বাংলাদেশের আলোকচিত্রের ইতিহাসে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের পরিচয় একক কোনো পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়। তারা একই সঙ্গে শিল্পী, গবেষক, সংগঠক এবং চিন্তক। ওবায়দুল্লাহ মামুন তেমনই এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব, যার জীবন ও কাজ আলোকচিত্রের গণ্ডি ছাড়িয়ে সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে আছে। তার পরিচয় শুধু একজন ফটোগ্রাফার হিসেবে নয়—বরং তিনি একজন ভাষা আন্দোলনের গবেষক, সংগঠক, লেখক এবং প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ধারাকে বহন করে চলা এক নিবেদিত মানুষ। ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্মগ্রহণ করেন ওবায়দুল্লাহ মামুন। এই অঞ্চলের নদী, সংস্কৃতি, মানুষের জীবনযাপন—সবকিছু তার শৈশবকে প্রভাবিত করে। বিশেষ করে তিতাস…
Read MoreDay: April 17, 2026
মুনির উজ জামান
মুনির উজ জামান বাংলাদেশের সমকালীন আলোকচিত্রের জগতে একটি শক্তিশালী, নির্ভরযোগ্য এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নাম। তিনি কেবল একজন সংবাদ আলোকচিত্রী নন; বরং তিনি একাধারে ইতিহাসের সাক্ষী, সময়ের দলিল নির্মাতা এবং দৃশ্যমান বাস্তবতার গভীর পর্যবেক্ষক। তার ক্যামেরা কেবল মুহূর্ত ধারণ করে না—বরং তা সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি এবং মানবিকতার বহুমাত্রিক গল্প বলে। বিশ্বখ্যাত সংবাদ সংস্থা Agence France-Presse (AFP)-এর প্রধান ফটোগ্রাফার হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন এবং বাংলাদেশের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরছেন। মুনির উজ জামানের শৈশব ও কৈশোর কাটে বাংলাদেশের বাস্তবতার ভেতর দিয়ে—যেখানে সমাজের নানা স্তরের মানুষ, বৈচিত্র্যময় জীবনধারা এবং…
Read Moreমাকসুদুল বারী: আলো ও ফ্রেমের এক বহুমাত্রিক শিল্পযাত্রা
বাংলাদেশের আলোকচিত্র ও সিনেমাটোগ্রাফির ইতিহাসে কিছু নাম আলাদা করে উচ্চারিত হয়—তাদের মধ্যে অন্যতম মাকসুদুল বারী। ১৯৪৯ সালে ঢাকায় জন্ম নেওয়া এই শিল্পী একাধারে আলোকচিত্রী, চিত্রগ্রাহক, স্থিরচিত্রগ্রাহক, শিক্ষক এবং সংগঠক। তার পরিচয় একটিতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তিনি যেন একটি পূর্ণাঙ্গ ভিজ্যুয়াল স্কুল, যেখানে ফটোগ্রাফি ও সিনেমা একসাথে মিশে গেছে অভিজ্ঞতা ও দর্শনে। বাংলাদেশে একই সঙ্গে আলোকচিত্রী ও সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে দক্ষতা ও সুনাম অর্জন করেছেন—এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। এই বিরল তালিকায় আনোয়ার হোসেন, মাকসুদুল বারী, শফিকুল ইসলাম স্বপন, খালিদ মাহমুদ মিঠু, মিশুক মুনীর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রজন্মের রাশেদ জামান—সবাই নিজ…
Read More