Follow Me

ঢাকা বলতেই আমাদের চোখের সামনে যেসব বিষয়গুলো ভেসে আসে – অনেক দালানকোঠা, ট্রাফিক জ্যাম, মানুষ, রিকশা, হইচই আরও বিভিন্ন নেতিবাচক ব্যাপারগুলো। অথচ এসবের বাইরেও ঢাকার একটা আলাদা রূপ আছে, আছে রঙ, সাথে ঢং। ঢাকা শহরে জন্ম হয়ে বেড়ে ওঠা প্রজন্মের কাছে ঢাকার মায়াটা অনেকটাই অন্য রকম।

আলোকচিত্রী মোজতবা নাদিমকে অনুসরণ করলে অনুভব করা যেতে পারে সেই রূপ, সেই রঙ আর সেই ঢং। তিনি তার ক্যামেরায় তুলে ধরেছেন রহস্যময় এ ঢাকা শহরকে তার মনের মাধুরী মিশিয়ে।

Shahid Minar
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
 Bangladesh Shilpokola Academy
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
Japan Garden City, Mohammadpur
জাপান গার্ডেন সিটি
Kite festival of Old Dhaka
পুরান ঢাকা
Sadarghat
সদরঘাট
Martyred Intellectuals Memorial
রায়েরবাজার বধ্যভুমি
Fuller Road
ফুলার রোড
Nirjhor Residential Area
নির্ঝর আবাসিক এলাকা
Gulistan
গুলিস্তান
Farmgate
ফার্মগেঁট
Dhanmondi Lake
ধানমন্ডি লেক

কাজী মুশফিক

Kazi Mushfiq
কাজী মুশফিক

অসাধারণ একটি ছবি দিয়ে একজন দর্শককে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখা যায়। তাকে নিয়ে যাওয়া যায় কল্পনার একটি জগতে। যেখানে তিনি বিচরণ করেন ঐ স্থানে। এন্সেল এডামস, স্টিভ ম্যাককারি, জি এম বি আকাশ এদের হাত ধরে তরুণরাও সে পথে উঠে আসছে। তারা রাখছে তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর। এরকমই একজন বাংলাদেশী তরুণ কাজী মুশফিক হোসেন। সেলফোন ক্যামেরা দিয়ে যার শুরু হয়েছিল রহস্যময় এ জগতে যাত্রা। এরপর হাতে পান ক্যানন ই ওস ৫৫০ ডি ক্যামেরা। মূলত ট্রাভেল ও স্ট্রিট ফটোগ্রাফি করেন তিনি। সময় পেলেই ঘুরতে বেরিয়ে পড়েন সাথে তার প্রিয় ক্যামেরা।

Hanging Passenger
© কাজী মুশফিক

স্মৃতির পাতায় বিচরণ করে তিনি বলেন, “ছবি তোলার একদম আগের কথা। একবার এয়ারটেল একটা লাইক কন্টেস্ট আয়োজন করেছিল। ছবি ভাল থাকা সত্ত্বেও আমার ছবি এক্সিবিশনের জন্য নির্বাচিত হয়নি। এক্সিবিশনে যেয়ে মন খারাপ হয়েছিল। তখন একটা জেদ কাজ করেছিল। এমন একদিন আসবে আমার ছবি সবাই দেখবে। তখন ছোট ছিলাম । জেদটা কিন্তু বিফল এ যায়নাই। হাহা”

Photography
© কাজী মুশফিক

তার প্রথম পুরষ্কার ছিল পিউপ্ল’স চয়েস এওয়ার্ড ই ৩৬০ ফটোগ্রাফী কন্টেস্ট এ। স্মৃতির পাতায় আজীবন ধরে রাখার মত একটি মুহুর্ত সেটি।

তার অধিকাংশ ছবিতে ওয়াইড এঙ্গেল লেন্স এর ব্যবহার দেখা যায়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এতে কম্পোজিশন নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করা যায়। তবে কাজটা বেশ কঠিন। তার আলোচিত অধিকাংশ ছবি গুলোতে তিনি ব্যবহার করেছেন ওয়াইড এঙ্গেল লেন্স এবং এ ছবিগুলোর জন্য তিনি পেয়েছেন আন্তর্জাতিক পরিচিতি ও পুরষ্কার।

তার অর্জিত উল্লেখযোগ্য পুরষ্কারসমূহ হচ্ছে, হিউম্যানিটি ফটো ২০১৫ এর পারফরম্যান্স পুরষ্কার, সনি ওয়ার্ল্ড পুরস্কার এর বাংলাদেশ থেকে তৃতীয়, সেনোভেসন এর প্রথম পুরষ্কার। এছারাও তিনি আরও প্রায় দশটি পুরষ্কার পেয়েছেন।

Happiness
© কাজী মুশফিক

প্রতিশ্রুতিশীল এ তরুণ ফটোগ্রাফার এর সাথে ফটোগ্রাফারদের প্রাণের স্থান দৃক গ্যালেরিতে এক আড্ডায় ছিলেন প্রেস বাংলাদেশ প্রতিবেদক যুবাইর বিন ইকবাল। পাঠকদের কাছে তার নির্বাচিত অংশঃ

প্রশ্নঃ আপনি একজন অসাধারণ ফটোগ্রাফার। নিজেকে একজন সফল ফটোগ্রাফার হিসাবে কিভাবে গড়ে তুলেছেন?
কাজী মুশফিক: প্রথমেই বলে নেই আমি একজন সাধারণ মানুষ যে ছবি তুলতে অনেক ভালবাসে। এখনও নিজেকে ওই পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারিনি। ২০১২ থেকে ছবি তোলা শুরু করি। এরপর যতটুকু অর্জন হয়েছে তা মহান আল্লাহর রহমত ও প্রিয় মানুষদের দোয়ায়।

প্রশ্নঃ আপনার বর্তমান কর্ম ব্যস্ততা কি?
কাজী মুশফিক: এইতো মাত্রই পাশ করলাম। বর্তমানে আমি একটি মাল্টিন্যাশনাল এড এজেন্সি “মেটাকানেক্ট” এ জুনিয়র সফটোয়ার ইঞ্জিনিয়ার ও ভিজুয়াল ইন চার্জ পোস্ট এ দায়িত্বরত আছি। এছাড়া নিজের ফটোগ্রাফী ফার্ম “ফটোগ্রাফী বাই কাজী মুশফিক“ নিয়েও কাজ করছি।

প্রশ্নঃ ভবিষ্যৎপরিকল্পনাকি?
কাজী মুশফিক: বেশী দূরের চিন্তা করিনাই। তবে হ্যা পুরো পৃথিবী একবার হলেও ঘুরে দেখার ইচ্ছা আছে।

প্রশ্নঃ নিজেকে কোথায় দেখতে চান?
কাজী মুশফিক: অবশ্যই এমন একটা জায়গায় যেখানে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকা যায় সকলের কাছে।

প্রশ্নঃ কাকে আদর্শ মনে করেন এবং কেন?
কাজী মুশফিক: পাপা-আম্মু । কারণ বলে শেষ করা যাবে না।

প্রশ্নঃ পছন্দের বিষয় কি এবং কেন?
কাজী মুশফিক: ফটোগ্রাফী, ক্রিকেট, ট্রাভেল আর হ্যা অবশ্যই খাওয়া দাওয়া। কারণ তো জানিনা। ভাল লাগে তাই । হেহে

প্রশ্নঃ কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিয়েছেন? ফটোগ্রাফির জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাটা কতটুকু দরকার?
কাজী মুশফিক: আলিয়াস ফ্রসেস এ ২০১১ তে একটা শর্ট কোর্স করসিলাম। প্রথম বারের মত হোয়াইট কার্ড রিডিং, এক্সপোজার নেওয়ার অনুভুতি অন্যরকম ছিল। আমি আসলে ফটোগ্রাফির জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাটা জরুরি কিনা বলতে পারি না। হয়তবা জরুরি আবার নাও হতে পারে। ইদানিং অনলাইন এই অনেক কিছু শিখা যায়। ইচ্ছা থাকলে প্রাতিষ্টানিক শিক্ষা না নিয়েও ভাল কিছু করা সম্ভব।

প্রশ্নঃ কোথায় কোথায় কাজ করেছেন?
কাজী মুশফিক: সবসময় ইচ্ছা ছিল নিজের কিছু করার। তাই ফটোগ্রাফার হিসেবে কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে আগে ওরকম কাজ করিনাই। তবে হ্যা ফ্রীল্যান্স করেছি অনেক।

প্রশ্নঃ পেশাগত জীবনে নেতিবাচক কিছু পেলে কিভাবে সামলে নেন নিজেকে?
কাজী মুশফিক: জোড়ে নিঃশ্বাস নিয়ে বলি মনে মনে বলি আল্লাহ ভরসা, যা হয় ভালর জন্যি হয়। নেতিবাচক নিয়ে পড়ে না থেকে সামনের দিকে ভাবী সবসময়। সুফল আসে।

প্রশ্নঃ নিজের দেশের বাইরেও আপনার অনেক ভক্ত রয়েছেন, যারা আপনার ছবি মুগ্ধ নয়নে দেখে। কেমন অনুভব হয় তখন?
কাজী মুশফিক: হাহা। তাইনাকি? হ্যা ফ্লিকার বা অন্য কোন সোসাল প্লাটফর্ম এ ভাল ফিডব্যাক পেলে খুশি হই।

প্রশ্নঃ প্রথম পুরষ্কার পাবার পরের গল্পটা কি ছিল? কেমন অনুভুতি ছিল সেসময়ে?
কাজী মুশফিক: অসাধরণ। মনে রাখার মত দিন ছিল।

প্রশ্নঃ সমাজে এখন অবক্ষয়, অপরাধ অনেক বেশি। এগুলো কমাতে কি পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ বলে আপনি মনে করেন।
কাজী মুশফিক: আমার মনে হয় আমাদের নিজেদের বদলানো দরকার। চেঞ্জ ইউরসেলফ ওয়ারল্ড উইল ফলো ইউ

প্রশ্নঃ খেলাধুলা করেন? পছন্দের খেলয়ার কে?
কাজী মুশফিক: এখন আর সময় পাইনা। আগে ক্রিকেট খেলতাম। পছন্দের খেলোয়াড় অনেকেই। মোহাম্মাদ আশরাফুল, শচীন তেন্ডুল্কার, এবিডিবিলিয়ার্স।

প্রশ্নঃ অবসরে কি করেন সাধারণত?
কাজী মুশফিক: কাছের মানুষদের সাথে সময় কাটাই।

প্রশ্নঃ কোথায় ঘুরতে পছন্দ করেন এবং সাথে কাকে নিতে পছন্দ করেন?
কাজী মুশফিক: যেকোন দর্শনীয় যায়গাতেই ঘুরতে ভাল লাগে। সাধারণত বাবা-মা বা কাছের বন্ধুদের সাথেই ঘুরতে যাওয়া হয়।

প্রশ্নঃ অপছন্দের বিষয় কি?
কাজী মুশফিক: মিথ্যা কথা বলা।

পশ্নঃ জীবনের সবচেয়ে আনন্দ ও কষ্টের মুহুর্ত কি কি ছিল?
কাজী মুশফিক: এখনও জানিনা

প্রশ্নঃ পছন্দের রঙ
কাজী মুশফিক: নীল

প্রশ্নঃ পছন্দের খাবার ও পানীয়
কাজী মুশফিক: লিস্ট টা অনেক বড় । হাহা

প্রশ্নঃ পছন্দের পোশাক
কাজী মুশফিক: পাঞ্জাবী

প্রশ্নঃ নতুনদের জন্য কোন পরামর্শ
কাজী মুশফিক: নেট এ অনেক অনেক ছবি দেখ এবং অনেক অনেক ছবি তুলো। গিয়ার এর পিছে না দৌড়ায়ে ছবির পিছে দৌড়াতে হবে। চেষ্টা থাকলে সাফল্য আসবেই। আর হ্যা সবসময় মাথায় রাখবা ঈউ আর ঈউর কান্ট্রি । সো এক্ট লাইক দ্যাট। অনেক ফাউ উপদেশ দিয়ে ফেললাম। নিজেকে এবার একটু জ্ঞানী লাগতিসে। হেহে

Photo
© কাজী মুশফিক

Bangladeshi Wedding Photographer

Faisal Akram Ether

ফয়সাল আকরাম ইথার

Faisal Akram Ether
আলোকচিত্রি মেজবাহ ঊল আজীজ এর তোলা ফয়সাল আকরাম ইথার এর এ ছবিটি তোলা হয়েছে রানওয়েতে।

ফয়সাল আকরাম ইথার অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন মানুষ। এই মানুষটির বন্ধুত্ব প্লেনের সাথে। তার দিন কাটে প্লেনের দিকে তাকিয়ে। প্লেনের ছবি তুলে। নিচ থেকে শব্দ শুনেই তিনি বলে দিতে পারেন, কোন প্লেন যাচ্ছে। অবশ্য তিনি বেশ কিছু নামে পরিচিত। এগুলোর মধ্যে ইথার বাই, পিলেন বাই, কাট্টুন বাই, গাদক বাই, খাদক বাই বেশ উল্লেখযোগ্য। আহসানউল্লাহ বিজ্ঞ্যান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি বর্তমানে কাজ করছেন গ্রামীনফোনে একজন প্রযুক্তিবিদ হিসাবে। জনপ্রিয় এ প্লেন স্পটার এর সাথে ছিলেন প্রেস বাংলাদেশ এর প্রতিবেদক যুবাইর বিন ইকবাল। তার সাথে আলাপচারিতায় উঠে আসে তার জীবনের নানা গল্প। পাঠকদের জন্য নির্বাচিত অংশঃ

concert
ফয়সাল আকরাম ইথার এর ধারণ করা একটি অসাধারণ কনসার্টের ছবি।

প্রশ্নঃ প্রথমেই জানতে চাইব আপনার মজার ভাষার কথা। কেন এবং কিভাবে শুরু হল এই ভাষার?
ফয়সাল আকরাম ইথার: মজা টা আসলে পরে আসছে। এই ভাবে লিখলে মজা হবে কিনা তা প্রথমে ভাবি নাই। লিখতে যখন হাত থেইকা নিশ পিশ আওয়াজ বাইর হইত, তখন দেখা গেল লিখতে গেলে করেছি লিখতে ছ এর পরে রশ্য ই না দির্ঘ ই চিন্তা করতে করতে কি নিয়া লিখত বইসিলাম ভুইলা গেসি। তাই ঠিক করসিলাম, ধুরো ছাতা, যেম্নে ভাবতাসি অম্নেই লিখুম। পরে ঠিক করুম নে। সেই পরে টা আর আসে নাই। আমি আবার খুব “এক্টিব” তো। তাই সময় পাই নাই। পরে দেখা গেসে এইটাই একটা স্টাইল হয়া গেসে নিজের।

প্রশ্নঃ চাকরি করছেন দেশের সবচেয়ে বড় টেলিকম প্রতিষ্ঠানে এবং একি সাথে ফটোগ্রাফি এবং সেই সাথে লেখালেখি। কিভাবে এতগুলো জিনিস ধারাবাহিক ভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: একটা আরেক্টার লগে মাখায় মুখায় চালায় যাইতাসি আরকি। আর ঠিক ধারাবাহিক ভাবে না। পাশা পাশি কইতে পারেন। অফিসের কাজ করতে করতে অনেক লেখা মাথায় আসে। আবার লেখা লেখি করতে করতে অফিসের অমুক কাজ টা তো করি নাই মনে হয়। আর ফটোগ্রাফিটা আসলে চব্বিশ ঘন্টার একটা অভ্যাস। এইটা মনে হয় যে কোন মানুষ যারা অনেক কিছুর মাঝখানে ফটোগ্রাফিটারে আলাদা কইরা ভালবাসে তারা সবাই স্বীকার করবেন যে যখন আমাদের সাথে ক্যামেরা থাকে তখন আমরা ছবিটা তুলি আর যখন থাকে না তখন মনে মনে ছবি টা দেখি। তাই আলাদা কইরা সময় বাইর না করলেও ফটোগ্রাফি চলতেই থাকে ভিতরে ভিতরে।

প্রশ্নঃ আপনি গ্রামীণ ফোনে চাকরি করেন। গোপনে কি অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের সিম ব্যবহার করেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: চেষ্টা কইরা দেখসি। কিন্তু খুবই দুঃখ জনক ব্যাপার অফিসের সিম ছাড়া অন্য সিম ব্যবহার করলে মুবাইলে টেকা টুকা ভরা লাগে। ফ্রি তে ইউজ করতে করতে এমুন অভ্যাস খারাপ হইসে যে চাইলেও কুনু গুপন সিম ব্যাবহার করতে পারি না।

প্রশ্নঃ কোন কাজটি বেশি উপভোগ করেন? চাকরি, ফটোগ্রাফি নাকি লেখালেখি।
ফয়সাল আকরাম ইথার: সব চেয়ে উপভোগ করি খাওয়া দাওয়া। এর উপ্রে কিছু নাই। এই ইন্টারভিউ দেয়ার বিনিময়ে হাল্কা খাওয়া দাওয়ার ব্যাবস্থা আসে নাকি ভাই?

প্রশ্নঃ গীটার বাজাতে পারেন আপনি। কখনও কি ইচ্ছা হয়, একটি ব্যান্ড করবেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: একটা ব্যান্ড তো আসে আমার। আইকন্স। প্রতিষ্ঠাতা মেম্বার আমি আর রিজু। প্রথমে এই ব্যান্ড এ ভেজ ঘিটার বাজাইতাম আর লিরিক্স লিখতাম। তারপর শুধু লিরিক্স এ স্টিক করলাম। আমাদের এল্বাম ও বাইর হইসিল নাম “ইশ্বরনীয়”।

প্রশ্নঃ দেশ গঠনে কি কি করতে চান?
ফয়সাল আকরাম ইথার: পুরা এডুকেশন সিস্টেম পালটায় ফালাইতে চাই। ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত কোন পরীক্ষা থাকবে না। ক্লাস টু পর্যন্ত আর কোন সাব্জেক্ট থাকবে না শুধু কমন সেন্স, সিভিক সেন্স, নৈতিক শিক্ষা এই সব থাকবে।

প্রশ্নঃ সবুজ পৃথিবী তৈরি করতে আপনার অভিমত
ফয়সাল আকরাম ইথার: সবাই কয় সবুজ পৃথিবীর কথা। কিন্তু কেউ কয়না এইডা কেম্নে করুম। সবাই কয় গাছ লাগান (নন অশ্লিল অর্থে) পরিবেশ বাচান। আরে ব্যাডা, ডাহা শহরে গাছ লাগামু কোনহানে? মোর বাসার সিমেন্ট এর ছাদে না আন্নের মাতায়? আপ্নে জায়গায় জায়গায় গাছ লাগানোর জায়গা দ্যান, গাছের চারা দ্যান, এই গাছ কে লাগাইসে তা মার্ক করার ব্যাবস্থা করেন, দেখেন লোকজন কেম্নে নিজ উৎসাহে গাছ লাগায়।

প্রশ্নঃ সমাজে এখন অবক্ষয়, অপরাধ অনেক বেশি। এগুলো কমাতে কি পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ বলে আপনি মনে করেন।

ফয়সাল আকরাম ইথার: অবক্ষয় আর অপরাধ তখন ই বেশি হইব যখন মানুষ মনে করব ইটস ওকে, আমার জন্য ইটস ওকে, আমি গরিব, আমি অবহেলিত, আমি সমাজের ভিক্টিম, তাই আমি করলে ইটস অকে। আমরা দুর্নিতি দেখতে দেখতে বড় হই, প্রতিবাদ করা অন্যদের দায়িত্ব মনে করি, আমাদের গায়ের জোর কম, আমরা এই ধরনের কাজ রে ঝামেলা মনে করি। মনে করি , আমার কি। যেমন ধরেন জ্যাম এর মধ্যে একটা রিকশা রং সাইডে গেলেও তার যাত্রি উদাশ মুখে বইসা থাকে, ভাবে আমার কি, আমি তো আগে যাইতাসি। । মানুষ কে প্রতিবাদ করার অভ্যাস করাইলে অবক্ষয় আর অপরাধ কইমা যাইব নিজে নিজেই। একজন বেলাইনে গেলে দশজন তারে কানে ধইরা লাইনে নিয়া আসবো।

প্রশ্নঃ বাংলাদশকে কোথায় নিয়ে যেতে চান?
ফয়সাল আকরাম ইথার: কুথাও নিয়া যাইতে চাই না। শুধু একটা ভাল লিডার দরকার। যে কিনা নিজের মনে কইরা দেশ টার দেখাশোনা করব। আর তারে সাহায্য করতে আগায় আসবো নিজের ভবিষ্যত এর চেয়ে দেশের প্রতি অনেক ভালবাসা আছে এমন কিছু লোক। তাইলেই দেশ এর চেহারা পাল্টায়া যাইবো।

প্রশ্নঃ ফটোগ্রাফি শুরু করার পেছনের কারণ?
ফয়সাল আকরাম ইথার: আমি দেখলাম কিছু কিছু ছবি দেখলে আমার অনেক ভালো লাগে। তখন মনে হইল নিজে এমন কিছু তৈরি করতে পারি কিনা। আর ব্যাপারটার মধ্যে অনেক কিছু শিখার আছে। শুধু যে ক্যামেরার হাড্ডি গুড্ডি শিখা তা না, ছবির এসথেটিকাল ব্যাপার গুলা নিয়া ঘাটাঘাটি করলে নিজের সৌন্দর্যবোধ এরও অনেক উন্নতি হয়। তাই ফটোগ্রাফির সাথে চিপকায় গেলাম।

প্রশ্নঃ ফটোগ্রাফি নিয়ে কি কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিয়েছেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: জি। প্রথমে পাঠশালায় এক মাস এর একটা বেসিক কোর্স করসি। তারপর দেহি যুইত লাগতাসে না তারপর তিন মাস এর একটা ফাউন্ডেশন করসি। তারপরও দেখি কিছুই পারি না। তাই একবছরের একটা ডিপ্লোমা করসি পাঠশালা থেইকা। তারপর আর দুই বছর কইরা গ্র্যাজুয়েশন করার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু সময় ম্যানেজ হয় নাই। তাই আপাতত বাদ দিসি। আবার দুই বছর শেষ করতে যাবো, যখন অফিস থেইকা রিটায়ার করবো তখন।

প্রশ্নঃ আপনার বর্তমান কর্মব্যস্ততা
ফয়সাল আকরাম ইথার: মেইনলি অফিস নিয়াই। এর ফাকে ফাকে একটু গান বাজনা, একটু প্লেন স্পটিং, একটু কবিতা ইত্যাদি। সবকিছু অই একটু এক্টুই আরকি।

প্রশ্নঃ ফটোগ্রাফি নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?
ফয়সাল আকরাম ইথার: অনেক গুলা প্রজেক্ট মাথায় আসে প্রায় ই। ওগুলা করতে চাই যদি সময় পাই। আর মানুষ জন এর কাছে ফটোগ্রাফি শেখার জায়গাটা এখনো ধোয়া ধোয়া । কই যাবো, কি শিখব, ক্যামেরা কি কিনবো এগুলা যখন কারো মাথায় আসে তখন এই ইনফরমেশন এর যুগে আইসাও লোকজন অসহায় ফিল করে। ইচ্ছা আছে বাংলায় , সহজ ভাষায় এই নতুন দের জন্য ইন্টারেক্টিভ কিছু করার।

প্রশ্নঃ নিজেকে কোথায় দেখতে চান?
ফয়সাল আকরাম ইথার: আমি মেডেল আর পুরষ্কার দিয়ে ঘর ভইরা ফালাইতে চাই না।আমি চাই আমার একটা ছবি হলেও মানুষের মনে থাকুক। কোথাও দেখলে যাতে মনে করতে পারে এইটা আমার তোলা।

প্রশ্নঃ কি ধরনের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখিন হয়েছেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: মেইন ঝামেলা করসে সামি। এই সামি আমারে কিছু করতেই দিত না। নতুন কিছু করার চিন্তা করলেই সামি বাধা দিত। এই সামির বাধা অতিক্রম করতে পারলে আর কোন বাধাই ব্যাপার না। সামির পুরা নাম আইল-সামি।

প্রশ্নঃ নেতিবাচক কিছু পেলে কিভাবে সামলে নেন নিজেকে?
ফয়সাল আকরাম ইথার: আমি মনে মনে ভাবি আচ্ছা থাক, ব্যাপার না। যা হইসে তা হইসে। এইডাই তো জীবনের শেষ জিনিশ না। আরো সুজুগ আইবো নে। আল্লায় দিব।

প্রশ্নঃ শুরুতে ক্যামেরা কি ছিল?
ফয়সাল আকরাম ইথার: একদম শুরু তে ছিল প্যানাসনিক লুমিক্স, ৪ মেগাপিক্সেল এর। এই টা অবশ্য নিজের ছিল না। খালার কেমেরা। ভয়ে ভয়ে ধরতে হইত। ধরার আগে হাত ধুইতে হইত। নাইলে কেমেরায় ভাইরাস ধরবে। তারপর একটা নাইকন পয়েনট এন্ড শুট গিফট পাইলাম বইনের কাছ থেইকা। ২০০৯ সালে আইসা নিজের প্রথম ডি এস এল আর কিনলাম। ক্যানন ৪৫০ ডি।

প্রশ্নঃ এ থেকে আয় করেন? করলে কিরকম আয় হচ্ছে?
ফয়সাল আকরাম ইথার: আপাতত কোন আয় করতাসি না। ওয়েডিং ফটোগ্রাফি করতাম প্রফেশনালি ২০১৪ পর্যন্ত। তারপর ছেড়ে দিসি।

প্রশ্নঃ কোথায় কোথায় কাজ করেছেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: প্রোফেশনালি বড় কাজ বলতে ২০০৬ সালে আইকন্স এর এল্বাম ফটোগ্রাফি আমি করসি যদিও ফটোগ্রাফার হিসাবে অন্য বন্ধুর নাম দিতে হইসে, সে বিরাট স্পন্সর আইনা দিসিল তাই। ব্র্যাক ব্যাংক এর বিলবোর্ড এর কাজ করসি একটা। ভোরের কাগজ এর ফ্যাশন আর ট্রাভেল পেজ এর জন্য ছবি তুলসি। ওয়েডিং ফটোগ্রাফির কাজের জন্য দেশে কয়েক জায়গায় যাওয়ার সুযোগ হইসে। তারপর প্লেন স্পটিং এর ভূত ঘাড়ে চাপলো আর তারপর শুধু প্লেন এর ছবি ই তুলি । কয়েকদিন আগে সিভিল এভিয়েশন এর জন্য কাজ করসি কিছু।

প্রশ্নঃ ক্লায়েন্ট ফিডব্যাক কেমন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: ভালই তো। এক ক্লায়েন্ট এর রেফারেন্স এ অন্য ক্লায়েন্ট কাজ পাইতাম । তয় একবার এক ক্লায়েন্ট বলসিল “এই সব কি ঝাপ্সা ছবি তুলসেন, আমি কিলিয়ার, পিছনে ঘুলা”।

প্রশ্নঃ বিনে পয়সায় কেও ছবি তুলতে চাইলে কিভাবে তাকে অপমান করেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: অপমান করি না। তুইলা দেই। আমি একটা বেক্কল । না করতে পারি না।

প্রশ্নঃ কাকে আদর্শ মনে করেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: মনির ভাই। মনিরুজ্জামান। একটা ছবি দিয়াও যে উপন্যাস বইলা ফালানো যায় তা উনার ছবি দেইখাই প্রথম বজ্রাহত হইসিলাম।

প্রশ্নঃ পছন্দের বিষয় কি এবং কেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: অদিতি, প্লেন, খাওয়া, লেগো, গান, বাজনা, আঁকা আকি, ফটোগ্রাফি, বই, সিনেমা, ঘুম।এই সব কিছু আমাকে ভাবায় বাইচা থাকা একটা চমৎকার ব্যাপার, তাই পছন্দ।

প্রশ্নঃ প্লেনের প্রতি ধুর্বলতা কেন এবং কিভাবে?
ফয়সাল আকরাম ইথার: ছোটবেলায় পাইলট হইতে চাইসিলাম। কিন্তু আমাদের গুষ্টির কেউ পাইলট নাই, তাই কেউ কইতে পারে নাই পাইলট কেম্নে হওয়া যায়। ছোটবেলা থেইকাই আমি প্লেন দেখলে হা কইরা আকাশের দিকে তাকায় থাকি। আমার আম্মা সাক্ষী।

প্রশ্নঃ নিজের দুর্বলতা এবং কেন একে দুর্বলতা মনে করেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: সবচেয়ে বড় দুর্বলতা আমি না বলতে পারি না। আমার লগে কেউ চিল্লাইলে উলটা চিল্লাইতে পারি না। এই জন্য অনেক কষ্ট পাইতে হয় মানসিক এবং শারিরিক।

প্রশ্নঃ একটি পুরনো দিনের প্রশ্ন, ক্লাস এইট এ আপনার রোল নম্বর কত ছিল, কিংবা আচ্ছা ক্লাস সিক্স এর ষান্মাসিক পরীক্ষায় পরিবেশ পরিচিতি সমাজ এ কত পেয়েছিলেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: ৮ ছিল রোল। ক্লাস এইট এর শান্মাশিক পরীক্ষায় মনে হয় ৫০ এ ৪০ পাইসিলাম। আমি সামাজিক বিজ্ঞানে ভালা আসিলাম

প্রশ্নঃ অবসরে কি করেন সাধারণত?
ফয়সাল আকরাম ইথার: কত্ত কিছু করি। বইলা শেষ করা যাবে না। যা ইচ্ছা হয় তাই করি। বই পড়ি, লেগো বানাই, লিখি, ইন্টারনেট এ গুতাগুতি করি। আর ঘুমাই। পচুর ঘুমাই।

প্রশ্নঃ কোথায় ঘুরতে পছন্দ করেন এবং সাথে কাকে নিতে পছন্দ করেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: আমি ঘুবি ঘর পাগলা মানুষ। আমার লরতে চরতে মুঞ্ছায় না।তবু যদি দেখি যে যেখানে যামু সেইখানে কই খামু, কই থাকুম এই সব বিষয় অল্রেডি আরেকজন টেক কেয়ার করতাসে, তাইলে আমি যাওয়ার কথা ভাবতেও পারি। আর ভ্রমন সঙ্গি হিসাবে চালু লুকজন কে নিতে পছন্দ করি। যারা লুকজন এর সাথে ডিল করতে পারবে যখন আমি হারায়া যাওয়া পিচ্চির মত ঘুইরা বেড়াইতে পারুম।

প্রশ্নঃ অপছন্দের বিষয় কি?
ফয়সাল আকরাম ইথার: অবিনয়ী লুকজন। অনেক টেলেন্টেড একজন যখন উচ্চ শীর কইরা আসে তার টেলেন্ট টাকে আমি শ্রদ্ধা করি কিন্তু তার অবিনয় কে ঘিন্না করি।

প্রশ্নঃ কি দেখে সবচেয়ে বেশি ভয় পান এবং কেন ভয় পান?
ফয়সাল আকরাম ইথার: বড় মাকরশা দেখলে ভয় পাই। আর ভুত না দেইখাই ভয় পাই। আর ঠুশ ঠাশ অবলিলায় মিসা কথা কইয়া ফালাইতে পারে এরম লুকজন ভয় পাই। এরা এমন ভাবে আগের কথা অস্বীকার করে যে নিজের উপ্রেই সন্দেহ জন্মায় যায়।

পশ্নঃ এমন একটি কথা, যা কেও জানে না এখন পর্যন্ত।
ফয়সাল আকরাম ইথার: আমার লেখা পড়লে আমাকে যেমন মনে হয় সেই আমি টার দেখা পাইতে হইলে অনেক সময় দিতে হয়। আমি কারো সাথে হুট কইরা কম্ফরটেবল না। সময় লাগে আমার কাউরে পুরা পুরি নিজের আসল রুপ দেখাইতে।

পশ্নঃ কোন লুকানো কষ্ট?
ফয়সাল আকরাম ইথার: পাইলট হইতে পার্লাম না 🙁

পশ্নঃ জীবনের সবচেয়ে আনন্দ ও কষ্টের মুহুর্ত কি কি ছিল?
ফয়সাল আকরাম ইথার: সবচেয়ে আনন্দের মুহুর্ত ছিল নটরডেম এ চান্স পাওয়ার পর বাবার জড়ায়া ধরাটা আর কষ্টের মুহুর্ত ছিল আমার বিড়াল অরুর মারা যাওয়া টা।

প্রশ্নঃ প্রথম প্রেম কার সাথে?
ফয়সাল আকরাম ইথার: নার্সারি তে থাকতে আগের দিন বাঙলা সিনামা দেইখা শিখসিলাম আই লাভ ইউ বলা। ক্লাসের সবচেয়ে সুন্দর মেয়েটা কে গিয়া বলসি, শুন আই লাভ ইউ, তুমিও বল আই লাভ ইউ। মেয়েটা বলসে, এসব বললে আম্মু বকবে। আমার খুব প্রেস্টিজ এ লাগসিল আর আমি বলসিলাম, ইইহ, আমার আম্মুও বকবে।

প্রশ্নঃ প্রথম ক্রাশ কে ছিল? গুপন ফ্রেন্ডের রহস্য কি আজীবন রহস্যই থাকবে?
ফয়সাল আকরাম ইথার: প্রথম ক্রাশ ছিল নায়িকা ববিতা। আর গুপন ফ্রেন্ড আর রহস্য নাই। গুপন ফ্রেন্ড আসলে একটা কন্সেপ্ট ছিল। লুকজন জি এফ জি এফ করতো। আমি জি এফ এর বাঙলা করসিলাম গুপন ফ্রেন্ড।

প্রশ্নঃ কোন তারকার সাথে ডেটিঙে যেতে চান এবং কেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: ড্রু ব্যারিমোর এর লগে যাইতে পারলে মজা হইত। তাইন রে আমার হেবি লাগে।

প্রশ্নঃ কি খেতে পছন্দ করেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: চুমু

প্রশ্নঃ পছন্দের রঙ?
ফয়সাল আকরাম ইথার: টক্টইক্কা লাল।

প্রশ্নঃ নিজের ভেতরে কি মুদ্রাদোষ খুজে পান?
ফয়সাল আকরাম ইথার: আমি “হয় হয়” বেশি বলি, এত বেশি বলি যে বন্ধুদের মধ্যেও এইটা ঢুইকা যায়।

প্রশ্নঃ লটারীতে এক কোটি টাকা পেলে কি করবেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: খরচ কর্মু। জমায়া রাখা আমারে দিয়া হইব না। কিন্তু আমার মনে হয় খরচ করার আগেই লুকজন আমাত্তে ধার লয়া সব টেকা টুকা নিয়া যাইবো গা। এইটা একটা বিরাট প্রব্লেম। আমি যে কত জন এর কাসে কত টাকা পাই।

প্রশ্নঃ বিয়ের পরে পুরনো প্রেমিকের সাথে দেখা হলে কি করবেন?
ফয়সাল আকরাম ইথার: পুরানো প্রেমিক তো নাই, অত আধুনিক হইতে পারি নাই। পুরানা প্রেমিকার লগে দেখা হইল হ্যাং মাইরা যাইতে পারি, স্লামালাইকুম ভাল আছেন আপা কয়া ফালাইতে পারি।

প্রশ্নঃ নিজের পাঁচটি বদভ্যাসের কথা বলুন।
ফয়সাল আকরাম ইথার: আইলসামি বেশি করি, সবাইরে ভালা মনে করি, শরীর (নিজের) চর্চা করি না, মিষ্টি বেশি খাই, সব কিছুই বেশি খাই।

প্রশ্নঃ তেলাপকা নাকি টিকটিকি, কোনটিকে বেশি ভয় পান? নাকি অন্য কিছু?
ফয়সাল আকরাম ইথার: ফ্লাইং তেলাপোকা ইজ দা মেইন রিজন অফ অল হার্ট এটাক্স।

প্রশ্নঃ সেলুনের লোকগুলো আপনার অপেক্ষায় থাকে, কিন্তু আপনার দেখা তারা পায় না। কেন তাদের দুঃখ দেন এভাবে?
ফয়সাল আকরাম ইথার: ভালা জিনিষ কম কম খাওন লাগে। আর দেখা দেই তো। যখন আয়নায় নিজেরে দেখতে দেখতে বোর্ড লাগে তহন এক্কেরে ছুইল্লা মুরগি হয়া যাই। আর এইটা একটা সামাজিক ভাল কাজ ও। হয়তো সেলুনের লোক্টার সারাদিন খুব খারাপ গেসে। কিন্তু আমারে দেইখাই সবটি দাত বাইর কইরা যেই হাসি দ্যায় তার দাম কুটি ট্যাকা।

Shahjalal International Airport
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর Chengdu F-7 MB 427 যুদ্ধবিমানের অবতরণের ছবিটি তুলেছেন ফয়সাল আকরাম ইথার হযরত শাহ্‌জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এর রানওয়ে থেকে।

পুরষ্কার
বলার মত তেমন কিছু নাই, ছোট খাট কিছু আছে

প্রদর্শনী
Exhibition for World Ocean Day at London
Through The Lens Bangladesh Annual Exhibitions
Exhibition at Shilpokola Academy

প্রকাশনা
Cover Photo “Star Magazine” of Daily Star, Mothers Day Edition
Various Publications at Vorer Kagoj
Online Photography tutorials in Bangla in Blogs and Facebook

Bangladeshi Wedding Photographer