বাংলাদেশ এর শীর্ষ হোটেল

পাঁচ তারকা হোটেল

রূপসি বাংলা হোটেল
মিন্টো রোড
ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ
www.ruposhibanglahotel.com

র‍্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন
বিমান বন্দর সড়ক
ঢাকা, বাংলাদেশ
www.radissonblu.com

লা মেরিডিয়ান
নিকুঞ্জ ২, খিলখেত
ঢাকা ১২২৯
www.starwoodhotels.com

প্যান পাসিফিক সোনারগা হোটেল
কাজী নজরুল ইসলাম সরণী
ঢাকা ১২১৫
www.panpacific.com

Photographer

ক্যামেরার দোকান এর তথ্য

Photographer
Photographer

বাংলাদেশে এখন চলছে ডি এস এল আর ক্যামেরার যুগ। সকলের হাতেই এখন একটি করে ডি এস এল আর। আর ক্যামেরা কিনতে প্রায়ই আমরা একে অপরকে প্রশ্ন করি। সব সময়ে সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না। তবে এ প্রশ্ন ক্যামেরার দোকানে করলে সঠিক উত্তর মিলবে। সঠিক জায়গায় সঠিক প্রশ্ন করলেই কেবল মিলবে সঠিক তথ্য।

ঢাকা শহরের কয়েকটি ক্যামেরার দোকানের নম্বর দেয়া হল।
মুনির হাসান, বেস্ট বাই বিডি, প্লাজা এ আর, সোবহানবাগ +8801977042440
সিম্পেক্স কর্পরেশন, দারুস সালাম মার্কেট, পুরানা প্লটন, ঢাকা ১০০০ +8801715009164
মাসুদ, ক্যামেরাজোন: 01819237293
রুবেল, ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড: +8801718600004
একরাম্‌ এস.এস.ক্যামেরা: +8801711107880
মোহসীন, নিউ ক্যামেরা ওয়ার্ল্ড: +8801721728636

তবে সাধের ক্যামেরাটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে যে কোন সময়ে। আর তা ঠিক করতে নগরে আছেন, এরকম কয়েকজনের মোবাইল ফোন নম্বর দেয়া হল।
খোকন, মামুন ইলেকট্রনিকস, নিউ মার্কেট: +8801911353414
বিদ্যুৎ, বিদ্যুৎ ক্যামেরাঘর: +8801711249140
জিতু, জিতু ক্যামেরা: +8801718188242

নগরে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আছে, যেগুলোতে ক্যামেরা, লেন্স, স্টুডিও লাইট ও অন্যান্য ক্যামেরা যন্ত্রাংশ ভাড়া দেয়। তবে এজন্য প্রয়োজন হবে, জাতীয় পরিচয়পত্র ও রেফারেন্স।
মুনির হাসান, বেস্ট বাই বিডি, প্লাজা এ আর, সোবহানবাগ +8801977042440
মাহতাব, ওরিয়েন্ট ক্যামেরা, প্লাজা এ আর, সোবহানবাগ: +8801817042440

Fire Service

চট্টগ্রামে সার কারখানায় গ্যাসের পাইপে লিকেজ, নির্গত হচ্ছে বিষাক্ত অ্যামোনিয়া গ্যাস

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কাফকো সার কারখানা তে গ্যাস ফিল্ডের পাইপ লিকেজ হয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বিষাক্ত অ্যামোনিয়া গ্যাস। এখন পর্যন্ত ৮০ জনকে হাঁসপাতালে নেয়া হয়েছে গুরুতর আহত অবস্থায়। হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে, কয়েকজন এর অবস্থা আশঙ্কাজনক। লিকেজ ঠিক করতে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস এর তিনটি ইউনিট। আসে পাশের এলাকা থেকে লোকজনকে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যে কনটেইনারের পাইপ লিক হয়েছে, তাতে প্রায় ৫০০ টন অ্যামোনিয়াম ফসফেট রয়েছে।

এখন পর্যন্ত আক্রান্ত স্থান আনোয়ারা, পতেঙ্গা, আগ্রাবাদ ও হালিশহর।

অ্যামোনিয়া গ্যাস মানুষের জন্য তেমন ক্ষতিকর নয়। কেবল অচেতন হয়ে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত ও পরিবেশ রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুমন গাঙ্গুলি।

Fire accident

বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে ভয়াবহ আগুন

Fire accident
তীব্র গতিতে বের হচ্ছে ধোঁয়ার কুণ্ডলী আর তা নেভাতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিস

আজ বেলা সোয়া এগারটায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শপিং মল, বসুন্ধরা সিটিতে আগুন লাগে। ছয় তলার সি ব্লকে একটি জুতোর দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। সকাল ১১ঃ২৩ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয় এবং ২৯ টি ইউনিটের ১৬০ জন কর্মী নিরলস পরিশ্রম করে বিকাল ৬ টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কোন প্রাণহানীর ঘটনা ঘটেনি। তবে ফোরম্যান মামুনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ৭ম তলা থেকে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাঁসপাতালে নেয়া হয়।

ফায়ার সার্ভিস কর্মী

মার্কেটের ভেতর প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টিকের পিভিসি পাইপ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিষাক্ত ধোঁয়া উৎপন্ন করেছে। আর এ কারণেই আগুন নেভাতে সময় লেগেছে। তবে আগুন ছয় তলাতেই জ্বলছে। অন্য তলায় ছড়িয়ে পড়তে দেওয়া হয়নি। কিন্তু মার্কেটের নিচতলা দিয়েও প্রচুর ধোঁয়া নির্গত হয়েছে। এমনকি পান্থপথ সিগনাল এলাকাতেও ধোঁয়া ছড়িয়ে পরে।

মার্কেটের নিজস্ব অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা আছে কিনা- সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে বসুন্ধরা সিটির হেড অব মার্কেটিং জসিমউদ্দীন বলেছেন, ‘আগের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর বিশেষজ্ঞরা যেসব পদক্ষেপ নিতে বলেছিলেন আমরা সেগুলো নিয়েছিলাম। আজকে আপনারা দেখেছেন যে, আমাদের নিজস্ব ফায়ার ফাইটারাই আগুন নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন। আর ছোটখাটো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তো দেশের সব মার্কেটেই ঘটে।’ মার্কেটের ভেতরের অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও তা কাজ করে নি। এ মার্কেটের কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা যা ছিল, তার অধিকাংশই অকেজো হয়ে পরে আছে এবং তা কিভাবে ব্যবহার করতে হয়, তাও তেমন কেও জানে না।

ফায়ার সার্ভিস, র‍্যাব, পুলিশ ও এম্বুলেন্স যাতে দ্রুত চলাচল করতে পারে, সেজন্য ঐ এলাকায় সাধারণ যান চলাচল বন্ধ করে দেয় হয়।

২০০৯ সালের ১৩ মার্চ বসুন্ধরা সিটিতে প্রথমবারের মত আগুন লেগেছিল। ভয়াবহ ওই অগ্নিকান্ডে ৭ ব্যক্তি নিহত হন।

-ছবিঃ যুবাইর বিন ইকবাল, প্রেস বাংলাদেশ

Bridal Portrait

ওয়েডিং গ্যালেরিতে চলছে ডিসকাউন্ট

wedding photographer
ছবিঃ ওয়েডিং গ্যালেরি

বাংলাদেশের খ্যাতনামা ওয়েডিং ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠান ওয়েডিং গ্যালেরিতে চলছে বর্ষাকালীন ডিসকাউন্ট। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামিয়া আফরিন জানালেন, তাদের তিনটি ব্যাসিক প্যাকেজ আছে। P1 প্যাকেজে খরচ পরে ১৫,০০০ টাকা। এ প্যাকেজ এখন ১২,৫০০ টাকা। P2 প্যাকেজে ২৫,০০০ টাকা যা এখন ২০,০০০ টাকা এবং P3 প্যাকেজ ৫০,০০০ টাকা যা এখন ৪০,০০০ টাকা।

ওয়েডিং গ্যালেরির প্রধান আলোকচিত্রি যুবাইর বিন ইকবাল গতবছর ওয়েডিং পোরট্রেইট এর জন্য অর্জন করেছেন আন্তর্জাতিক পুরষ্কার।

এ ডিসকাউন্ট চলবে আগামি আগস্ট মাস পর্যন্ত।

যোগাযোগের জন্য +৮৮ ০১৭১৪ ৩৩২ ৫৫৩

বিস্তারিত তথ্য মিলবে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.jbigallery.com

wedding photography
ছবিঃ ওয়েডিং গ্যালেরি
Fire Service

উত্তরার বহুতল ভবনে আগুন, নিহত পাঁচ, আহত অর্ধশতাধিক

Fire Service
আগুন নিয়ন্রণে আনার চেস্টা করছে ফায়ার সার্ভিস
-ছবিঃ যুবাইর বিন ইকবাল

সন্ধা ৬ টা ৩০ মিনিটে উত্তরার আলাউদ্দিন টাওয়ারের লিফট ছিড়ে নিচে পরে যায় এবং আগুন ধরে যায়। এ আগুন মুহুর্তে ছরিয়ে পরে। লিফটের তারও ছিরে যায়। পাঁচজন নিহত এবং আহত হয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক। নিহত চারজনের পরিচয় পাওয়া যায় নি। অপর নিহত ব্যক্তি শপিং মলের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুল হাসান (৩৫)। তার দু সন্তান মায়শার ৪৪ শতাংশ ও আট মাস বয়সি ছেলে মুনতাকিনের ২৩ শতাংশ শরীর পুড়ে গেছে। আহত তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক অলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ। বহুতল ভবনটিতে অফিস ও দোকান রয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের আঠারটি ইউনিট আগুন নিয়ন্রণে আনার চেস্টা করে প্রায় দু ঘন্টা ধরে। অবশেষে রাত নয়টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আশে। ঈদের কেনাকাটার জন্য দোকানগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ভীর ছিল। ভয়ে লোকজন ছোটাছুটি শুরু করে, এতে অনেকেই আহত হয়।

দোকানমালিকগণ অভিযোগ করেন, ডেভলপারদের অতিরিক্ত মুনাফার লোভে নিম্নমানের লিফট্ ব্যবহারের বলি হলো ঈদের বাজার করতে আসা সাধারণ মানুষ। এ ছারাও ভবনটির নিজস্ব কোন অগ্নি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছিল না। ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ প্রায় এক কোটি টাকা।

এর আগেও একবার এ ভবনে অগ্নিকান্ড হয়েছিল। কিন্তু তারপরও নেয়া হয় নি, কোন ব্যবস্থা।

লিফট দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে নেমেছে বুয়েট-রাজউকের একটি বিশেষজ্ঞ টিম। বাংলাদেশ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও ডিএনসিসি সমন্বিতভাবে এ দুর্ঘটনার তদন্ত করবে। ফায়ার সার্ভিস জানায়, বেজমেন্টে কিছু অনাকাঙ্খিত স্থাপনা ছিল, এগুলোর কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পরে। প্রাথমিক তদন্তের পরেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশ। এ মুহুর্তে মার্কেট ফায়ার সার্ভিসের তত্তাবধানে রয়েছে।

Photographer

প্রভাবশালী ২০ জন স্ট্রিট ফটোগ্রাফার

বিশ্বব্যাপী প্রভাবশালী ২০ জন স্ট্রিট ফটোগ্রাফারদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে streethunters.net আর এ তলিকা তৈরি করা হয়েছে পাঠকদের ভোটে। আর এতে সর্বাধিক ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশের ফটোগ্রাফার জি এম বি আকাশ। তিনি পেয়েছেন ১৬.২৯% (৩৩১৭) মনোনয়ন পেয়েছিলেন ১১৫ জন ফটোগ্রাফার। ২০ নম্বরে থাকা ভ্যালেরি জার্ডিন পেয়েছেন ১.৩৯% (২৮২) টি ভোট। বাংলাদেশ থেকে জি এম বি আকাশ ছাড়াও আরও ছিলেন ইমাম হাসান। তিনি পেয়েছেন ১.০৮% (২১৯) ভোট।

প্রথিতযশা এ ফটোগ্রাফার এখন পর্যন্ত অর্জন করেছেন শতাধিক আন্তর্জাতিক পুরষ্কার। প্রকাশিত হয়েছে তার ছবি প্রায় সকল আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে। বাংলাদেশ, গ্রীস, জার্মানী, বেলজিয়াম, আমেরিকা, ইটালি, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিন আফ্রিকা ও লাওসে তিনি আয়োজন করেছেন তার একক প্রদর্শনী।

প্রভাবশালী ২০ জন স্ট্রিট ফটোগ্রাফারদের একটি তালিকা (ক্রমানুসারে)
জি এম বি আকাশ
রুই পালহা
ভিনীত ভোহরা
আলেক্স ওয়েব
জন লুভেলী
এরিক কিম
আঞ্জেলো ফেরিলো
সাইমন রাসো
তাস্তুও সুজুকি
ট্রেন্ট পার্ক
পাও বুস্কাত
ব্রুশ গিল্ডেন
এলিওট ইরউইট
ম্যাট স্টুয়ার্ট
ডেভিড আলান হার্ভে
রবার্ট ফ্র্যাঙ্ক
মার্টিন পার
আন্দ্রে স্কিরে
আদ্রিয়ানো ক্যাসকিও
ভ্যালেরি জার্ডিন

Bangladeshi Wedding Photographer

Airbus

ভ্রমণ প্রস্তুতি

Airbus
বিমান বাংলাদেশ এর একটি বিমান

ভ্রমণ, নানা কাজে আমাদের এটা প্রায়ই করতে হয়। কেউ ভ্রমণ করে কাজে, আবার কেও অবসর সময়কে উপভোগ্ করতে। তবে ভ্রমণের পুর্বে কিছু প্রস্তুতি নিলে আপনার ভ্রমণ হতে পারে অনেক বেশি আনন্দদায়ক। অন্যথায় এ ভ্রমণ আপনার জন্য অনেক বেশি কস্টের হতে পারে।

প্রথমেই জেনে নিতে হবে, আপনি যেখানে যাবেন, সেখানকার পরিবেশ কেমন, কি ভাষায় সেখানকার জনগন কথা বলে। সেখানকার সংস্কৃতি কেমন? কি কি খাবার সেখানে পাওয়া যাবে। জেনে নিন, সেখানকার দর্শনীয় স্থান ও প্রসিদ্ধ খাবার কি কি। গুগল কিংবা উইকিপিডিয়া হতে পারে এর জন্য সবচেয়ে ভাল মাধ্যম।

প্রথমেই আপনাকে ঠিক করে নিতে হবে হোটেল ও যানবাহন। অধিকাংশ হোটেলেই অনলাইনেই রুম বুকিং দেয়া যায়। হোটেলের ওয়েবসাইটে এ গিয়ে জেনে নিতে পাড়েন তাদের রুম ভাড়া কিরকম এবং কি কি সুবিধা তারা দেবে। যানবাহনের টিকেট কেটে ফেলুন আগেই, এমনকি ফেরার টিকেটও। কেন না, অনেক সময়ে টিকেট পাওয়া যায় না।

বিদেশ ভ্রমণের সময়ে পাসপোর্ট চেক করে দেখুন, তা আপনার ব্যাগে রয়েছে কিনা। পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে কি করতে হবে, আগেই জেনে নিন সে তথ্য। যেখানে যাবেন, সেখানে কোন মুদ্রা ব্যবহৃত হয়, সে মুদ্রা আপনার কাছে কিনা জেনে নিন।

একটি তালিকা তৈরি করে ফেলুন, কি কি লাগবে আপনার। আপনি কত টাকা নিচ্ছেন, এবং সেখানে গিয়ে কোন কোন ক্ষেত্রে কত টাকা ব্যয় করবেন।

ক্যামেরার মেমরি ফাকা রয়েছে কিনা, চেক করে দেখুন। ব্যাটারিতে চার্জ ঠিকমত আছে কিনা দেখে নিন। সম্ভব হলে অতিরিক্ত মেমরি কার্ড ও ব্যাটারি নেয়া যেতে পারে। আর অবশ্যই ব্যাটারি চার্জার নিতে ভুলবেন না।

সেলফোন আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গি। সেলফোন চার্জার, হেডফোন সাথেই রাখুন। আর অবশ্যই সেলফোনে রাখবেন, আপনি যেখানে যাচ্ছেন, সেখানকার পুলিশস্টেশন, ফায়ার সার্ভিস ইত্যাদি গুরুত্বপুর্ণ নাম্বার। অনালাইনেই কুজে পেতে পারেন এ সকল তথ্য। সম্ভব হলে, গুরুত্বপুর্ণ কিছু নাম্বার একটি ছোট নোটবুকে টুকে রাখুন, কেননা হারিয়ে বা নস্ট হয়ে যেতে পারে সেলফোনটি। জরুরী প্রয়োজনে কার সাথে যোগাযোগ করবেন, পকেটে রাখুন সে তথ্য।

প্রয়োজনীয় ঔষধ সাথে রাখুন। মাথা ব্যাথা, গ্যস্ট্রিকের ঔষধ, স্যালাইন, ডেটল বা স্যাভলন, তুলা, ব্যান্ডে্‌জ ছোট কেচি ইত্যাদি সাথে রাখুন।

একটি ছোট চাকু ও ম্যাচ রাখতে পারেন। একটি অতিরিক্ত তালাও রাখতে পারেন। রাখতে পারেন সামান্য কিছু দড়ি, ছোট ছাতা, টর্চ ইত্যাদি। ভুলবেন না একটি ম্যাপ ও কম্পাস নিতে।

রাখতে পারেন কিছু শুকনো খাবার, যেমন বিস্কিট, খেজুর ইত্যাদি। পানির বোতল অবশ্যই রাখবেন। পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট নিতে ভুলবেন না।

সাবান, শ্যাম্পু ও টুথপেস্ট এর ছোট কৌটো। অন্যান্য প্রসাধন সামগ্রী নিলেও সেগুলো যেন অবশ্যই ছোট কৌটোয় নেয়া হয়।

কাপড় যত কম হয়, ততই ভাল, এতে ব্যাগ ছোট হবে। অন্যথায় ব্যাগের ওজন বেড়ে গিয়ে আপনাকে ফেলে দেবে সমস্যায়।

-ছবিঃ যুবাইর বিন ইকবাল

Bangladeshi Wedding Photographer

rain

অবশেষে বৃষ্টিতে ভিজল রাজধানী

rain
প্রচন্ড বৃষ্টিতে ছাতা মাথায় বিল পার হচ্ছে রাজধানীর কড়াইল এলাকার মানুষ।
ছবিঃ যুবাইর বিন ইকবাল

এক পশলা বৃষ্টির জন্য হাহাকার ছিল রাজধানীবাসীর, অবশেষে মে মাসের প্রথম দিনেই এলেন তিনি ভিজিয়ে দিয়ে গেলেন রাজধানীবাসীদের। সন্ধ্যা ৬ঃ১৫ এর দিকে শুরু হয়, প্রচন্ড বাতাস। ধুলোয় ভরে যায় রাজধানী। আকাশে বাতাসে ধুলো, যেন মরু ঝর। সাথে প্রচণ্ড বজ্রপাত। ৬ঃ৪৫ এর দিকে শুরু হয় বহু কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি। এ বৃষ্টিতে যেন স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে নগরবাসী। তীব্র গরমে যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল জন জীবন।

তাপমাত্রা কমে এসময়ে ২২ ডিগ্রী সেলসিয়ায়াসে আসে।

তবে এতে এখন পর্যন্ত কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায় নি। তবে বেশ কিছু জায়গায় বড় বৃক্ষ আছড়ে পরে। বৃষ্টির কারণে রাজধানীতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

একই দিনে রাজশাহিতেও হয়েছে ভারী বৃষ্টি, সাথে বজ্রপাত।

বৃষ্টি এলে মানুষের ফেসবুকও ভরে যায় বৃষ্টির স্ট্যাটাসে। কয়েকজনের স্ট্যাটাস

একটু পরেই শুরু হবে আহাজারি – রিশকা পাইনা, এহহে এত্তো ক্যাদা ক্যারে, উফফফ এ শহরে থাকাও অপ্রাদ – সবখানে পানি উইঠা গেছে, কারেং নাই কিয়ারে, ইত্যাদি।
আর বৃষ্টির সুরক্ষা এবং রিশকার পর্দার পেছনে উষ্ণ হবে প্রেমিক যুগল।
পক্কাত – রিশকা নালায় পর্ছে।
অনিন্দ কবির অভিক

“আজকের নতুন টপিক অফ ডা নাইট, “বৃষ্টি অাপার শুভ আগমন”। বায়োমেট্রিক টপিক আপতত অফ। বৃষ্টিকে নিয়ে অনেক স্ট্যাটাস দেখবো।”
অয়ন আহমেদ

বৃষ্টি নেমেছে রিমঝিমরিম সুরের লহরী
নিঝুম রাতে।
বৃষ্টি নেমেছে কত স্মৃতি বুকে নিয়ে
ওমর তুষার

“সবাই ঝর হচ্ছে দেখে আনন্দিত।।। আর আমি পুরা ধুলায় মাখা মাখি।।আর একটু হলে উরাইয়া গাবতলি নিয়ে ফালাইত”
আহমেদ রুমেল

Dhanmondi Lake

তীব্র লোডশেডিংয়ে অসহনীয় অবস্থা

রাজধানী ঢাকা সহ সমগ্র বাংলাদেশ তীব্র লোডশেডিং। এতে স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। কল কারখানা বন্ধ হবার উপক্রম। রাজধানীর অধিকাংশ শপিং মলগুলো দিনের অনেকটা সময় ধরে বন্ধ রাখতে হয় বিদ্যুতের অভাবে। তীব্র গরমে বিদ্যুতের চাহিদা বেশি। বিদ্যুৎ না থাকার কারণে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতিতে বেশ সমস্যায় পরতে হচ্ছে এইস এস সি পরীক্ষার্থীদের। অসুস্থ রোগী ও বয়স্ক মানুষের জীবন প্রায় অতিষ্ঠ। এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলেও কৃত্রিম তেল সঙ্কট বাংলাদেশ।

আর এ কারণে বন্ধ রয়েছে বেশ কিছু বেসরকারী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। পিডিবি দাবী করেছে, সমগ্র বাংলাদেশে মাত্র ৫০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং। অপরদিকে পিজিবিসি বলেছে, দেশে কোন লোডশেডিং নেই। কেন না, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ চাহিদা ৮০০০ মেগাওয়াট, সেখানে সরকার উৎপাদন করছে ১০,০০০ মেগাওয়াট।

নৌ পরিবহণ শ্রমিকদের ধর্মঘটের কারণে ঠিকমত তেল পাচ্ছে না, এমনটাই দাবী অনেক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের।

ডেসা কর্মকর্তা মোহাম্মাদ মনিরুজ্জামান বলেন, লোডশেডিংয়ের দায় শুধু সরকারের নয়। আমরা সাধারণ জনগণ প্রচুর বিদ্যুৎ অপচয় করে থাকি। বিশেষ করে শপিং মলগুলোতে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে অযথা আলো জ্বালিয়ে রাখা হয়।