বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে ভয়াবহ আগুন

Fire accident
Fire accident
তীব্র গতিতে বের হচ্ছে ধোঁয়ার কুণ্ডলী আর তা নেভাতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিস

আজ বেলা সোয়া এগারটায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শপিং মল, বসুন্ধরা সিটিতে আগুন লাগে। ছয় তলার সি ব্লকে একটি জুতোর দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। সকাল ১১ঃ২৩ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয় এবং ২৯ টি ইউনিটের ১৬০ জন কর্মী নিরলস পরিশ্রম করে বিকাল ৬ টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কোন প্রাণহানীর ঘটনা ঘটেনি। তবে ফোরম্যান মামুনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ৭ম তলা থেকে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাঁসপাতালে নেয়া হয়।

ফায়ার সার্ভিস কর্মী

মার্কেটের ভেতর প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টিকের পিভিসি পাইপ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিষাক্ত ধোঁয়া উৎপন্ন করেছে। আর এ কারণেই আগুন নেভাতে সময় লেগেছে। তবে আগুন ছয় তলাতেই জ্বলছে। অন্য তলায় ছড়িয়ে পড়তে দেওয়া হয়নি। কিন্তু মার্কেটের নিচতলা দিয়েও প্রচুর ধোঁয়া নির্গত হয়েছে। এমনকি পান্থপথ সিগনাল এলাকাতেও ধোঁয়া ছড়িয়ে পরে।

মার্কেটের নিজস্ব অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা আছে কিনা- সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে বসুন্ধরা সিটির হেড অব মার্কেটিং জসিমউদ্দীন বলেছেন, ‘আগের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর বিশেষজ্ঞরা যেসব পদক্ষেপ নিতে বলেছিলেন আমরা সেগুলো নিয়েছিলাম। আজকে আপনারা দেখেছেন যে, আমাদের নিজস্ব ফায়ার ফাইটারাই আগুন নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন। আর ছোটখাটো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তো দেশের সব মার্কেটেই ঘটে।’ মার্কেটের ভেতরের অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও তা কাজ করে নি। এ মার্কেটের কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা যা ছিল, তার অধিকাংশই অকেজো হয়ে পরে আছে এবং তা কিভাবে ব্যবহার করতে হয়, তাও তেমন কেও জানে না।

ফায়ার সার্ভিস, র‍্যাব, পুলিশ ও এম্বুলেন্স যাতে দ্রুত চলাচল করতে পারে, সেজন্য ঐ এলাকায় সাধারণ যান চলাচল বন্ধ করে দেয় হয়।

২০০৯ সালের ১৩ মার্চ বসুন্ধরা সিটিতে প্রথমবারের মত আগুন লেগেছিল। ভয়াবহ ওই অগ্নিকান্ডে ৭ ব্যক্তি নিহত হন।

-ছবিঃ যুবাইর বিন ইকবাল, প্রেস বাংলাদেশ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *