেছে। এ বর্বর সংবাদটি প্রথমে প্রকাশ করে ব্রিটিশ পত্রিকা ইনডেপেনডেন্ট

India Map

এর আগেও ভারতে গো মাংস খাওয়ার কারণে অনেক মহিলাকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। কিন্তু ভারতীয় প্রশাসন এ ব্যাপারে বরাবরই নীরব থেকে এসেছে। ভারতে গরুকে হিন্দু ধর্মের অনুসারীরা পুজা ও ভক্তি করেন। কিন্তু ইসলাম ধর্মমতে একজন মানুষ গোমাংস খেতেই পারে। ধর্মনিরপেক্ষ রাস্ট্র হিসাবে ভারতে সকল ধর্মের লোকজন এর সমান অধিকার রয়েছে নিজ নিজ ধর্ম পালন করার।

২০১৬ সালে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি গো মাংস রপ্তানি করেছে ভারত। ভারত এর পরেই রয়েছে ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়া। যে দেশে আইন করে গরু হত্যা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেদেশ সবচেয়ে বেশি গোমাংস রপ্তানি করে, এমন বিচিত্র পরিসংখ্যান হয়ত খুব দুর্লভ।

১৫ দিনের প্রশিক্ষণে দক্ষ গেমস ডেভেলপার তৈরির উদ্যোগ! ব্যয় ২৮২ কোটি টাকা

পনের দিনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সুদক্ষ মোবাইল গেমস ও অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। আট হাজার সাতশ পঞ্চাশজন ডেভেলপার তৈরি এবং এক হাজার পঞ্চাশটি অ্যাপ্লিকেশন ও গেমস তৈরির জন্য দুই বছর মেয়াদী এই প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। তবে মাত্র পনের দিনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজন ডেভেলপারকে কতটুকু দক্ষ করে তোলা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে বিভিন্ন মহল থেকে।

তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এত কম সময়ে এটা কখনও সম্ভব নয়। এর আগেও সরকার ছয়শ মোবাইল অ্যাপস তৈরি করার পর রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারেনি। প্রযুক্তিবিদ যুবাইর বলেছেন, সরকার এ উদ্যোগ খুবি ভাল, কিন্তু এর বাস্তবায়ন কতটুকু সম্ভব, তা একমাত্র সময় বলে দেবে। এই প্রকল্পের আওতায় অ্যাপসগুলো রাখার জন্য পঞ্চাশ লাখ টাকা দিয়ে একটি অ্যাপস্টোর তৈরির কথা বলা হয়েছে। তবে এর আগেও দেশীয় অ্যাপসস্টোর তৈরি করেছে সরকার, যেটি কোনো কাজেই আসেনি। এতে নতুন করে আবারও পঞ্চাশ লাখ টাকা ব্যয়ে স্টোর তৈরি বিলাসিতা ছাড়া আর কিছু নয় বলে মনে করছে দেশীয় তথ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো।

টনি’র কিচেনে বৈশাখী মিলনমেলা ও বাংলা খাবারের মেলা

তিনি টনি খান, বাংলাদেশ এর সেরা শেফদেরই একজন। ধানমণ্ডি ২৭ এ রয়েছে তার স্বপ্নের কিচেন। প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ কিচেনে তিনি প্রায়ই আয়োজন করেন বিভিন্ন উৎসবের। বরাবরের মত এবারও আয়োজন করেছিলেন বৈশাখী মিলনমেলা। আর এখানে উপস্থিত হয়েছিলেন বাংলাদেশ এর স্বনামধন্য ফটোগ্রাফার যুবাইর বিন ইকবাল, সিগনেচার রেস্টুরেন্ট এর মালিক শাহাবুদ্দিন, বিখ্যাত নারী শেফ নাফিজ ইসলাম লিপি সহ আরও অনেকেই।

অথিতিদের বরণ করে নেয়ার জন্য ছিলেন TKCI এর প্রধান বিপণন অফিসার মাহবুব আমিন নাহিয়ান এবং TKCI এর ছাত্রীরা।

hilsha fish
TKCI এর ছাত্র ছাত্রীদের হাতে তৈরি করা ইলিশ মাছ এর ভাজি
ছবিঃ যুবাইর বিন ইকবাল

উৎসবে নিমন্ত্রিত অথিতিদের জন্য রান্না করেছিলেন শেফ টনি খান এর ছাত্র-ছাত্রীরা। অথিতিদের ওয়েলকাম ড্রিঙ্কস হিসাবে রাখা হয়েছিল কাঁচা আমের টক-মিস্টি শরবত। তারা তৈরি করেছিলেন মুখরোচক বাংলা খাবার। আর পরিবেশনায় ছিল আধুনিকতার ছোঁয়া। এ সকল খাবারের মাঝে ছিল পান্তা ভাত, ইলিশ মাছ, ডাল ভর্তা, আলু ভর্তা, বেগুন ভাজি, ডিম ভাজি, মুগের ডাল, মাছের কালিয়া, নানান ধরণের চাটনি ইত্যাদি। তৈরি করা হয়েছিল বিশেষ ধরণের স্বচ্ছ নকশী কেক।

বৈশাখী খাবার
TKCI এর ছাত্র ছাত্রীদের হাতে তৈরি করা ডাল ভর্তা
ছবিঃ যুবাইর বিন ইকবাল

এ ছাড়াও অথিতিদের মনোরঞ্জন করে টনি খান ব্যবস্থা করেছিলেন, বাউল গান।

সেরা ফটোগ্রাফারের পুরস্কার পেলেন যুবাইর বিন ইকবাল

হোটেল ম্যানেজমেন্ট এন্ড টুরিজ্যম ফেডারেশন প্রতিবছরের ন্যায় এ বছর একজন ফটোগ্রাফারকে সেরা ফটোগ্রাফারের পুরস্কার প্রদান করে থাকেন, আর এ বছর এ পুরস্কার পেয়েছেন, ফটোগ্রাফার যুবাইর বিন ইকবাল। দশ বছর ধরে তিনি ফটোগ্রাফি করছেন, এ সময়ে তিনি অর্জন করেছেন একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার এবং প্রায় দু শতাধিক আন্তর্জাতিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তার ছবি।

photographer
সেরা ফটোগ্রাফারের পুরস্কার গ্রহণ করছেন যুবাইর বিন ইকবাল
ছবিঃ শেখ রিয়াজ

দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ

একবার সংখ্যা ৯, ৮- কে জোরে
এক থাপ্পড় মারল
তখন কাঁদতে কাঁদতে ৮ জিজ্ঞাসা করল,
“আমাকে মারলে কেন???”
৯ বলল আমি বড় তাই মেরেছি
এ কথা শুনে ৮, ৭- কে জোরে এক থাপ্পড় বসিয়ে দিল
৭ যখন ওকে মারার কারণ জানতে চাইল,
৮ ও বলল, “আমি বড় তাই মেরেছি”
একই অজুহাত দেখিয়ে,
এরপর ৭, ৬-কে
৬, ৫-কে
৫, ৪-কে
৪, ৩-কে
৩, ২-কে
আর ২, ১-কে মারল
হিসাব মত ১-এর শূণ্যকে মারা উচিত
কিন্তু “১” মারল না
মারা তো দূরের কথা
ও ভালোবেসে শূণ্যকে নিজের পাশে বসিয়ে নিল
দুজনে মিলে “১০” হল
তারা তখন ৯-এর থেকেও বেশী শক্তিশালী হয়ে গেল
তারপর থেকে “১০” কে সবাই সন্মান করতে শুরু করল
মোরালঃ ছোট ছোট কারণে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লড়াই না করে
ব্যক্তিগত অহঙ্কার দূরে সরিয়ে
আমরা যদি একে অন্যের হাতটা ধরতে পারি
আমাদের শক্তি বহুগুণ বেড়ে যাবে

– সাবিকুন নাহার মারিন

ভারতের সরকারের আমন্ত্রণে ভারতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল

President of India
ভারতের সরকারের আমন্ত্রণে প্রেসিডেন্ট ভবনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল

গিয়েছিলাম, ভারতের সরকারের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে।

যাত্রা শুরু করি ৪ই ডিসেম্বর সকাল ৮টায়।৪টা রাজ্য ভ্রমণ করি পুলিশ প্রোটকল এ। দিল্লী -আগ্রা-গুজরাট-কলকাতা।১১তারিখ দেশে ফিরি। দেখেছি ও জেনেছি ভারতের ঐতিহ্য ও ইতিহাস। সবসময়ে সাথে ছিল পুলিশ প্রোটকল।

০৪ই ডিসেম্বরঃ দিল্লী মিউজিয়াম ও দিল্লী গেট
০৫ই ডিসেম্বরঃ রেড ফোর্ট, শাহী জামে মসজিদ, বিকেলে প্রেসিডেন্ট ভবনে আমন্ত্রণ, উপস্থিত ছিলেন যুব মন্ত্রি, প্রেসিডেন্ট ভবনে পেয়েছি ভিয়াইপি সংবর্ধনা। দুই দেশের ত্রুন্দের একসাথে কাজ করার আহবান জানান তিনি।
০৬ই ডিসেম্বরঃ আগ্রা গমন ও তাজমহল,আগ্রা ফোর্ট
০৭ই ডিসেম্বরঃ মহত্মা গান্ধির সমাধি, কুতুব মমিনার ও বিকেলে গুজড়াটের উদ্দেশ্য গমন
০৮ই ডিসেম্বরঃ গুজ্রাট ইঞ্জিয়ার ইউনিভারসিটি তে আমন্ত্রণ, সেখানে দুই দেশের সাংস্কৃতিক মিল বন্ধন হয়, আমরা আমাদের দেশের গান, নাচ, কবিতা পরিবেশনা করি, আমিও ছিলাম গানের দলে।
০৯ই ডিসেম্বরঃ মহত্মা গান্ধির আশ্রম ডান্ডি কুঠির এ যাই।
১০ই ডিসেম্বরঃ কলকাতা যাত্রা, ভিক্টোরিয়া পার্ক, ইডেন গার্ডেন ও হাওয়া ব্রিজ।
১১ই ডিসেম্বরঃ কবি গুরু রবি ঠাকুরের বাড়ি, জোড়াসাঁকো রাজবাড়ি দশন,মনে হচ্ছিল চোখের সামনে রবিঠাকুর কে দেখছি।

রাত এ দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হই। পুরো টুরে প্রোটকল সহ রাষ্টিয় অথিতির মর্যাদা দেয়া হয়। স্বপ্নের মত ছিল এই ৮দিন। লাল -সবুজ, ভালোবাসার রঙ এর শাড়ি পরেছিলাম প্রেসিডেন্ট এর সাথে সাক্ষাত করতে।লাল-সবুজ আমার অহংকার। বিজয়ের মাসে নিজের দেশের প্রতিনিধি হয়ে যেতে পেরে আমি গর্বিত।

ভালোবাসার বাংলাদেশ। লাল-সবুজ আমার অহংকার।

খুব কড়া শাসনে বড় হয়েছি তাই,ঢাকার বাইরে পরিবার ছাড়া কখনওই যাওয়া হয়নি আমার। তাই এই টুর টা আমার জীবিন্স স্মরণীয়। যে মেয়ে বাড়ির বাইরে একা কোন্দিন পা রাখে নি সে গিয়েছে তার দেশের প্রতিনিধি হয়ে।

-বর্ষা
রেডিও প্রেসেন্টার
University of liberal Arts Bangladesh (ULAB)